আন্তর্জাতিক ডেস্ক : ভারতে উত্তর প্রদেশের মথুরা জেলায় গণধর্ষণের পর নিজের গায়ে আগুন দিয়েছে ১৪ বছরের এক কিশোরী। গত রোববার নিজ গ্রামের পাঁচ ব্যক্তির হাতে ধর্ষিতা হয়েছিল মেয়েটি। এ ঘটনার জের ধরেই ক্ষোভে দু:খে মঙ্গলবার আত্মহত্যার চেষ্টা চালায় মেয়েটি।
বুধবার এনডিটিভি’তে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ১৪ বছর বয়সী ওই কিশোরীর বাড়ি মথুরার কোসি কালান শহর সংলগ্ন এক গ্রামে। রোববার রাতে প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিতে গেলে গ্রামের পাঁচ ব্যক্তি মিলে মেয়েটির ওপর যৌন নির্যাতন চালায়। কিন্তু তার পরিবার ধর্ষনকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার বদলে ঘটনাটি গোপন করার চেষ্টা করেছিল। কিন্তু এই অপমান সহ্য করতে পারেনি ওই কিশোরী। তাই মঙ্গলবার কেরোসিন ঢেলে নিজের শরীরে আগুন ধরিয়ে দেয়।
বর্তমানে ওই কিশোরী দিল্লির সফদার জং হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, তার শরীরের ৭০ ভাগই পুড়ে গেছে।
ঘটনা সম্পর্কে তার এক ভাই জানিয়েছেন, মঙ্গলবার রাতে তিনি ঘুমিয়ে ছিলেন। হঠাৎ ঘুম ভেঙে গেলে তিনি তার বোনকে অগ্নিদগ্ধ অবস্থায় দেখতে পায়। আগুন নেভানোর জন্য সঙ্গে সঙ্গেই তিনি তার বোনের গায়ে পানি ঢালতে শুরু করেন। ওই ঘটনার পর ধর্ষণের সঙ্গে জড়িত থাকার সন্দেহে পাঁচ ব্যক্তিকে আটক করেছে পুলিশ ।

