ঢাকাTuesday , 14 July 2026
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

মাগুরা যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরে অনিয়মের অভিযোগ, তদন্তের দাবি

Link Copied!

মাগুরা জেলা যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের উপপরিচালক (ডিডি) ও সহকারী পরিচালক (এডি)-এর বিরুদ্ধে সরকারি অর্থ আত্মসাৎ, অনিয়ম, ক্ষমতার অপব্যবহার এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীদের হয়রানির অভিযোগ উঠেছে। এসব অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় সচেতন মহল। অভিযোগে বলা হয়েছে, ভুয়া বিল-ভাউচার ও জাল স্বাক্ষরের মাধ্যমে বিভিন্ন খাতের সরকারি অর্থ আত্মসাৎ করা হচ্ছে। এছাড়া বিভিন্ন ট্রেডের প্রশিক্ষণ ভাতা ও প্রশিক্ষকদের প্রাপ্য বিল দীর্ঘদিন ধরে পরিশোধ করা হয়নি। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের জানানো হলে ডিডি ও এডির পক্ষ থেকে “সরকার টাকা ছাড় দিচ্ছে না” বলে জানানো হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, সহকারী পরিচালক ইলিয়াছুর রহমান অফিসের পিয়নদের দিয়ে সরকারি কাজের পরিবর্তে ব্যক্তিগত ও বাসার কাজ করিয়ে নিতেন। যারা এসবের প্রতিবাদ করেছেন, তাদের বদলির অভিযোগও উঠেছে। ভুক্তভোগীদের একজন হিসেবে ড্রাইভার নরেশের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। অভিযোগ অনুযায়ী, অবসরের মাত্র এক বছর বাকি থাকতেই প্রতিবাদের কারণে তাকে ফরিদপুরে বদলি করা হয়। একইভাবে শারীরিক প্রতিবন্ধী নৈশপ্রহরী রিপনকেও ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহার করা হতো। পরে তাকেও খুলনা এবং পরবর্তীতে ডেপুটেশনে ফরিদপুরে বদলি করা হয়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। অভিযোগে বলা হয়, ইলিয়াছুর রহমান ভারপ্রাপ্ত উপপরিচালক থাকাকালীন এসব অনিয়মের সূচনা হলেও বর্তমান উপপরিচালক মাহমুদা খানম দায়িত্ব গ্রহণের পর পরিস্থিতির কোনো পরিবর্তন হয়নি। বরং তারা একযোগে বিভিন্ন অনিয়মে জড়িয়ে পড়েছেন বলে অভিযোগকারীদের দাবি। এছাড়া অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, ২৪ মে ২০২৬ তারিখে মাহমুদা খানমের বদলির আদেশ জারি হলেও প্রায় দুই মাস পরও তিনি নতুন কর্মস্থল চুয়াডাঙ্গায় যোগদান না করে মাগুরাতেই দায়িত্ব পালন করছেন। একই সঙ্গে সরকারি গেস্ট হাউসে অবস্থান করার অভিযোগও আনা হয়েছে। অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, সরকারি বিভিন্ন খাতের অর্থ আত্মসাতের বিষয়টি নিরপেক্ষ সংস্থা দিয়ে অডিট করলে প্রকৃত চিত্র বেরিয়ে আসবে। এ বিষয়ে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এবং দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যানের হস্তক্ষেপ ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন অভিযোগকারীরা।

অভিযুক্তদের বক্তব্য:
এ বিষয়ে উপপরিচালক মাহমুদা খানম ও সহকারী পরিচালক ইলিয়াছুর রহমানের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তাদের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা গুরুত্বসহকারে প্রকাশ করা হবে।
সম্পাদকের নোট: প্রতিবেদনে উল্লিখিত অভিযোগগুলো অভিযোগকারীদের বক্তব্যের ভিত্তিতে উপস্থাপন করা হয়েছে। অভিযোগগুলোর সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্তের মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন।