ঢাকাSunday , 26 April 2015
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

‘পুঁজিবাজার শক্তিশালী করতে সঞ্চয়পত্রের সুদ কমানো দরকার’

Link Copied!

State-of-the-bankনিজস্ব প্রতিবেদক : রোববার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে (ডিআরইউ) বোর্ড অব ইনভেস্টমেন্ট আয়োজিত ‌‘স্টেট অব দ্য ইকোনমি’ শীর্ষক সেমিনারের আয়োজন করা হয়।
পুঁজিবাজারকে শক্তিশালী করতে দ্রুত সঞ্চয়পত্রের সুদ হার কমানো দরকার বলে বলে মনে করেন বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান অর্থনীতিবিদ ড. বিরূপাক্ষ পাল।
সেমিনারে প্রধানমন্ত্রীর জ্বালানি বিষয়ক উপদেষ্টা ড. তৌফিক-ই-এলাহী চৌধুরী, বিনিয়োগ বোর্ডের নির্বাহী চেয়ারম্যান ড. এস এ সামাদ, বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (বিআইডিএস) সিনিয়র গবেষক ড. নাজনীন আহমেদ, ঢাকা ট্রান্সপোর্ট কো-অর্ডিনেশন অথোরিটির নির্বাহী পরিচালক মো. কায়কোবাদ হোসাইন, ঢাকা ম্যাস র‌্যাপিড ট্রানজিট ডেভেলপমেন্টের পরিচালক মোহাম্মদ নুরুল আমীন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
সেমিনারে ড. বিরূপাক্ষ পাল বলেন, বর্তমানে মানুষ সঞ্চয়পত্রের দিকে ঝুঁকছে। এতে পুঁজিবাজারে বিনিয়োগের পরিমাণ কমে যাচ্ছে। একইসাথে ব্যাংকে আমানতের পরিমাণও কমছে।
তিনি বলেন, দেশের পুঁজিবাজারকে শক্তিশালী করতে হলে দ্রুত সঞ্চয়পত্রের সুদ হার কমাতে হবে।
মুদ্রাস্ফীতিকে ব্লাড প্রেসারের সঙ্গে তুলনা করে বিরূপাক্ষ বলেন, ব্লাড প্রেসার হলে যেমনি মানুষ দিন দিন মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে ঠিক তেমনিভাবে মুদ্রাস্ফীতি হলেও দেশের অথনৈতিক কাঠামো ভেঙ্গে পড়ে। দেশের অর্থনীতিকে সমৃদ্ধ করতে হলে এখনই মুদ্রাস্ফীতির লাগাম টেনে ধরতে হবে।
ড. নাজনীন আহমেদ বলেন, সঞ্চয়পত্রে সুদ হার বেশি থাকায় মানুষ এখানে বেশি বেশি বিনিয়োগ করছে। অন্যদিকে পূঁজিবাজারে বিনিয়োগের পরিমাণ কমছে।
কর্পোরেট কর হার কমানোর পরামর্শ দিয়ে তিনি বলেন, দেশের ভালো কোম্পানিগুলো পুঁজিবাজারে আসছে না। কারণ কর্পোরেট পর্যায়ে তাদের অতিরিক্ত কর দিতে হয়। পুঁজিবাজারে বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফেরাতে সঞ্চয়পত্রে সুদের হার কমানোর পাশাপাশি কর্পোরেট পর্যায়েও কর হার কমাতে হবে।
সাম্প্রতিক রাজনৈতিক অস্থিরতায় বিশ্বে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি নষ্ট হয়েছে- একথা উল্লেখ করে নাজনীন আহমেদ বলেন, এছাড়া আন্তর্জাতিক পোশাক বাজারে বাংলাদেশ ইমেজ সংকটে পড়ছে। এসব সংকট কাটাতে হলে দেশে ব্যবসায়িক পরিবেশ বজায় রাখতে হবে। একইসাথে অবকাঠামো উন্নয়ন ও নিরাপত্তা জোরদার করতে হবে।
ভারত থেকে অবৈধ উপায়ে বাংলাদেশে চাল আমদানি করা হচ্ছে- এমন অভিযোগ করে তিনি বলেন, ভারত থেকে চাল আমদানি বন্ধ করে দেশের কৃষকদের উৎপাদিত চাল দিয়ে দেশের চাহিদা মেটানো উচিত। এতে একদিকে কৃষক ন্যায্য মূল্য পাবে; অন্যদিকে অবৈধ উপায়ে আমদানির প্রথাও কমে আসবে।
বর্তমানে দেশে বিনিয়োগ পরিবেশ বজায় রয়েছে- একথা উল্লেখ করে বিআইডএসের এই গবেষক বলেন, এই মুহূর্তে আন্তর্জাতিক বাজারে তেল, সার ও বিদ্যুতের দাম সহনীয় পর্যায় রয়েছে। অতএব বিনিয়োগের জন্য এখনই সবচেয়ে ভালো সময়।
ড. এস এ সামাদ বলেন, ভিয়েতনাম, মায়ানমার ও ইন্দোনেশিয়ার চেয়ে বাংলাদেশের বিনিয়োগ পরিবেশ ভালো। কিন্তু তারপরও বিদেশি বিনিয়োগ কম। বিনিয়োগ বাড়ানোর জন্য সবাইকে চেষ্টা করতে হবে।
এ সময় তিনি হুন্ডি, ব্লাক মার্কেটসহ বিভিন্ন অবৈধ লেনদেন রোধ করতে আরও পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতি আহ্বান জানান।