কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি : ভারতের কোচবিহারে বিএসএফের বিশেষ আদালতে ৩ মাস ৫দিন পর আবারও শুরু হয়েছে ফেলানী হত্যা মামলার পুনর্বিচারিক কার্যক্রম।
মঙ্গলবার সকাল ১০টা থেকে বিশেষ আদালতের সোনারী ছাউনীতে বিএসএফের আধিকারী সিপি ত্রিবেদীর নেতৃত্বে ৫ সদস্যের বিচারিক প্যানেল বিচারিক কার্যক্রম পরিচালনা করছেন।
কুড়িগ্রামের পাবলিক প্রসিকিউটর ও ফেলানী হত্যা মামলার আইন সহায়তাকারী অ্যাডভোকেট আব্রাহাম লিংকন দুপুরে (২টা ৩৬) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এর আগে ৪ মাস মুলতবি থাকার পর গত ২৫ মার্চ পুনর্বিচার কাজ শুরু হলেও বিএসএফের সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর অসুস্থ থাকায় ৩০ জুন পর্যন্ত পুনর্বিচারিক কার্যক্রম মুলতবি করা হয়।
অ্যাডভোকেট আব্রাহাম লিংকন জানান, পূর্ব নির্ধারিত সময় অনুযায়ী গত ২৫ মার্চ বিএসএফের আধিকারী সিপি ত্রিবেদীর নেতৃত্বে ৫ সদস্যের বিচারিক প্যানেল বিচারিক কার্যক্রম শুরু করেন। কিন্তু বিএসএফের বিশেষ আদালতের সহকারী প্রসিকিউটর অসুস্থ থাকায় বিচারিক কাজ সেদিনের জন্য মুলতবি ঘোষণা করা হয়। ২৬ মার্চ পুনরায় আদালত বসলেও সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর অনুপস্থিত থাকায় ৩০ জুন পুনর্বিচারিক কার্যক্রম শুরুর তারিখ নির্ধারণ করে বিএসএফের বিশেষ আদালত।
উল্লেখ্য, ২০১১ সালের ৭ জানুয়ারি ফুলবাড়ীর অনন্তপুর সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া পার হওয়ার সময় বিএসএফ সদস্য অমিয় ঘোষের গুলিতে নির্মমভাবে নিহত হয় বাংলাদেশি কিশোরী ফেলানী খাতুন। এ হত্যাকাণ্ডে দেশ-বিদেশের গণমাধ্যমসহ মনবাধিকার কর্মীদের মাঝে সমালোচনার ঝর উঠে। এরপার ২০১৩ সালের ১৩ আগস্ট বিএসএফের বিশেষ আদালতে ফেলানী হত্যার বিচার কাজ শুরু হয়।
২০১৩ সালের ৬ সেপ্টেম্বর অভিযুক্ত বিএসএফ সদস্য অমিয় ঘোষকে বেকসুর খালাস দেয় ভারতের কোচবিহারের বিএসএফের বিশেষ আদালত। পরে বিজিবি-বিএসএফের দ্বি-পাক্ষিক বৈঠকে ফেলানী হত্যার পুনর্বিচারের সিদ্ধান্ত হয়। সে অনুযায়ী ২০১৪ সালের ২২ সেপ্টেম্বর পুনর্বিচার শুরু করে বিএসএফ।

