ঢাকাTuesday , 28 April 2015
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

সিরামিক শিল্পে প্রধান বাধা পাইরেসি

Link Copied!

siramicনিজস্ব প্রতিবেদক : দেশি সিরামিক পণ্যের মান ভালো হলেও পাইরেসির মাধ্যমে আসা ও নিম্নমানের চায়না পণ্যের কারণে সামর্থ থাকার পরও বাধাগ্রস্ত হচ্ছে দেশীয় সিরামিক শিল্প।
গতকাল সোমবার বিকেলে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সম্মেলন কক্ষে প্রাক-বাজেট আলোচনায় সিরামিক শিল্পের অন্যতম সংগঠন বাংলাদেশ সিরামিক ওয়্যারস ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিসিডব্লিউএমএ) পক্ষ থেকে এ কথা জানানো হয়। সেই সঙ্গে এই দেশীয় শিল্প রক্ষায় কাঁচামাল আমদানি শুল্কমুক্ত করা ও বিদেশি সিরামিকসে শুল্ক হার বাড়ানোর দাবিও জানায় সংগঠনটি।
আলোচনায় বিসিডব্লিউএমএ-এর পক্ষে বাজেট প্রস্তাবনা পেশ করেন সংগঠনের সভাপতি সংসদ সদস্য সিরাজুল ইসলাম মোল্লা।
সিরাজুল ইসলাম মোল্লা বলেন, ‘দেশীয় সিরামিক শিল্প বর্তমানে স্বনির্ভরশীল একটি শিল্পে রূপ নিয়েছে। ৫ হাজার কোটি টাকার বেশি বিনিয়োগে বর্তমানে ৫০টির বেশি কারখানা রয়েছে। দেশের চাহিদা মিটিয়ে গত ১০ বছর ১৪০ শতাংশ প্রবৃদ্ধিসহ রপ্তানিতে বর্তমানে ৪০০ কোটি টাকা আয় করছে এ শিল্প। তবে চীন থেকে আসা পাইরেসি ও নিম্মমানের সিরামিক আমাদের বাজার নষ্ট করছে। এমতাবস্থায় পাইরেসি বন্ধ ও নিম্মমানের সিরামিক আমদানিতে শুল্ক না বাড়ালে দেশিয় শিল্প বাধাগ্রস্ত হবে।
তিনি বলেন, ‘সিরামিক শিল্পের কাঁচামাল আমদানিতে বর্তমানে ৫ থেকে ২৫ শতাংশ পর্যন্ত সম্পূরক শুল্ক ও এইচএস কোড জটিলতায় অনেক উপাদানে ৩৩ শতাংশ থেকে ৯০ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক দিতে হয়। এ বড় অংকের শুল্ক দিয়ে কাঁচামাল আমদানির পর তা উৎপাদন করে প্রযুক্তিতে সমৃদ্ধ দেশের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকা যাচ্ছে না।’
বিসিডব্লিউএমএ সাধারণ সম্পাদক ইরফান উদ্দিন বলেন, ‘বাংলাদেশের সিরামিক পণ্য বর্তমানে সারাবিশ্বে রপ্তানি হলেও চায়না নিম্মমানের পণ্য আমাদের বাজার দখল করে আছে। কাঁচামাল আমদানি ও প্রযুক্তিগত উন্নয়ন বেশি না হওয়ায় এক সেট পণ্য আমাদের ৩ হাজার টাকার বেশিতে বিক্রি করতে হয়। অন্যদিকে চীনের কিছু কোম্পানি ২ হাজার টাকার কমেও এসব পণ্য দিতে পারে। যদিও এগুলোর স্থায়ীত্ব কম ও স্বাস্থের জন্য ক্ষতিকর।’
তিনি আরো বলেন, ‘কিছু অসাধু ব্যবসায়ী আন্ডার ইনভয়েস করে পণ্যের মূল্য কম দেখিয়ে আমদানি করে তা কম দামে বাজারে বিক্রি করে। ফলে যারা কাঁচামাল আমদানি করে উৎপাদন করেন তাদের জন্য বিপদ হয়ে যায়। তাই দেশিয় সিরামিক শিল্পের উৎকর্ষতা রক্ষায় কাঁচামাল আমদানিতে শুল্ক প্রত্যাহার ও বিদেশি পণ্য আমদানিতে শুল্কহার বাড়াতে হবে। একই সঙ্গে পাইরেসি বন্ধ ও নিম্মমানের পণ্য আমদানি বন্ধে জোরালো পদক্ষেপ নিতে হবে।’
এনিবআরের শুল্কনীতির সদস্য ফরিদ উদ্দিন সভাপতির বক্তব্যে বলেন, ‘২০১৬ সাল থেকে পণ্য আমদানিতে সম্পূরক থাকবে না। সেক্ষেত্রে দেশিয় শিল্পকে মানসম্মত পণ্য উৎপাদন করে টিকে থাকতে হবে। আর পাইরেসি ও নিম্মমানের বিদেশি পণ্য প্রবেশে সবার সহযোগিতায় পদক্ষেপ নেয়া হবে।’
গতকালকের প্রাক-বাজেট আলোচনায় এনবিআরের বাজেট প্রণয়ন কমিটি, অন্যান্য বিভাগের সদস্য, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, শিল্প মন্ত্রণালয় ও ট্যারিফ কমিশনের প্রতিনিধিরাসহ বিসিডব্লিউএমএ-এর নেতারা উপস্থিত ছিলেন।