ঢাকাMonday , 29 June 2015
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

শত কোটি টাকার মালিক ব্যাংক কর্মকর্তা

Link Copied!

sonali-bankঅর্থনৈতিক প্রতিবেদক : সোনালী ব্যাংকের স্থানীয় কার্যালয়ের অফিসার (কর্মকর্তা) মো. হাসান খসরু। পাশাপাশি সোনালী ব্যাংক কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সংগঠন বা সিবিএ নেতাও তিনি। পেশা ও পরিচয় যাই হোক, তিনি এখন প্রায় শত কোটি টাকার মালিক।
নিয়োগ বাণিজ্য, ঘুষ গ্রহণ ও গ্রাহকদের সুদ মওকুফের মত অবৈধ কার্যক্রমের মাধ্যমে এই বিপুল পরিমান সম্পদ অর্জন করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগটি যথাযথ বলে মনে হওয়ায় সম্প্রতি অনুসন্ধানও শুরু করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। একই সঙ্গে দুদকের উপ-পরিচালক আবদুছ ছাত্তার সরকারকে অনুসন্ধানের দায়িত্বও দেয়া হয়েছে। দুদক সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
দুদকে আসা অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, মো. হাসান খসরু রাজধানীর মতিঝিলে অবস্থিত সোনালী ব্যাংক লিমিটেডের স্থানীয় কর্যলয়ের একজন কর্মকর্তা। তবে সিবিএ নেতা হওয়ার সুবাদে অফিসের সব জায়গায়ই তার প্রভাব। আর এই সুবাদেই অফিসের সকল প্রকার নিয়োগ বাণিজ্যের সঙ্গেই জড়িত তিনি। এর মাধ্যমে অবৈধভাবে হাতিয়ে নিয়েছেন কোটি কোটি টাকা। শুধু তাই নয় বিভিন্ন ঋণ দেয়ার নাম করে সহায়তা ও মধ্যস্থতাকারী হিসেবেও তিনি ঘুষ নেন গ্রাহকদের কাছ থেকে। সেই সঙ্গে গ্রাহকদের সুদ মওকুফের নাম করে টাকা হাতিয়ে নেন সোনালী ব্যাংকের অফিসার কাম সিবিএ নেতা হাসান খসরু।
অভিযোগে আরো বলা আছে, এভাবে বিভিন্ন অবৈধ প্রক্রিয়ায় ব্যাংক কর্মকর্তা থেকে হাসান খসরু এখন প্রায় শত কোটি টাকার অবৈধ সম্পদের মালিক। তার সম্পদের মধ্যে আছে- ঢাকায় নিজ নামে একটি ফ্ল্যাট, নারায়ণগঞ্জের শীতলক্ষ্যায় দুই বিঘা জমি, কুমিল্লা শহরে অনন্ত প্লাজা নামে একটি মার্কেট ও বাড়ি এবং অনন্ত এন্টারপ্রাইজ নামে দু’টি ব্রিক ফিল্ডসহ কোটি টাকার ব্যাংক ব্যালেন্স। আর এসবের আনুমানিক মূল্য প্রায় শত কোটি টাকারও বেশি। যা একজন ব্যাংক কর্মকর্তার পক্ষে অর্জন করা প্রায় অসম্ভব।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক দুদকের একজন উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তা বলেন, ‘গত ১২ এপ্রিল এই অভিযোগটি দুদকে এলে তা আমলে নিয়ে যাচাই-বাছাই শাখায় পাঠানো হয়। প্রায় দুই মাস যাচাই শেষে অভিযোগটি যথাযথ বলে মনে হওয়ায় গত সপ্তাহে অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নেয় কমিশন। কমিশনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী দুদকের উপ-পরিচালক আবদুছ ছাত্তার সরকারকে অনুসন্ধানী কর্মকর্তা ও পরিচালক মোহাম্মদ বেলাল হোসেনকে তদারকি কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়েছে। ইতিমধ্যে অনুসন্ধানী কর্মকর্তা অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ সংশ্লিষ্ট কাগজপত্র এবং মো. হাসান খসরুর সম্পদের যাবতীয় তথ্য চেয়ে কুমিল্লায় অবস্থিত বাড়িতে নোটিশ পাঠানো হয়েছে।’