আন্তর্জাতিক ডেস্ক : রবিবারে অন্যান্য দিনের মতই ব্যস্ত ছিল কোয়েম্বাটোর মেডিকেল কলেজ এন্ড হসপিটালের সিনিয়র নার্স এবং ছাত্ররা। তারা ঐ হাসপাতালের নবজাতক পর্যবেক্ষণ ইউনিটে রোগী দেখছিল। এমন সময় তারা একটি শিশুর আর্তনাদ শুনতে পায়। পরে তারা হসপিটালের স্টাফ ডেস্কের কাছ থেকে সাত দিনের একটি শিশুকে পরিত্যক্ত অবস্থায় খুঁজে পান।
এরপর তারা শিশুটিকে নিয়ে ব্যস্ত হয়ে যায়।নার্সদের নিবিড় যত্ন এবং ভালবাসায় রবিবার থেকে তিন দিন ধরে হাসপাতালে রয়েছে শিশুটি।
ভারতের সরকারি হাসপাতালে বাচ্চা ফেলে যাওয়া অতি সাধারণ ঘটনা। পরিত্যক্ত শিশুদের বেশিরভাগই হয় মেয়ে শিশু। তবে রোববার উদ্ধারকৃত বাচ্চাটি ছিল একটি ছেলে। সেখানে এটি একটি ব্যতিক্রমী ঘটনা।
সিএমসিএইচ এর নার্সরা বলেছেন, প্রতিবছর অন্তত পাঁচটি শিশু পরিত্যক্ত অবস্থায় পাওয়া যায়। এদের অন্তত তিন জনই মেয়ে। তবে এই ঘটনা সম্পর্কে একজন নার্স বলেন, শিশুটির জন্ম এই হাসপাতালেই হয়েছে। এক ব্যক্তি বাবা পরিচয় দিয়ে দুই দিন হাসপাতালে এসেছিল এবং শিশুটির মায়ের জন্য খাবার নিয়ে আসত। কিন্তু এরপর সে আর আসেনি। পরে শিশুটির মা কাউকে কিছু না বলেই শিশুটিকে হাসপাতালে রেখে চলে যায়।
হাসপাতালের এসিসটেন্ট রেসিডেন্ট মেডিকেল অফিসার ড: এ সাউনদারাভেল বলেছেন, এই হাসপাতালে ২০১২ সাল থেকে এখন পর্যন্ত ১৫টি পরিত্যক্ত শিশু রয়েছে।এদের মধ্যে নয় জনই মেয়ে।

