আন্তর্জাতিক ডেস্ক : যুদ্ধাবস্থারত ইয়েমেন সরকার জাতিসংঘ বরাবর নিজ দেশে বহির্দেশিয় সেনাবাহিনী প্রবেশের আবেদন জানিয়েছে। বিশেষ করে এডেন এবং তাঈজে অবস্থানরত হুতি বিদ্রোহীদের দমনে যেন বহির্দেশিয় সেনাবাহিনী ইয়েমেনে প্রবেশ করে এবিষয়ে জাতিসংঘের কাছে একটি চিঠিতে জানিয়েছে বর্তমান ইয়েমেন কর্তৃপক্ষ। সৌদি বিমান হামলা সত্ত্বেও ওই দুইটি এলাকা খুব দ্রুত হুতি বিদ্রোহীরা দখল করে নেয়ায় দেশটির শাসকদের পক্ষ হতে এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।
এর আগে ইয়েমেনে হুতি গোষ্ঠির সদস্যরা বিদ্রোহ শুরু করলে ক্ষমতাসীন শাসক গোষ্ঠি জাতিসংঘ বরাবর এই মর্মে চিঠি পাঠিয়েছিল যাতে উপসাগরীয় রাষ্ট্রগুলো হুতি বিদ্রোহীদের ধ্বংস করতে ইয়েমেনে সামরিক অভিযান চালায়। কিন্তু জাতিসংঘের পক্ষ থেকে ওই চিঠির কোনো আনুষ্ঠানিক উত্তর দেয়া হয়নি। সর্বশেষ অভিযোগে হাদিপন্থীদের পক্ষ থেকে হুতিদের ‘বর্বর’ বলে অভিহিত করা হয়।
এদিকে এডেন এবং তাঈজিতে সরকারি বাহিনীর বিরুদ্ধে লড়াইয়ে ক্রমশ সফলতা পাচ্ছে হুতি বিদ্রোহীরা। এডেনের আর তাওআহি জেলায় ইতোমধ্যেই বিদ্রোহীরা প্রবেশ করেছে। এই ঘটনার অবশ্য আন্তর্জাতিক নেতৃবৃন্ধ গভীরে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। কারণ বিখ্যাত ওই শহর দুটিতে অসংখ্য সাধারণ মানুষ যুদ্ধের শিকার হতে পারে বলে ধারণা করছেন বিভিন্ন মানবাধিকার সংস্থা।
সর্বশেষ খবর অনুযায়ী সৌদি বিমানবাহিনী সৌদি-ইয়েমেন সীমান্তবর্তী এলাকায় ভারি বোমা নিক্ষেপ করছে। রাজধানী সানা থেকে হুতিরা তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করছে এই সংবাদের ভিত্তিতে এখন সানাতে বিমান হামলা চালানো হচ্ছে বলে জানা গেছে। তবে সৌদি কর্তৃপক্ষ অথবা ইয়েমেনি শাসকদের পক্ষ থেকে হামলায় মৃতের সঠিক সংখ্যা জানানো হচ্ছে না। যদিও বিভিন্ন বেসরকারি প্রতিষ্ঠান মারফত জাতিসংঘ জানায় যে, এ পর্যন্ত প্রায় সাড়ে ছয়শ সাধারণ মানুষ মারা গেছে সৌদি বিমান হামলায়।

