ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্পের আওতায় ধউর মোড় থেকে আশুলিয়া পর্যন্ত নির্মিত দুই লেনের পৃথক দুটি সার্ভিস সেতু যানবাহন চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়েছে। বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টায় ধউর এলাকায় আয়োজিত এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে সেতু দুটি উন্মুক্ত করা হয়। ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্পের আওতায় জনসাধারণের ব্যবহারের জন্য এটিই প্রথম কোনো অংশ উন্মুক্ত করা হলো। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। অনুষ্ঠানে প্রকল্প সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা, বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের প্রতিনিধিবৃন্দ, প্রকৌশলী এবং নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে চীনা প্রতিনিধি Qi Yue উপস্থিত ছিলেন বলে ব্যানারে উল্লেখ করা হয়েছে। প্রকল্প সূত্রে জানা গেছে, ধউর মোড় থেকে আশুলিয়া পর্যন্ত নির্মিত প্রতিটি সার্ভিস সেতুর দৈর্ঘ্য ৩ দশমিক ৭১ কিলোমিটার। একটি সেতু দিয়ে ধউর থেকে আশুলিয়ামুখী এবং অপরটি দিয়ে আশুলিয়া থেকে ধউরমুখী যানবাহন চলাচল করবে। মূল এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের নির্মাণকাজ চলমান থাকায় স্থানীয় যানবাহনের চলাচল নির্বিঘ্ন রাখতে পৃথকভাবে এই দুটি সার্ভিস সেতু নির্মাণ করা হয়েছে। সেতু দুটি চালুর ফলে উত্তরা, ধউর, তুরাগ ও আশুলিয়াসহ আশপাশের এলাকার যান চলাচল সহজ হবে এবং দীর্ঘদিনের যানজট ও ভোগান্তি কমবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা। প্রকল্প পরিচালক মো. শফিকুল ইসলাম জানিয়েছেন, সার্ভিস সেতু দুটি টোলমুক্ত থাকবে। সাধারণ যানবাহনের পাশাপাশি পথচারী, সাইকেল ও অটোরিকশাও এসব পথে চলাচল করতে পারবে। ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্পটি দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগ অবকাঠামো প্রকল্প। প্রকল্পটি সম্পূর্ণ বাস্তবায়িত হলে রাজধানীর সঙ্গে আশুলিয়া, সাভার, ইপিজেড এবং উত্তরাঞ্চলের যোগাযোগ ব্যবস্থা আরও সহজ ও গতিশীল হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

