ঢাকাThursday , 14 May 2015
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

কর্মসংস্থান প্রবৃদ্ধির জন্য প্রয়োজন আর্থিক স্থিতিশীলতা

Link Copied!

bbঅর্থনৈতিক প্রতিবেদক : স্থিতিশীল মূল্যমান ও আর্থিক অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধি অর্জনের জন্য প্রয়োজন কর্মসংস্থান বৃদ্ধির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ আয়। আর সমগ্র বিষয়টি নির্ভর করছে আর্থিক স্থিতিশীলতার উপর। আর এ বিষয়টির প্রতি গুরুত্বারোপের মধ্য দিয়ে সামনের দিনগুলোতে বাংলাদেশ ব্যাংককে তার নীতি নির্ধারণের পরামর্শ দিয়েছে ওয়ার্ল্ড লেবার অর্গানাইজেশন (আইএলও)।
বৃহস্পতিবার সকালে বাংলাদেশ ব্যাংকের জাহাঙ্গীর আলম কনফারেন্স হলে ‘মূল্যস্ফীতি, প্রবৃদ্ধি এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ভূমিকা’ শীর্ষক আন্তর্জাতিক এক সেমিনারে আইএলও উপস্থাপিত মূল প্রবন্ধে এ পরামর্শ দেয়া হয়।
আইএলওর সাবেক পরিচালক ড. মুহাম্মদ মোক্তাদা বলেন, ‘বাংলাদেশের জন্য এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ কর্মসংস্থান বাড়ানো। এখানে অনেক জনবল থাকলেও দক্ষ জনশক্তির যথেষ্ট অভাব রয়েছে। তাই দক্ষ জনশক্তি গড়ার জন্য কার্যকরী নীতি প্রণয়ন প্রয়োজন।
বাংলাদেশে খাদ্য ও জ্বালানীতে মূল্যস্ফীতি সবসময় ঊর্ধ্বমূখী উল্লেখ করে প্রবন্ধে বলা হয়, সরকারের আয় ও ব্যয়ের মধ্যে যথেষ্ট অসামঞ্জস্যতা রয়েছে। যার নেতিবাচক ফল ভোগ করতে হয় প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে। তাই কেন্দ্রীয় ব্যাংক তাদের মনিটরিং পলিসির মাধ্যমে এটি কমিয়ে আনতে নীতি প্রণয়ন করতে পারে।
আইএলওর কান্ট্রি ডিরেক্টর শ্রীনিবাস রেড্ডি বলেন, ‘বাংলাদেশের এখন সবচেয়েব বড় সমস্যা হলো অদক্ষ জনবল, ঝুঁকিপূর্ণ কারখানা; যার জন্য উৎপাদন কমে যাচ্ছে। শ্রমিকদের দক্ষতা বাড়ানোর পামাপাশি তাদের কাজের পরিবেশে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। অর্থনৈতিক আধুনিকায়নের জন্য এসব বিষয়ের প্রতি নীতি নির্ধারকদের নজর দিতে হবে।
এর পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আতিউর রহমান বলেন, ‘অভ্যন্তরীণ মূল্যমান স্থিতিশীল ও কর্মসংস্থানের প্রবৃদ্ধির জন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংক কাজ করে যাচ্ছে এবং ব্যাংকসহ সব আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর অবদান নিশ্চিত করার লক্ষ্যে নীতিগত সহযোগিতা দিয়ে যাচ্ছে। উদ্যোক্তা তৈরিতে, কৃষিতে, সবুজ অর্থায়নে, সিএসআর কর্মকাণ্ডে সকলের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক কাজ করছে।’
যেসব কারণে বাংলাদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৬ বছর বা তারও বেশি সময় ধরে ৬ শতাংশের উপরে স্থিতিশীল পর্যায়ে রয়েছে বলে দাবি করেন গভর্নর। তিনি বলেন, ‘এখন আমাদের দেশে দারিদ্র্য কমছে, বৈষম্য বাড়ছে না, সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে কৃষক পর্যন্ত ব্যাংকিং চ্যানেলে যুক্ত হচ্ছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের উন্নয়নমুখী ভূমিকার কারণেই মূল্যস্ফীতি সহনীয় পর্যায়ে নেমে এসেছে।’
বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান অর্থনীতিবিদ বিরূপাক্ষ পালের সভাপতিতে অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন- আইএলও (জেনেভা) লেবার ও মার্কেটিং বিভাগের প্রধান এনায়েতুল ইসলাম, ডিএসইর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. স্বপন কুমার বালা, বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর এস কে সুর চৌধুরী, আবুল কাশেম, নাজনীন সুলতানাসহ অন্যান্য নির্বাহী পরিচালকরা।