ঢাকাThursday , 7 May 2015
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

আপিলেও ১০ শিক্ষককে নিয়োগ দেয়ার নির্দেশ

Link Copied!

high-court-2নিজস্ব প্রতিবেদক : বেসরকারি রেজিস্টার্ড প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে নওগাঁ জেলার ১০ প্রার্থীকে নিয়োগ দিতে নির্দেশ দিয়েছেন সুপ্রিমকোর্টের আপিল বিভাগ।
এ বিষয়ে শিক্ষা অধিদপ্তরের জারি করা এক পরিপত্রকে চ্যালেঞ্জ করে দায়ের করা রিটের শুনানি নিয়ে হাইকোর্টের রায়ের ‍বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষের আপিল খারিজ করে দিয়ে এ আদেশ দেন আপিল বিভাগ।
রাষ্ট্রপক্ষের করা এক আবেদনের শুনানি শেষে বৃহস্পতিবার প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার নেতৃত্বে তিন সদস্যের আপিল বিভাগ নিয়োগ সক্রান্ত আপিল খারিজ করে এ আদেশ দেন। আবেদনটি খারিজ করার ফলে হাইকোর্টের আদেশ বহাল থাকলো। আপিল বিভাগের এই আদেশের ফলে উক্ত ১০ শিক্ষককে নিয়োগ দিতে আর কোনো আইনী বাধা নেই বলে জানিয়েছেন আইনজীবী সিদ্দিক উল্লাহ ‍মিয়া।
আদালতে রিট আবেদনকারীদের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার রফিক-উল হক। তাকে সহযোগিতা করেন ব্যারিস্টার তারেক আহমদ ও অ্যাডভোকেট সিদ্দিক উল্লাহ মিয়া। অপরদিকে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুর্টি অ্যাটর্নি জেনারেল আমাতুল করিম।
এর আগে ২০১৪ সালের ১৮ জুন রিট আবেদনকারী ১০ জনকে একমাসের মধ্যে নিয়োগ দেয়ার নির্দেশ দেন হাইকোর্ট। হাইকোর্টের ওই রায়ের বিরুদ্ধে ২০১৪ সালে আপিল করে রাষ্ট্রপক্ষ। আজ শুনানি শেষে সুপ্রিমকোর্টের আপিল বিভাগ রাষ্ট্রপক্ষের করা আপিল আবেদনটি খারিজ করে দেয়ায় ওই ১০ শিক্ষককে নিয়োগ দেয়ার আদেশ আপিলেও বহাল রইলো।
প্রসঙ্গত, ২০১০ সালের  ১১ এপ্রিল প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে রেজিস্টার্ড প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৪২ হাজার শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হবে বলে এক সার্কুলার (বিজ্ঞপ্তি) প্রকাশ করা হয়। পরে এসব রেজিস্টার্ড প্রাথমিক বিদ্যালয়কে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অন্তর্ভূক্ত করা হয়। বিজ্ঞপ্তির তিন নম্বর ক্রমিকে উল্লেখ করা হয় রেজিস্টার্ড প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বাছাই পরীক্ষায় উত্তীর্ণদেরকে নিয়ে উপজেলায় একটি প্যানেল গঠন করা হবে।
কিন্তু ২০১২ সালের ২১ মার্চ রেজিস্টার্ড প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক নিয়োগের ফলাফল প্রকাশ পায়। ফলাফল প্রকাশ পাওয়ার পর শর্তপূরণ না করে উত্তীর্ণ ১০ হাজার শিক্ষককে নিয়ে শিক্ষা অধিদপ্তর থেকে ইনউনিয়ন ভিত্তিক প্যানেল গঠন করে একটি পরিপত্র জারি করা হয়। যার ফলে উপজেলা ভিত্তিক প্যানেল গঠন করার জন্য যারা পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছিল তার মধ্যে থেকে তারা নিয়োগ বাদ পড়েন। ওই পরিপত্র চ্যালেঞ্জ করে এই ১০ শিক্ষক হাইকোর্টে রিট করেন।