ঢাকাWednesday , 1 July 2015
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

সেতাবগঞ্জ চিনিকল শ্রমিক-কর্মচারীদের বেতন বন্ধ

Link Copied!

Sugar-Milদিনাজপুর প্রতিনিধি : সেতাবগঞ্জ চিনিকলে বিগত চারটি মাড়াই মওসুমের সাত হাজার ৬২৬ টন চিনি অবিক্রিত রয়েছে। যার বাজার মূল্য ২৮ কোটি ২১ লাখ ৬৯ হাজার ৪শ’ টাকা। চিনি বিক্রি না হওয়ায় কর্তৃপক্ষ গত দুই মাস ধরে শ্রমিক-কর্মচারীদের বকেয়া বেতন বন্ধ রেখেছেন। সামনে ঈদকে সামনে রেখে বেতন অনিশ্চয়তায় পরিবার পরিজন নিয়ে চরম উৎকণ্ঠায় দিন কাটাচ্ছেন শ্রমিক-কর্মচারীরা।
শ্রমিকরা জানান, ফেব্রুয়ারি মাস থেকে মিলের শ্রমিক-কর্মচারীরা বেতন ভাতার বিপরীতে ১০% কমিশন দিয়ে চিনি উত্তোলন করে বিভিন্ন ব্যবসায়ীদের কাছে বিক্রি করলেও বাজারে দেশীয় চিনির কদর ও দাম না থাকায় এই সুযোগটুকুও হাত ছাড়া হতে চলেছে।
সেতাবগঞ্জ চিনিকল শ্রমিক ইউনিয়েনর সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রহমান দুলাল জানান, গত মে-জুন ও বর্তমান জুলাই মাসে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বকেয়া বেতন দেয়া সম্ভব হয়নি। ঈদ উপলক্ষে শ্রমিক-কর্মচারীদের বেতনের পাশাপাশি বোনাস দিতে না পারলে মিলটিতে চরম অসন্তোষ দেখা দিতে পারে।
মিলের ব্যবস্থাপক (অর্থ) মো. নজরুল ইসলাম জানান, প্রতিমাসে মিলটিতে কর্মকর্তা-কর্মচারী ও শ্রমিকদের আনুমানিক এক কোটি ১০ লাখ টাকা বেতন ভাতা প্রদান করা হয়ে থাকে। এই টাকা চিনি ও মোলাসেস বিক্রি করেই পরিশোধ করার নিয়ম থাকলেও সময়মত চিনি বিক্রি না হওয়ায় বেতন ভাতা দেয়া সম্ভব হচ্ছে না। তবে মিল কর্তৃপক্ষ ঈদের আগেই বেতন ভাতা পরিশোধের আপ্রাণ চেষ্টা করবেন বলে জানান তিনি।
মিলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শহিদ উল্লাহ জানান,গোডাউনে গত ২০১১-২০১২ মওসুমের ২৫১১.৮৫ টন, ২০১২-২০১৩ মওসুমের ২৯৪৪.৯৫ টন, ২০১৩-২০১৪ মওসুমের ৬২.২০ টন ও ২০১৪-২০১৫ মওসুমের ২১০৭৩২০ টনসহ মোট সাত হাজার ৬২৬ টন চিনি মজুদ রয়েছে। যার বর্তমান বাজার মূল্য ২৮ কোটি ২১ লাখ ৬৯ হাজার ৪শ’ টাকা।
চিনি বিক্রি না হওয়ার কারণ সম্পর্কে তিনি জানান, বাজারে সাদা চিনি ৪০ থেকে ৪২ টাকা বিক্রি হচ্ছে। অন্যদিকে দেশীয় চিনি লালচে হওয়ায় বাজারে এর চাহিদা কম। তবে ইতিমধ্যে দেশীয় কিছু চিনি রিফাইন করে প্যাকেট জাতের মাধ্যমে বাজারে বিক্রি করা হচ্ছে। তারপরও বিপুল সংখ্যক চিনি অবিক্রিত থাকায় মিলটি ঋণগ্রস্ত হয়ে পড়েছে।