নিজস্ব প্রতিবেদক: বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পূর্বের ন্যায় স্বয়ংক্রিয়ভাবে প্রজাতন্ত্রের সব কর্মকর্তা–কর্মচারির সঙ্গে একযোগে পে-স্কেল কার্যকর করার দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ শিক্ষক–কর্মচারী ঐক্য পরিষদ।
শুক্রবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে এক মানববন্ধনে তারা এ দাবি জানান।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, ‘দেশের প্রায় ২৬ হাজার এমপিওভুক্ত বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রায় ৫ লাখ শিক্ষক-কর্মচারী ১৯৯৭, ২০০৫ ও ২০০৯ সালে যথাক্রমে পঞ্চম, ষষ্ঠ ও সপ্তম বেতন কমিশনের সুপারিশ বাস্তবায়ন হওয়ার দিন থেকেই প্রজাতন্ত্রের সব কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে একই দিন থেকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে পে-স্কেল ভোগ করে আসছেন। এমনকি প্রচলিত ২০ ভাগ মহার্ঘ্য ভাতাও প্রজাতন্ত্রের সব কর্মকর্তা-কর্মচারির সঙ্গে একই দিনে একযোগে এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরাও ভোগ করছেন।
তারা বলেন, গত বছরের ২১ ডিসেম্বর অষ্টম বেতন কমিশনের দেয়া রিপোর্টে বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের ক্ষেত্রে এ স্কেল ৬ মাস পর কার্যকর করার সুপারিশ করা হয়েছে মর্মে বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় প্রতিবেদন দেখে আমরা শিক্ষক-কর্মচারীরা বিস্মিত ও হতাশ হয়েছি।
তারা আরো বলেন, রিপোর্ট দেয়ার দিন থেকেই শিক্ষক সমাজ এর প্রতিবাদ করে আসছে এবং বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পূর্বের ন্যায় স্বয়ংক্রিয়ভাবে প্রজাতন্ত্রের সব কর্মকর্তা-কর্মচারির সঙ্গে একযোগে পে–স্কেল কার্যকর করার দাবি জানিয়ে আসছে।
বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতির সভাপতি ও ঐক্য পরিষদের অন্যতম আহ্বায়ক মুহাম্মদ আবু বকর সিদ্দিকের সভাপতিত্বে এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন- বাংলাদেশ কলেজ–বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির (বাকবিশিস) সভাপতি ড. নূর মোহাম্মদ তালুকদার, বেসরকারি কারিগরী শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যক্ষ মো. শাহজাহান আলম সাজু, বিশ্ব শিক্ষক সমিতি ফেডারেশনের সভাপতি অধ্যক্ষ মাহফুজা খানম, ঐক্য পরিষদের সমন্বয়কারী মো. আবুল কাশেম, অধ্যক্ষ মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর, অধ্যক্ষ একেএম মোকসেদুর রহমান প্রমুখ।

