আন্তর্জাতিক ডেস্ক: আগামী মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল এক অতিগুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে অংশ নেয়ার জন্যে তুরস্কের রাষ্ট্রপ্রধান তাইপ এরদোয়ান ইরান সফর করবেন বলে জানা গেছে। সিরিয়া এবং ইয়েমেনে হুতি ঘাঁটিসমূহে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটের বিমানহামলার বিষয়গুলো হয়ে উঠতে পারে আলোচনার বিষয়বস্তু।
এরদোয়ান গেল সপ্তাহে ইয়েমেনে সৌদি-নেতৃত্বাধীন বিমান হামলার সপক্ষে জনসমক্ষে এক বক্তব্য রেখেছিলেন। সৌদি আরবের পক্ষে সাফাই গেয়ে তিনি বলেছিলেন, ঐ অঞ্চলে ইরানের হস্তক্ষেপ কাম্য নয়।
এমন মন্তব্যের পরপরই রাতারাতি ইরান সফর নিয়ে তাই কথা উঠেছে। এরদোয়ান কি তবে স্খলিতবাক্য শুধরাতে যাচ্ছেন?
এরদোয়ান তার মন্ত্রপরিষদের একাংশকে সফরসঙ্গী করবেন। এ সফরে ইরানী রাষ্ট্রপ্রধান হাসান রুহানি এবং সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আলি খোমেনির সঙ্গে সাক্ষাত করবেন তিনি। শনিবার রাষ্ট্রপ্রধানের নিজস্ব অন্তর্জালিক পাতায় এ সকল তথ্য প্রকাশ করা হয়। এছাড়া ইরানি সংবাদপত্র মেহের নিউজেও এসব তথ্য এসেছে।
এরদোয়ানের অন্তর্জালিক বিবৃতিতে বলা হয়, সফরে বাণিজ্যিক ও কূটনৈতিকসহ সর্বক্ষেত্রেই দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের উন্নতি-অবনতি বিষয়ে আলোচনা করা হবে। এছাড়া আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন বিষয়ে পারস্পরিক মতবিনিময়ও ঘটবে।
ইরান এবং তুরস্কের মধ্যে স্বচ্ছন্দ বাণিজ্যিক সম্পর্ক বিদ্যমান। পশ্চিমের অর্থনৈতিক অবরোধে ইরান আক্রান্ত এবং তুরস্কের বিদ্যুৎসমস্যা তুঙ্গে, এ অবস্থায় ইরান তুরস্কে দ্বিতীয় বৃহত্তম গ্যাস সরবরাহকারী রাষ্ট্র হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করেছে।
তবে গত কয়েক বছর ধরেই কূটনৈতিক সম্পর্কে চলছে টানাপোড়ন। প্রতিবেশী দেশ সিরিয়ার গৃহযুদ্ধের অবসান ইস্যুতে একমত হতে পারছে না এ দুই দেশ।

