ঢাকাSaturday , 25 April 2015
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

দু’লাইনে পাকবাহিনীর মেশিনগানে ঝাঁঝরা হন তারা

Link Copied!

minarসিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি : সলঙ্গা গণহত্যা দিবস আজ ২৫ এপ্রিল শনিবার। ১৯৭১ সালের এই দিনে সলঙ্গা থানার চড়িয়া মধ্যপাড়া গ্রামে নির্মম গণহত্যা চালায় পাকবাহিনী।
সিরাজগঞ্জ জেলার সর্ববৃহৎ এ গণহত্যায় প্রায় ২শ’ জন শহীদের আত্মদানের মধ্যদিয়েই রচিত হয় একটি শোকাবহ কালো দিবস। এই দিনে দু’লাইনে সারিবদ্ধ ভাবে দাঁড় করিয়ে মেশিনগানে ঝাঁঝরা করা হয় তাদের।
তথ্য অনুসন্ধানে জানা যায়, ১৯৭১ সালের ২০ এপ্রিল পাবনা জেলার কাশিনাথপুর ডাব বাগানে হানাদার পাকিস্তানী ও মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মুখ যুদ্ধ হয়। এই যুদ্ধে নিহত হন অর্ধশতাধিক পাক হানাদার। এ ঘটনার প্রতিশোধ নিতে পাকহানাদার বাহিনী ২৫ এপ্রিল রোববার সৈয়দপুর ক্যান্টনমেন্ট হতে পাবনার কাশিনাথপুরের উদ্দেশ্যে যাত্রা করে।
পথিমধ্যে বগুড়া-নগরবাড়ী মহাসড়কের হাটিকুমরুল গোলচত্বরের অনতিদূরে চড়িয়ায় রাস্তায় ব্যারিকেডের সম্মুখীন হয়ে যাত্রা বিরতি করে পাক হানাদাররা।
তারা সন্ধান পায় চড়িয়া শিকারের পূর্বদক্ষিণ পাশে অন্য একটি কাশিনাথপুর গ্রামের। এই গ্রামকেই পাবনা জেলার কাশিনাথপুর মনে করে পাকবাহিনী খুঁজতে থাকে মুক্তিযোদ্ধাদের ঘাঁটি।
তাদের এদেশীয় দোসর, রাজাকার ও আলবদরদের সহযোগিতায় পাকবাহিনী সন্ধান পায় চড়িয়া মধ্যপাড়ায় ডা. শাজাহান আলী, ইয়াকুব আলী ও মোহাম্মদ আলীসহ অন্যদের প্রচেষ্টায় গড়ে ওঠা মুক্তিযোদ্ধা প্রশিক্ষণ ঘাঁটির। আর এই ঘাঁটি তছনছ করে দিতে শুরু হয় পাকবাহিনীর নির্মম গণহত্যা।
ওইদিন বিকেলে পাকিস্থানি সেনারা চড়িয়া শিকারসহ আশপাশের ৩/৪টি গ্রামের প্রায় দুই শতাধিক মুক্তি পাগল মানুষকে আটকের পর দু’লাইনে সারিবদ্ধ করে মেশিনগানের গুলিতে ঝাঁঝরা করে হত্যা করা হয়। পরবর্তীতে এদের মধ্যে ৬৩ জনের পরিচয় পাওয়া যায়।
যথাযোগ্য মর্যাদায় দিবসটি পালন উপলক্ষে ২ দিনব্যাপী নানা কর্মসূচি হাতে নিয়েছে চড়িয়া জনকল্যাণ সমিতি। কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে কোরআন খানি, মিলাদ মাহফিল, কাঙ্গালীভোজ ও আলোচনা সভা।
চড়িয়া জনকল্যাণ সমিতির সাধারণ সম্পাদক ও দিবস উদযাপন কমিটির পরিচালক আব্দুস সালাম জানান, এই বীর শহীদদের স্মৃতি ধরে রাখতে প্রতিবছরই স্থানীয়ভাবে দিবসটি পালন করা হয়। এবারও দিবসটি উপলক্ষে নানা আয়োজন করা হয়েছে।