ঢাকাFriday , 30 October 2026
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

ইউরোপের সঙ্গে যুদ্ধে প্রস্তুত রাশিয়া, তবে আমরা যুদ্ধ চাই না: পুতিন

Link Copied!

ইউরোপের দেশগুলোর সঙ্গে সরাসরি সংঘাতে জড়ানোর কোনো ইচ্ছে রাশিয়ার নেই বলে স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। নরওয়ে ও ফিনল্যান্ডের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে টেলিফোনে আলাপের পর তিনি এই অবস্থানের কথা পুনর্ব্যক্ত করেন। তবে ইউরোপীয় ভূখণ্ডে কোনো ধরনের আগ্রাসন বা যুদ্ধ শুরু হলে তার কঠোর জবাব দিতে মস্কো সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে বলেও সতর্ক করেছেন তিনি। সাম্প্রতিক সময়ে পশ্চিমা বিশ্বের পক্ষ থেকে রাশিয়ার সঙ্গে সম্ভাব্য সংঘাতের যে প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে, তার জবাবে এই মন্তব্য করেন রুশ এই নেতা।

এর আগে ব্রিটিশ গণমাধ্যম টেলিগ্রাফকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে পুতিন একই ধরনের মনোভাব প্রকাশ করে জানিয়েছিলেন যে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে লড়াই করার কোনো পরিকল্পনা তাঁদের নেই। তবে ইউরোপের কোনো দেশ যদি নিজ থেকে রাশিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধ চাপিয়ে দেয়, তবে তাৎক্ষণিকভাবে তার পাল্টা জবাব দিতে ক্রেমলিন প্রস্তুত রয়েছে। রুশ নেতার মতে, রাশিয়া ও ইউরোপের মধ্যে সর্বাত্মক যুদ্ধ শুরু হলে তা উভয় পক্ষের জন্যই মারাত্মক পরিণতি ডেকে আনবে এবং এই যুদ্ধে কোনো পক্ষই জয়ী হতে পারবে না। তিনি ইউরোপীয় নেতাদের এই বিষয়টি সবসময় স্মরণে রাখার আহ্বান জানান।

কয়েকদিন আগে ফিনল্যান্ডের প্রেসিডেন্ট আলেক্সান্ডার স্টাব এবং নরওয়ের প্রধানমন্ত্রী ইয়োনাস গার স্তোরের সঙ্গে রুশ রাষ্ট্রপতির ফোনালাপ অনুষ্ঠিত হয়। ইউরোপীয় নেতাদের আমন্ত্রণে এই আলাপটি সম্পন্ন হয়েছে উল্লেখ করে পুতিন জানান যে এই আলোচনা দুই পক্ষের মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক স্বাভাবিক করার পথে একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ। ইউরোপের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক পুনরুদ্ধারের স্বার্থে যেসব উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, তার প্রতিও নিজের জোরালো সমর্থনের কথা জানান তিনি।

এদিকে পশ্চিমা দেশগুলোর সামরিক জোট ন্যাটোর কার্যক্রম নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে আসছে মস্কো। পুতিন বরাবরই ন্যাটোর পূর্বমুখী সম্প্রসারণকে বর্তমান ভূরাজনৈতিক সংকটের প্রধান কারণ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন এবং পূর্ব ইউরোপীয় দেশগুলো থেকে পশ্চিমা সামরিক উপস্থিতি কমানোর দাবি জানিয়ে আসছেন। এর পাশাপাশি, গোয়েন্দা প্রতিবেদনে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে যে ন্যাটোর সামরিক সক্ষমতা যাচাই করতে সীমান্তবর্তী দেশগুলোতে নানা ধরনের তৎপরতা চালাতে পারে রাশিয়া। তবে সব ধরনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে দেশের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সামরিক প্রস্তুতি অব্যাহত রেখেছে রুশ প্রশাসন।