ঢাকাSunday , 26 April 2015
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

নেপালে নিহতের সংখ্যা ২২০০ ছাড়িয়েছে

Link Copied!

bumi-kompoআন্তর্জাতিক ডেস্ক : নেপালে  ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা বেড়েই চলেছে। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত এ  সংখ্যা ২ হাজার ২শ ছাড়িয়ে গেছে ।
দেশটিতে গত ৮০ বছরের মধ্যেই এটিই সবচেয়ে বড় ভূকম্পন।
শনিবার সকালে রাজধানী কাঠমান্ডু ও পোখারার মধ্যবর্তী লামজুং এলাকা ছিল ভুমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল। রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ছিল ৭ দশমিক ৯। এই দুর্যোগে অনেক দেশ এবং বহু আন্তর্জাতিক দাতব্য প্রতিষ্ঠান নেপালকে সহায়তার প্রস্তাব দিয়েছে বলে জানা গেছে।
রোববার নেপালের সরকারি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন নিহতের সংখ্যা ২ হাজার ২শ ছাড়িয়ে গেছে। আহত হয়েছে ৫ হাজারের বেশি মানুষ।
সুন্দর শাহ নামের এক নেপালি নাগরিক জানিয়েছেন,‘শনিবার রাতে এবং রোববার সকালে কমপক্ষে আরো তিনটি বড় ভূমিকম্প হয়েছে। আমরা কীভাবে বাঁচবো বলেন? ভূমিকম্প তো শেষই হচ্ছে না। আমরা সবাই আতঙ্কে আছি। রাতে ঘুমাতে পর্যন্ত পারি নাই। বার বার জেগে ওঠেছি এবং বেঁচে আছি দেখে নিজেকে ভাগ্যবান মনে করছি।’
এর আগে নেপালের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে সংবাদ সংস্থা বিবিসি জানিয়েছিল, ভূমিকম্পে ১৮শ ৫ জন নিহত এবং আরো ৪ হাজার ৭শ ১৮ জন আহত হয়েছে। তবে নেপালের সরকার আশংকা করছে, এই সংখ্যা তিনগুণ বাড়তে পারে। কেননা এখনো বহু মানুষ নিখোঁজ রয়েছে এবং ধ্বংসস্তুপের নিচে আটক রয়েছে অনেকে।
গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে আরো অনেককে। আহতের সংখ্যা এত বেশি যে হাসপাতালগুলোতে জায়গা হচ্ছে না। অনেককেই খোলা আকাশের নিচে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। ঘরবাড়ি ভেঙে যাওয়ায়  খোলা রাস্তায় রাত কাটাতে দেখা যায় বহু মানুষকে। কাঠমান্ডু, ভক্তপুর, গোরখা, লামজুং ইত্যাদি ঘনবসতিপূর্ণ জায়গাগুলোয় ব্যাপক প্রাণহানি ও ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
রাজধানী কাঠমান্ডুর ঐতিহ্যবাহী ধারাহারা টাওয়ার সহ বহু ভবন এবং অনেকগুলো প্রাচীন মন্দির ধ্বংস হয়ে গেছে। রাজধানীর ত্রিভূবন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় বিমান ওঠানামা বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। হিমালয়ের এভারেস্ট শৃঙ্গ এলাকায় ভৃমিকম্পের কারণে হিমবাহে অন্তত আটজন নিহত হয়েছেন। এদের মধ্যে বিদেশী পর্যটক আর শেরপারাও রয়েছেন। হিমালয় অভিযানে যাওয়া পর্বতারোহীদের একটি ‘বেস ক্যাম্পের’ একাংশ বরফের ধসে চাপা পড়েছে। ভূমিকম্পের কারণে মাকালু পর্বত থেকে বড় বড় পাথর এবং বরফের টুকরো নেমে আসছে।
নেপাল ছাড়াও সমগ্র উত্তর ভারত, চীনের তিব্বত অঞ্চল, পাকিস্তান ও বাংলাদেশ জুড়ে এই ভূকম্পন অনুভুত হয়।ভুমিকম্পে ভারতের নানা স্থানে অন্তত ৪০ জন এবং বাংলাদেশে অন্তত ২ জন নিহত হবার খবর পাওয়া গেছে। তিব্বতে নিহত হয়েছে ৬ জন।
ভুমিকম্পের পর নেপালকে সাহায্যের প্রস্তাব দিয়েছে বাংলাদেশসহ অনেক দেশ। এর মধ্যেই ওষুধ, উদ্ধারকর্মী ও চিকিৎসা সামগ্রী নিয়ে ভারতের কয়েকটি বিমান নেপাল পৌঁছেছে। বাংলাদেশ থেকে উদ্ধারকর্মীদের সেখানে যাবার কথা রয়েছে।