ঢাকাTuesday , 5 May 2015
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

যেভাবে বেঁচে গেলেন ১০১ বছরের তামাং

Link Copied!

TAMANGআন্তর্জাতিক ডেস্ক : নেপালের দু দুটি বড় ভূমিকম্প থেকে বেঁচে গেছেন ১০১ বছরের বৃদ্ধ ফুলচে তামাং। ভূমিকম্পের আট দিন পর গত রোববার তিনি উদ্ধার পান। তাকে উদ্ধার করার পর তাকে হাসপাতালে ভর্তি করেন উদ্ধারকর্মীরা। তিনি আল জাজিরার কাছে সেদিনের ভয়াবহ স্মৃতি তুলে ধরেছেন।
ওই বৃদ্ধকে উদ্ধার করা হয়েছিল কাঠমান্ডু থেকে ৮০ কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে নুয়াকোট জেলার কিমতাং গ্রাম থেকে। গত ২৫ এপ্রিলের ভূমিকম্পের সময় পরিবারের অন্যন্য লোকজনের সঙ্গে তিনি ঘরেই বসেছিলেন।
‘হঠাৎ বিকট শব্দ শোনা যায় এবং সবকিছু ভেঙে পড়তে থাকে। তখন আমার ঘরটিও ভেঙে পড়ে। চারপাশের দেয়াল ঝুরঝুর করে ভেঙে পড়ে এবং ছাদ নিচে নেমে আসে। এর কিছু অংশ আমার বুকের ওপর এসে পড়ে।’- বলছিলেন তামাং।
ত্রিশুলি শহরের এক ক্লিনিকের ধাতব শয্যায় শুয়ে আল জাজিরা প্রতিনিধির সঙ্গে কথা বলছিলেন তামাং। তার মতে শনিবারের ভূমিকম্পটি ১৯৩৪ সালের ভূমিকম্পের চেয়েও ভয়াবহ। তিনি বলেন,‘আমার হাত-পা ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকা পড়েছিল। আমার পুত্রবধূ আমাকে সেখান থেকে টেনে তোলার বহু চেষ্টা চালিয়েছিল।’
নেপালে ভূমিকম্পের পর যাদেরকে উদ্ধার করা হয়েছে বয়সের দিক থেকে দেখলে তাদের মধ্যে তামাং সবচেয়ে প্রবীণ। তার পরনে ভুটানের রাজা-রানীর ছবি সম্বলিত একটি সাদা টি শার্ট। এটি তাকে উপহার দিয়েছে ভুটানের মেডিকেল ক্যাম্পের চিকিৎসকরা। ভূমিকম্পের পর তামাংয়ের পরিবার তাকে উদ্ধারের জন্য আট দিন ধরে বসে ছিল। যদিও তাদের সবচেয়ে কাছের হাসপাতালটি বাড়ি থেকে মাত্র ২৮ কিলোমিটার দূরে। স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে তিনি বলেন,‘গত এক সপ্তাহ ধরে আামি ধ্বংসস্তূপের মধ্যে পড়ে ছিলাম। খুব একটা খারাপ ছিলাম না। আমার ছেলের বৌ তিন বেলাই হাতে তুলে খাবার খাইয়ে দিত।’
পরে এক নিকটাত্মীয়ের সহযোগিতায় উদ্ধারকর্মীরা তাকে এই হাসপাতালে নিয়ে এসেছেন। তিনি এখন ভালোই আছেন। এ সম্পর্কে প্রচুর জীবনী শক্তির অধিকারী তামাং বলেন,‘আমার বেঁচে থাকা না থাকায় কিছুই যায় আসে না। আমি তো অনেক দিন বাঁচলাম।’
গত ২৫ এপ্রিলের ভূমিকম্পে তার গ্রামের সাত জন নিহত হয়েছেন।