ঢাকাTuesday , 28 April 2015
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

সিটি নির্বাচন নিয়ে উৎসুক জাতিসংঘ-ইইউ

Link Copied!

un-logoআন্তর্জাতিক ডেস্ক : বাংলাদেশে ঢাকা ও চট্টগ্রামের সিটি নির্বাচন নিয়ে জাতিসংঘ এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের ব্যাপক আগ্রহ লক্ষ্য করা যাচ্ছে। তারা এ নির্বাচনের দিকে ঘনিষ্ঠ নজর রাখছে বলেও জানিয়েছে বিবিসি।
বাংলাদেশে ঢাকা ও চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মঙ্গলবার সকাল থেকে ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে-চলবে বিকেল ৪টা পর্যন্ত। এ নির্বাচন ‘স্বচ্ছ, বিশ্বাসযোগ্য ও শান্তিপূর্ণ হবে বলে সোমবার আশাবাদ ব্যক্ত করেছে জাতিসংঘ এবং ইইউ।
বাংলাদেশে স্থানীয় সরকার নির্বাচন  নিয়ে এর আগে আন্তর্জাতিক মহলে  এতটা আগ্রহ দেখা যায়নি। বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটের কারণেই এ নির্বাচন এতটা গুরুত্ব পাচ্ছে বলে জানিয়েছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।
এ প্রসঙ্গে সাবেক রাষ্ট্রদূত হুমায়ুন কবির বিবিসি’কে জানিয়েছেন, নির্বাচনের মাধ্যমে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার ধারাবাহিকতা বাধাগ্রস্ত হওয়ায় সহিংসতার একটা প্রবণতা সাম্প্রতিককালে দেখা গেছে। সে কারণে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার একটা অংশ হিসেবে এ নির্বাচনকে গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে।
২০১৪ সালের ৫ই জানুয়ারির নির্বাচন বর্জনকারী বাংলাদেশের বৃহত্তম বিরোধীদল বিএনপি চলতি বছরের শুরু থেকেই নতুন নির্বাচনের দাবিতে অবরোধ আর হরতাল ডাকে।  বিরোধী দলের এ আন্দোলনকে কেন্দ্র করে সারা বাংলাদেশে কয়েকমাস জুড়ে ব্যাপক অচলাবস্থা এবং সহিংসতা  লক্ষ্য করা যায়। রাজনৈতিক অস্থিরতায় প্রাণ হারায় বহু মানুষ। তৈরি হয় গভীর রাজনৈতিক সংকট।
এর মধ্যে হঠাৎ করেই সিটি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ সরকার।  এরপরই পরিস্থিতি পাল্টে যেতে থাকে। টানা অবরোধ-হরতাল কর্মসুচি বন্ধ ঘোষনা করে গুলশান কার্যালয় থেকে বাড়ি ফিরে যান বিএনপি নেত্রী খালেদা জিয়া । দুর্নীতির মামলাতে তিনি জামিন পান এবং নয়াপল্টনে বিএনপির কার্যালয় খুলে দেয়া হয়। এইসব রাজনৈতিক ঘটনাপ্রবাহকে অনেকে সরকার ও বিএনপির মধ্যে এক ধরণের সমঝোতার ফলাফল হিসেবে মনে করে থাকেন। যদিও কোনো দলই এ কথা স্বীকার করেনি।এর পেছনে বিদেশী কূটনীতিকদের ভুমিকা ছিল বলেও মনে করেন অনেকে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষক তারেক শামসুর রেহমান বলেন, এই নির্বাচন দু পক্ষকেই রাজনৈতিকভাবে নমনীয় হবার সুযোগ করে দিয়েছে। তিনি বলেন, জাতীয় রাজনীতিতে এ নির্বাচন প্রভাব ফেলবে। কারণ এর মধ্যে দিয়ে বিএনপিকে সহিংস পরিস্থিতির অবসান ঘটিয়ে রাজনৈতিক প্রক্রিয়ায় যুক্ত হবার সুযোগ এনে দিয়েছে। সরকারও চাইছিল তাদের রাজনৈতিক মূলধারায় নিয়ে আসতে। তাই দু পক্ষের জন্যই এটা ছিল প্রয়োজনীয়।
রাষ্ট্রদূত হুমায়ুন কবির বলছেন, এখন যদি শান্তিপূর্ণভাবে এবং নির্ভয়ে ভোটাররা ভোট দিতে পারেন তাহলে যে আশংকা তৈরি হয়েছিল সেটা কেটে যাবে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, বাংলাদেশের রাজনীতির ভবিষ্যৎ গতিধারার জন্য এ নির্বাচন গুরুত্বপূর্ণ। সে কারণেই আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানগুলো এ ব্যাপারে আগ্রহী হয়ে ওঠেছে।