আন্তর্জাতিক ডেস্ক: মালয়েশিয়ার সন্ত্রাসবিরোধী বিতর্কিত আইন পাস হয়েছে। সরকার বলছে, ইসলামি-সন্ত্রাসবাদ ঠেকাতে এ আইনের প্রয়োগ সময়োপযোগী। এ আইনের আওতায় ধৃত ব্যক্তিকে বিচার প্রক্রিয়ার আওতায় আনার পূর্বে অনির্দিষ্টকাল আটক রাখা যাবে।
জাতীয় ও আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলো এ আইনের বিরুদ্ধে সরব হয়েছে। এটিকে মানবাধিকার লঙ্ঘন, অধিকার প্রতিষ্ঠাকে পিছিয়ে দেয়ার ষড়যন্ত্র বলে আখ্যা দেয়া হয়েছে।
এ আইন পাস হওয়ার কিছুক্ষণ পূর্বে ১৭ ব্যক্তিকে আটক করে পুলিশ। ধারণা করা হচ্ছে দলটি রাজধানী কুয়ালালামপুরে নাশকতার পরিকল্পনা করছিল।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জাহিদ হামিদি এ সংক্রান্ত ‘চাঞ্চল্যকর তথ্য’ প্রকাশ করেন। জানা যায়, আটক দলটির সর্বকনিষ্ঠ সদস্যের বয়স আনুমানিক ১৪ এবং অপরাপর সদস্যের বয়সসীমাও কাছাকাছি। তাদের উদ্দেশ্য ছিল পুলিশ ও সেনাঘাঁটি আক্রমণ করে অস্ত্র সংগ্রহ করা।মালয়েশীয় সংসদ অধিবেশনে সোমবার রাত অব্দি এ আইন নিয়ে তর্ক-বিতর্ক হয়েছে। অপরাধী-সাব্যস্তকে বিচারহীন অবস্থায় সর্বোচ্চ দুই বছর আটক রাখা এবং ঐ দুই বছরকে আইন প্রয়োগকারী কর্তৃপক্ষের ‘পছন্দনীয়’ সময়ানুযায়ী বর্ধিত করার নিয়মটি বারংবার প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে।

