চট্টগ্রামে জাল রেকর্ডপত্র তৈরি ও তা ব্যবহার করে প্রায় ২৩ কোটি ৬৮ লাখ টাকার সরকারি জমি আত্মসাতের অভিযোগে গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলীসহ ৮ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের অনুমোদন দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। রোববার (৪ অক্টোবর) দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা আকতারুল ইসলাম এ তথ্য জানান। দুদকের অনুসন্ধানে অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ার পর অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির বিভিন্ন ধারা এবং দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারায় মামলা দায়েরের সুপারিশ করা হয়েছে।
দুদকের অনুসন্ধান প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অভিযুক্তরা পরস্পর যোগসাজশে ক্ষমতার অপব্যবহার করে জাল-জালিয়াতি ও প্রতারণার মাধ্যমে সরকারি জমি ভোগদখলে রাখেন। একই সঙ্গে জাল রেকর্ডপত্র তৈরি করে সেগুলো আসল হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে।
অভিযোগটি চট্টগ্রামের আগ্রাবাদ বাণিজ্যিক এলাকার গোঁসাইলডাঙা মৌজায় অবস্থিত লিজ আউট প্ল্যানের ১৬ নম্বর প্লটের ২৪ দশমিক ৯৬ শতক জমিকে কেন্দ্র করে। ২০২৫ সালের মৌজা রেট অনুযায়ী জমিটির মূল্য ১৭ কোটি ১২ লাখ ৬৩ হাজার ১৪০ টাকা। এর সঙ্গে জমির ভাড়া বাবদ ৬ কোটি ৫৫ লাখ ৭৬ হাজার ৯৮ টাকা যোগ হয়ে মোট মূল্য দাঁড়িয়েছে ২৩ কোটি ৬৮ লাখ ৩৯ হাজার ২৩৮ টাকা। অনুসন্ধানে আরও উঠে এসেছে, নির্ধারিত ভাড়া পরিশোধ না করেই অভিযুক্তরা জমিটি ভোগদখলে রেখেছেন। এতে রাষ্ট্রের বিপুল আর্থিক ক্ষতি হয়েছে বলে জানিয়েছে দুদক। অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরসহ প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নিতে দুদকের চট্টগ্রাম-১ কার্যালয়কে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

