ঢাকাThursday , 16 April 2015
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

বিএসএফের নির্যাতনে ২ বাংলাদেশির মৃত্যু

Link Copied!

BSFচাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি: জেলার শিবগঞ্জ সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের নির্যাতনে ২ বাংলাদেশির মৃত্যু ও ২ জন গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। কিন্তু তাদের নির্যাতনে মৃত্যুর দায় অস্বীকার করেছে বিএসএফ।
নিহতরা হলেন-শিবগঞ্জ উপজেলার মনাকষা ইউনিয়নের তারাপুর ঠুঠাপাড়া গ্রামের মৃত সাহেব আলীর ছেলে হাকিম (৩৫) ও একই ইউনিয়নের খড়িয়াল গ্রামের গোলাপ হোসেনের ছেলে শরিফ (২৫)।
গুলিবিদ্ধরা হলেন-নারায়ণপুর ইউনিয়নের দেবীপুর গ্রামের মৃত মনতাজ হোসেনের ছেলে খাইরুল ইসলাম (৪০) ও একই ইউনিয়নের সূর্যনারায়ণপুর গ্রামের আলতাফ হোসেনের ছেলে কুতুবুর রহমান (২৫)।
হাকিমের মৃতদেহ বৃহস্পতিবার ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে।
৯ বিজিবির অধিনায়ক লে. কর্নেল আবু জাফর সেখ মো. বজলুল হক জানান, মঙ্গলবার রাতে শিবগঞ্জ উপজেলার ফতেপুর সীমান্ত দিয়ে শরিফ ও হাকিমসহ প্রায় ৮/১০ জন ভারত থেকে গরু আনতে যায়। এ সময় পশ্চিমবঙ্গ মালদহ জেলার ভারতীয় সীমান্ত রক্ষীবাহিনী ২০ বিএসএফের চাঁদনীচক ক্যাম্পের সদস্যরা কয়েক রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছোড়ে। এক পর্যায়ে বিএসএফ সদস্যরা তাদেরসহ কয়েকজনকে ধরে অমানবিক নির্যাতন চালায়। এরপর হাকিম ও শরীফকে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে ফতেপুর সীমান্ত এলাকায় ফেলে চলে যায়।
স্থানীয়রা হাকিমের লাশ উদ্ধার করে শরিফকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে। বুধবার সন্ধ্যায় তিনি মারা যান। এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার খড়িয়াল গ্রামে তার বাবা গোলাপ হোসেনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি তার ছেলের মৃত্যুর ব্যাপারে সাংবাদিকদের সঙ্গে কোনো কথা বলতে অনীহা প্রকাশ করেন।
এদিকে, ফতেপুর সীমান্ত এলাকা থেকে হাকিমের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য চাঁপাইনবাগঞ্জ সদর হাসপতালের মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। তার নাক, চোখ, মাথায় ও পায়ের নিচে আঘাতের চিহ্ন ছিল বলে জানান শিবগঞ্জ থানার ওসি এমএম ময়নুল ইসলাম।
এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার ফতেপুর সীমান্তের মেইন পিলার ১০/এফ এলাকায় প্রায় ঘণ্টাব্যাপী বিজিবি-বিএসএফের মধ্যে পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে তাদের নির্যাতনে ওই দুই বাংলাদেশি মৃত্যুর ঘটনা অস্বীকার করেছে বিএসএফ।
অন্যদিকে, জহুরপুরটেক সীমান্তে খাইরুল ইসলাম ও কুতুবুর রহমানের (২৫) গুলিবিদ্ধ হওয়ার বিষয়ে জানানো হলে বিষয়টি তদন্ত করে পরে জানানো হবে বলে বিএসএফ জানায়।
৯ বিজিবির অপস অফিসার মেজর মিন্নাত আলীর নেতৃত্বে বিজিবির ও ২০ বিএসএফের চাঁদনীচক বিওপির সহকারী কমিশনার প্রদীপ কুমারের নেতৃত্বে ১২ সদস্যদের উপস্থিত ছিলেন।