অর্থনৈতিক প্রতিবেদক : চলতি অর্থবছরের (২০১৪-১৫) মার্চে আগের মাসের তুলনায় বাইরে থেকে বিভিন্ন পণ্য আমদানির জন্য ব্যাংকগুলোতে ঋণপত্র (এলসি) খোলার পরিমাণ বেড়েছে ৯ দশমিক ৬০ শতাংশ।
বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, মার্চে মোট এলসি খোলা হয়েছে ৩৭২ কোটি ২৫ লাখ ডলারের। আর এলসি নিষ্পত্তি হয়েছে ৩৩৩ কোটি ৮৯ লাখ ডলারের; যেখানে ফেব্রুয়ারিতে এলসি খোলার পরিমাণ ছিল ৩০৪ কোটি ৯৭ লাখ ডলার এবং এলসি নিষ্পত্তি হয়েছিল ২৭১ কোটি ১১ লাখ ডলারের ঋণপত্র। অর্থাৎ আগের মাসের চেয়ে ঋণপত্র খোলা ও নিষ্পত্তি দুইই বেড়েছে।
আমদানিকারক ও বাজার সংশ্লিষ্টদের মতে, দেশের রপ্তানি খাত পুরোটাই আমদানি নির্ভর। এজন্য রপ্তানি বাড়ার সম্ভাবনা তৈরি হলে আমদানির পরিমাণও বাড়ে। এছাড়া আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম কমা এবং তা একটি স্থিতিশীল অবস্থায় থাকাটাও একটা বড় কারণ বলে জানান তারা। কারণ, আগের তুলনায় জাহাজ ভাড়া অনেক কমে গেছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, মার্চ মাসে ব্যাক টু ব্যাক এলসি খোলা হয়েছে ৬৫ কোটি ২৩ লাখ ডলারের। যেখানে নিষ্পত্তি হয়েছে ৫২ কোটি ৯৩ লাখ ডলারের; যা ফেব্রুয়ারিতে ছিল যথাক্রমে ৪৮ কোটি ও ৪৯ কোটি ডলার। ব্যাক টু ব্যাক এলসির মধ্যে তৈরি পোশাক শিল্পের কাপড় (ফেব্রিকস) ও এক্সেসরিজ থাকে।
মার্চে মূলধনী যন্ত্রপাতি আমদানির জন্য ১৯ কোটি ৩৩ লাখ ডলারের এলসি খোলা হয়েছে, যেখানে নিষ্পত্তি হয়েছে ২৪ কোটি ৬১ লাখ ডলারের। গেল ফেব্রুয়ারিতে ১৯ কোটি ৪৫ লাখ ডলারের এলসি খোলা হয়েছিল এবং নিষ্পত্তি হয়েছিল ১৫ কোটি ১১ লাখ ডলারের এলসি।

