ঢাকাMonday , 20 April 2015
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

‘রাজাকার দারগা’র রায় যে কোনো দিন

Link Copied!

tribunalনিজস্ব প্রতিবেদক: একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কিশোরগঞ্জের তাড়াইল উপজেলার পলাতক সৈয়দ মো. হাসান আলী ওরফে হাছেন আলীর মামলাটি যে কোনো দিন রায়ের জন্য অপেক্ষমাণ (সিএভি) রাখা হয়েছে।
সোমবার আসামির পক্ষে-বিপক্ষে আইনি যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিমের নেতৃত্বে তিন সদস্যের ট্রাইব্যুনাল মামলাটি রায়ের জন্য অপেক্ষমাণ রাখার আদেশ দেন।
এর আগে আসামির বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের ওপর আইনি যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করেন প্রসিকিউটর মোহাম্মাদ আলী এবং তাকে সাহায্য করেন প্রসিকিউটর আবুল কালাম আযাদ।
অপরদিকে আসামিপক্ষে উপস্থিত থেকে আইনি যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে অংশ নেন রাষ্ট্র নিযুক্ত আইনজীবী আব্দুস শুকুর খান।
পরে উভয়পক্ষের যুক্তি উপস্থাপন শেষে মামলার যে কোনো দিন রায়ের জন্য অপেক্ষমাণ রাখা হয়।
উল্লেখ্য, গত ১৫ সেপ্টেম্বর হাসান আলীর অনুপস্থিতিতে মামলার বিচারিক কার্যক্রম শুরুর নির্দেশ দেন ট্রাইব্যুনাল। একই সঙ্গে তার পক্ষে কোনো আইনজীবী না থাকায় আব্দুস শুকুর খানকে রাষ্ট্রীয়ভাবে নিয়োগ দেয়া হয়।
গত ২৪ আগস্ট হাসান আলীর বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ (ফরমাল চার্জ) আমলে নিয়ে পলাতক এ রাজাকার কমান্ডারকে হাজির হওয়ার নির্দেশ দিয়ে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি দেয়ার আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল। পরে তাকে হাজির হতে পত্রিকায় বিজ্ঞাপনও দেয় প্রসিকিউশন।
পলাতক হাসান আলীর বিরুদ্ধে মুক্তিযুদ্ধের সময় হত্যা, গণহত্যা, অগ্নিসংযোগ, লুট, আটক ও নির্যাতনের ৬টি অভিযোগ আনা হয়। এতে ২৪ জনকে হত্যা, ১২ জনকে অপহরণ ও আটক এবং ১২৫টি ঘরে লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের অভিযোগ রয়েছে।
মুক্তিযুদ্ধের সময় কিশোরগঞ্জের তাড়াইল থানার রাজাকার কমান্ডার ছিলেন হাসান আলী। সে সময় তিনি তাড়াইল থানা এলাকায় ‘রাজাকারের দারোগা’ নামে পরিচিত ছিলেন। তবে তিনি বর্তমানে কিশোরগঞ্জের তাড়াইলে না থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মাছিহাতা গ্রামে বসবাস করছেন বলে জানা যায়।
তবে তদন্তের স্বার্থে আনা এক আবেদনের প্রেক্ষিতে তার বিরুদ্ধে গত ৩ এপ্রিল গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হলেও এখনো তাকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি।