অর্থনৈতিক প্রতিবেদক : চলতি ২০১৪-১৫ অর্থবছরের প্রথম ১০ মাসে (জুলাই-এপ্রিল) রেমিট্যান্সের প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৭ দশমিক ৪ শতাংশ। যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় (এপ্রিল) রেমিট্যান্স বাড়লেও গত মার্চের তুলনায় তা কিছুটা কমেছে।
মঙ্গলবার বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রানীতি বিভাগের হালনাগাদ প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা যায়।
প্রতিবেদনে দেখা যায়, চলতি অর্থবছরের প্রথম ১০ মাসে দেশে এক হাজার ২৫৫ কোটি ২০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স এসেছে। আগের অর্থবছরের একই সময়ে এ পরিমাণ ছিল এক হাজার ১৭২ কোটি ৫৭ লাখ ডলার।
আর একক মাস হিসাবে গত এপ্রিলে দেশে ১২৯ কোটি ৩৭ লাখ মার্কিন ডলারের সমপরিমাণ রেমিট্যান্স এসেছে। যেখানে গত মার্চে এর পরিমাণ ছিল ১৩৩ কোটি ২৪ লাখ ডলার। সে হিসাবে আগের মাসের তুলনায় ৪ কোটি ৪৬ লাখ ডলার বা তিন দশমিক ৩৩ শতাংশ কম রেমিট্যান্স এসেছে। আর আগের বছরের এপ্রিল মাসে প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্সের পরিমাণ ছিল ১২৩ কোটি ৫ লাখ ডলার। সে হিসাবে চলতি বছরের এপ্রিলে আগের বছরের এপ্রিলের তুলনায় ৬ কোটি ৩২ লাখ ডলার বা ৫ দশমিক ১৩ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়েছে।
প্রতিবেদনে দেখা যায়, এপ্রিল মাসে রাষ্ট্রীয় মালিকানার বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ৪০ কোটি ৪৬ লাখ ডলার। আগের মাসে এ পরিমাণ ছিল ৪৩ কোটি ৫২ লাখ ডলার। বিশেষায়িত ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এক কোটি ৬৭ লাখ ডলার রেমিট্যান্স এসেছে এপ্রিল মাসে। আর মার্চে এসব ব্যাংকের মাধ্যমে এসেছিল এক কোটি ৭১ লাখ ডলার। এপ্রিলে বেসরকারি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ৮৫ কোটি ৬৫ লাখ ডলার যা মার্চে ছিল ৮৬ কোটি ৪০ লাখ ডলার। এছাড়া এপ্রিল মাসে বিদেশি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে আসা রেমিট্যান্সের পরিমাণ ছিল এক কোটি ৫৮ লাখ ডলার। আগের মাসেও একই পরিমাণ রেমিট্যান্স এসেছিল এসব ব্যাংকের মাধ্যমে।
উল্লেখ্য, মঙ্গলবার একটি অনুষ্ঠানে চলতি অর্থবছরে (২০১৪-১৫) রেমিটেন্সের পরিমাণ মোট ১৫ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যাবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন। যা হতে পারে এক বছরে সর্বোচ্চ পরিমাণ রেমিটেন্সের রেকর্ড।

