আন্তর্জাতিক ডেস্ক : চীনে বেসরকারী সেবা সংস্থাগুলোর কার্যক্রম পরিচালনা করার বৈধতা দিয়ে একটি খসড়া নীতিমালা প্রণয়ন করা হয়েছে।
ইতোপূর্বে চীনা প্রশাসন বেসরকারী সংস্থাগুলোর কার্যক্রম পরিচালনায় পরিমিতি ও অবরোধ আরোপে একাধিক উদ্যোগ নেয়া হয়েছিল। সর্বশেষ নীতিমালা প্রণীত হওয়ার পর তা অনেকটাই শিথিল হয়ে এলো।
চীনের ক্ষমতাসীন সমাজতান্ত্রিক প্রশাসন বৈদেশিক সেবাসংস্থাগুলোকে সন্দেহের চোখে দেখে থাকে। মানবাধিকার কর্মীরা রাষ্ট্রপ্রধান শি জিনপিং-এর অনুমোদন সাপেক্ষে গৃহীত এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন।
ন্যাশনাল পিপলস কংগ্রেসের অন্তর্জালিক পাতায় উল্লেখ করা হয়েছে, একাধিক মহলের কাছ থেকে যথেষ্ট নিশ্চয়তা লাভ করার পর এ খসড়া নীতিমালা প্রণয়নে উদ্যোগী হয়েছে চীন।
চীনে কার্যরত বেসরকারী সংস্থাগুলোর ওপর যে অভিযোগ সর্বাগ্রে স্থান পেয়েছিল ইতোপূর্বে, তা হলো, সংস্থাগুলো তাদের কার্যক্রমের মাধ্যমে চীনের সহস্রাব্দ প্রাচীন অনেক ঐতিহ্যকে আঘাত করা হচ্ছে। এছাড়া এদের অনেকের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছিল চীনের সমাজতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থার প্রতি নাগরিকদের বীতশ্রদ্ধ করে তোলার।
শুক্রবার চীনা গণমাধ্যমগুলোয় প্রকাশিত সংবাদ থেকে জানা যায়, এ খসড়া নীতিমালা চূড়ান্ত হতে আরও কিছু ধাপ বাকি আছে। এখন মূল নির্বাহী সংস্থার পূর্ণ অনুমোদন আসেনি।
জানা যায়, গত বছরের জুন মাস থেকে চীনে কার্যরত বিদেশি বেসরকারী সেবাসংস্থাগুলোকে কঠোর নজরদারির আওতায় আনা হয়।
দেশটিতে এ মুহূর্তে অন্তত ৬০০০ বিদেশি সেবাসংস্থা অবস্থান করছে।

