ঢাকাWednesday , 15 April 2015
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

‘দাসত্বের চিহ্ণ’ মঙ্গলসূত্র খুলে ফেললেন তামিল নারীরা

Link Copied!

internationalআন্তর্জাতিক ডেস্ক : বিয়ের ৮ বছর পর গলা থেকে মঙ্গলসূত্র খুলে ফেললেন ২৭ বছরের সঙ্গীতা। তিনি একা নন। মঙ্গলবার  ভারতের তামিলনাড়ু রাজ্যের ২১ নারী এক অনুষ্টানের মাধ্যমে বৈবাহিকিএ চিহ্ণটি পরিত্যাগ করেন। এর অল্প সময় পরেই ওই অনুষ্ঠানকে বেআইনি ঘোষণা করেছে আদালত।
এ সম্পর্কে সঙ্গীতার প্রশ্ন,‘বিবাহিত পুরুষেরা তো মঙ্গলসূত্র পড়ে না। তাহলে আমরা নারীরা কেন দাসত্বের এ চিহ্ণটি বয়ে বেড়াব?’ এ বিষয়ে তার আরো যুক্তি হল,‘ আমি আর আমার স্বামী যদি সুখে থাকি  এবং নিজেদের প্রতি বিশ্বস্ত থাকি তাহলেই যথেষ্ট। কোনো মঙ্গলসূত্রের দরকার নেই।’
তামিলনাডুর রাজধানী চেন্নাই শহরে মঙ্গলবার সকালে  অভিনব এই প্রতিবাদের আয়োজন করেছিল ‘দ্রাবিদার কাজাঘম’ নামে একটি সংগঠন।  যুক্তিবাদী নেতা পেরিয়ারের আদর্শ প্রচার করাই তাদের উদ্দেশ্য। তাদের পরিকল্পনা ছিল  অনুষ্ঠানের শুরুতে গোমাংস ভোজের আয়োজন করা। পরে ১৭০টি দম্পতির উপস্থিতিতে স্ত্রীদের  তাদের মঙ্গলসূত্র খুলে ফেলার কথা ছিল। কিন্তু রাজ্যের বেশ কয়েকটি হিন্দু গোষ্ঠী এই অনুষ্ঠান আয়োজনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানায়। এই অনুষ্ঠান হতে দিলে সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা ছড়াতে পারে, এই যুক্তিতে স্থানীয় পুলিশও অনুষ্ঠানের অনুমতি বাতিল করে দেয়। পরে ওই অনষ্ঠানে কেবল ২১ নারী মঙ্গলসূত্র খুলতে সফল হয়েছেন।
ওই ২১ জনের  অন্যতম হচ্ছেন স্কুলশিক্ষিকা সঙ্গীতা। তার স্বামীর উপস্থিতিতেই তিনি নিজের গলা থেকে মঙ্গলসূত্র খুলে নেন। গত কয়েক বছর ধরেই তিনি পেরিয়ারের দৃষ্টিভঙ্গী সম্পর্কে বিভিন্ন বই পড়েছেন। তিনি নারীদের মঙ্গলসূত্র পরিধানকে দাসত্বের প্রতীক হিসেবে মনে করে থাকেন।
প্রসঙ্গত, ‘দ্রাবিদার কাজাঘম’ গত ৮০ বছর ধরে এই মঙ্গলসূত্র পরিত্যাগের রীতিটি পালন করে আসছে। তবে এবার সম্প্রদায়িক উত্তেজনার অজুহাত তুলে তামিলনাড়ু সরকার এ বছর তাদের অনুষ্ঠানটি বাতিল ঘোষণা করেছিল।