আন্তর্জাতিক ডেস্ক: মালয়েশিয়ায় সেডিশন ল- সাদা কথায় রাষ্ট্রদ্রোহীতা আইন পরিণত হয়েছে মূলত বাকস্বাধীনতা রহিতকরণ আইনে, এমনটাই মনে করছেন দেশীয় ও আন্তর্জাতিক বোদ্ধামহল। এ আইনটিকে আরও কঠিন করে তুলছেন নাজিব রাজাক সরকার- অভিমত জাতিসংঘের।
এ আইনের অধীনে লেখক বা বক্তার বক্তেব্যের ‘ধর্মীয় ও সামাজিক উস্কানীমূলক’ অংশের জন্যে অনির্দিষ্টকালের জন্যে কারারুদ্ধ করে রাখা যাবে। সরকার এ আইন নিয়ে আশাবাদী। মনে করছেন, এর সুষ্ঠু প্রয়োগের মাধ্যমে প্রধানত ধর্মীয় কারণে সৃষ্ট বিশৃঙ্খলা রক্ষায় কার্যকরভাবে তৎপর হওয়া সম্ভব হবে।
শুক্রবার কার্যদিবসের প্রারম্ভে এ আইন চূড়ান্তভাবে পাস করা হয়। নতুন নিয়মানুসারে রাষ্ট্রদ্রোহীতা আইনের আওতায় কোনো ব্যক্তি শারীরিকভাবে আহত হলে, সম্পদ বিনষ্ট হলে, অভিযুক্তের পাঁচ বছর থেকে ২০ বছরের কারাদণ্ড হতে পারে। এছাড়া কোনো বক্তব্য বা লেখার জন্যে তিন বছর থেকে সাত বছরের কারাদণ্ড হতে পারে।
সাম্প্রতিক সময়ে দুই দিক থেকে উপর্যুপরি আঘাতের শিকার হচ্ছে মালয়েশীয় সরকার। দেশটির ঋদ্ধ সাংবাদিক ও লেখকমহল থেকে ক্রমাগত নীতিমালাবিরোধী লেখালেখি হচ্ছে। আনোয়ার ইব্রাহীমের মেয়ে নুরুল ইজ্জাহ আনোয়ার, কার্টুনিস্ট জুনার এবং মালয়েশিয়ান ইনসাইডারের তিন সম্পাদককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তারা বিচারাধীন রয়েছেন।
অপরদিকে মালয়েশিয়া অতি-ডানপন্থীদের উত্থানের সঙ্গে সঙ্গে বৃদ্ধি পাচ্ছে কথিত ইসলামপন্থী সশস্ত্র সন্ত্রাসীদলের তৎপরতা। সম্প্রতি ১৭ জন ‘জঙ্গিকে’ একই আইনের আওতায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

