আন্তর্জাতিক ডেস্ক: অস্ট্রেলিয়া সম্প্রতি নিজ দেশে নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করেছে এবং নৌ ও বিমানবন্দরগুলো কড়া পাহারা বসিয়েছে। ইসলামিক স্টেট-পুষ্ট সহিংসতা-প্রকল্পগুলো ঠেকিয়ে দিতে এ সিদ্ধান্ত পরিপালন করে আসছে দেশটি। সর্বশেষ ইরান বাড়িয়ে দিয়েছে সহযোগিতার হাত।
অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী জুলি বিশপ সম্প্রতি ইরানের রাষ্ট্রপ্রধান হাসান রুহানির সঙ্গে সাক্ষাত করেন। সাংবাদিকদের কাছে জুলি বলেন, দুই দেশ একসঙ্গে কাজ করলে ইসলামিক স্টেটের বিরুদ্ধে কার্যকর ভূমিকা গ্রহণ করা সম্ভব হবে। অস্ট্রেলিয়া ইতোমধ্যে ইরাক থেকে সংগৃহীত ইরানের তথ্য পাওয়ার অধিকারভুক্ত হয়েছে।
অস্ট্রেলীয় এক জরিপ থেকে জানা যায়, দেশটির প্রায় ১০০ নাগরিক ইসলামিক স্টেটের হয়ে যুদ্ধ করতে ইরাক ও সিরিয়া পাড়ি জমিয়েছে। তারা দেশীয় সমমনাদের সঙ্গে যোগাযোগ করে দেশের নিরাপত্তায় বিঘ্ন ঘটাতে মন্ত্রণা দিচ্ছে। দেশের মানুষ শঙ্কিত বোধ করছেন।
সর্বশেষ প্রথম বিশ্বযুদ্ধের এক স্মরণসভায় সহিংসতা ঘটাতে প্রস্তুত পাঁচ তরুণকে গ্রেপ্তার করেছে অস্ট্রেলীয় পুলিশ।
গেত বছরের ডিসেম্বর মাসে মান হারুন মনিস নামের এক ইরানী শরণার্থী অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে এক ক্যাফের ১৮ জনকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে রেখেছিলেন। এ বিষয়টিকে ঘিরে ইরানের সঙ্গে তথ্য আদান প্রদানের ব্যাপারে অস্ট্রেলিয়া তাড়না অনুভব করতে শুরু করে।

