ঢাকাSunday , 25 October 2026
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

মজুত করে চড়া দামে বিক্রির অভিযোগ, জব্দ ১৫০০ বস্তা সার

Link Copied!

জাতীয় ডেস্ক: চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলা সদরে অবৈধভাবে রাসায়নিক সার মজুত এবং তা বেশি দামে বিক্রির অভিযোগে একটি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে অভিযান চালিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন। সম্প্রতি দামুড়হুদা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার যৌথ নেতৃত্বে পরিচালিত এই অভিযানে প্রায় দেড় হাজার বস্তা সার জব্দ করা হয়। পরে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নির্দেশে ওই প্রতিষ্ঠানের দুটি গোডাউন সিলগালা করে দেওয়া হয়। স্থানীয় কৃষকদের স্বার্থ রক্ষা এবং সারের বাজারে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে এই আকস্মিক অভিযান পরিচালনা করা হয়।

অভিযান চলাকালে সেখানে উপস্থিত ছিলেন দামুড়হুদা উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি)। স্থানীয় কৃষকদের সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে এই ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানটির ওপর নজরদারি শুরু হয়েছিল। পরবর্তীতে সত্যতা নিশ্চিত হওয়ার পরই মূলত ভ্রাম্যমাণ দলটির এই পদক্ষেপ। জানা গেছে, অভিযুক্ত ব্যবসায়ী নাঈম হোসেন বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশনের (বিএডিসি) একজন ডিলার হিসেবে নিবন্ধিত রয়েছেন। তবে তিনি নিয়ম বহির্ভূতভাবে নির্ধারিত বরাদ্দের অতিরিক্ত সার বিভিন্ন উৎস থেকে সংগ্রহ করে নিজের গোডাউনে লুকিয়ে রেখেছিলেন।

প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর দাবি, অভিযুক্ত ব্যবসায়ী দীর্ঘদিন ধরে কৃত্রিম সংকট তৈরি করে অতিরিক্ত মুনাফা অর্জনের উদ্দেশ্যে এই অবৈধ কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছিলেন। এর আগেও বিভিন্ন সময়ে তার প্রতিষ্ঠানে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়েছে এবং আইন অমান্য করার দায়ে তাকে একাধিকবার আর্থিক দণ্ডও দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু প্রশাসনিক নজরদারি এড়িয়ে তিনি বারবার একই ধরনের অপরাধমূলক কার্যক্রম চালিয়ে আসছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

বিপুল পরিমাণ অবৈধ সার জব্দের পর অভিযুক্ত ব্যবসায়ী নাঈম হোসেনের বিরুদ্ধে দামুড়হুদা মডেল থানায় নিয়মিত মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলে জানিয়েছে প্রশাসন। উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে পরিষ্কার জানিয়ে দেওয়া হয়েছে যে, কৃষকদের দুর্ভোগ সৃষ্টি কিংবা বাজার অস্থিতিশীল করার মতো যেকোনো বেআইনি তৎপরতার বিরুদ্ধে অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে। অপরাধীর রাজনৈতিক বা সামাজিক পরিচয় যাই হোক না কেন, দেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।