ঢাকাThursday , 14 May 2015
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

এডিপি ৯৭ হাজার কোটি টাকা
পরিবহন খাতে সর্বোচ্চ বরাদ্দ

Link Copied!

Govt-Logoঅর্থনৈতিক প্রতিবেদক : আগামী ২০১৫-১৬ অর্থবছরের জন্য ৯৭ হাজার কোটি টাকার বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) অনুমোদন দিয়েছে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদ। এর মধ্যে সরকারি ব্যয় (জিওবি) সাড়ে ৬২ হাজার কোটি টাকা ও প্রকল্প সাহায্য সাড়ে ৩৪ হাজার কোটি টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার সকালে শেরে বাংলা নগর পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের এনইসির সম্মেলন কক্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে বৈঠকে এই এডিপির অনুমোদন দেয়া হয়।
বৈঠক শেষে পরিকল্পনা মন্ত্রী আ হ ম মোস্তফা কামাল সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।
আগামী অর্থবছরে পরিবহন, বিদ্যুৎ, অবকাঠামো এবং শিক্ষা খাতকে অগ্রাধিকার দিয়ে ৯৭ হাজার কোটি টাকার এডিপির চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়া হয়েছে। এছাড়া স্বায়ত্বশাসিত সংস্থার জন্য থাকছে ৩ হাজার ৯৯৬ কোটি টাকা।
মন্ত্রী আ হ ম মোস্তফা কামাল বলেন, ‘২০১৫-১৬ অর্থ বছরে বরাদ্দ দেয়া অর্থ ব্যয় করা হবে। এর আগে এনইসির সভায় এডিপির জন্য সাড়ে ৯২ হাজার কোটি টাকা উত্থাপন করে পরিকল্পনা কমিশন। কিন্তু বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের চাহিদার ওপর ভিত্তি করে প্রধানমন্ত্রী আরো সাড়ে চার হাজার কোটি টাকার বাড়তি এডিপি বরাদ্দ দিয়েছেন। বাড়তি বরাদ্দের পুরোটাই সরকারি ব্যয়। এই বাড়তি বরাদ্দ পরবর্তীতে খাতগুলোতে প্রয়োজন অনুসারে বণ্টন করা হবে।’
তিনি বলেন, ‘আমাদের দিন দিন এডিপির বরাদ্দের পরিমাণ বৃদ্ধি পাচ্ছে। এডিপির পরিমাণ ১ লাখ কোটি টাকায় নিয়ে যেতে পারছি। এটি যুগান্তকারী সফলতার বিষয়। বিশ্বাস করি অনুমোদিত এডিপি বাস্তবায়ন করতে পারবো।’
এডিপিতে পরিবহন খাতে সর্বাধিক বরাদ্দ করা হয়েছে। পদ্মা সেতু, নতুন সড়ক নির্মাণ, রেলওয়ের উন্নয়ন এবং দেশের বর্তমান সড়কগুলো মেরামতের লক্ষ্যে এ খাতে সর্বাধিক বরাদ্দ দেয়া হয়।
বৈঠকে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত, সমাজকল্যাণমন্ত্রী মহসীন আলী, কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী, অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী এম এ মান্নান, পরিকল্পনা কমিশনের সাধারণ অর্থনীতি বিভাগের সদস্য ড. শামসুল আলম প্রমুখ।