ঢাকাSunday , 5 April 2015
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

ছেলেসহ জাপার জব্বারের বিরুদ্ধে চার্জশিট অনুমোদন চেয়ে প্রতিবেদন

Link Copied!

Dudokনিজস্ব প্রতিবেদক: জাতীয় পার্টির (জাপা) নেতা ও সাবেক সাংসদ এম এ জব্বার ও তার ছেলের বিরুদ্ধে চার্জশিট অনুমোদন চেয়ে দুর্নীতি দমন কমিশনে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিয়েছেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা। অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দায়ের করা পৃথক দুটি মামলার তদন্ত শেষে বিষয়টি প্রমাণিত হওয়ায় এই বাবা-ছলেকে চার্জশিটভুক্ত আসামি করার সুপারিশ করে এ তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেয়া হয়েছে।
সম্প্রতি দুদকের সহকারী পরিচালক ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মাসুদুর রহমান এ প্রতিবেদন দাখিল করেন।
গত বছরের ১৩ অক্টোবর মাসুদুর রহমান বাদী হয়ে রাজধানীর রমনা থানায় এম এ জব্বার ও তার ছেলে মাহবুব হোসেনের বিরুদ্ধে পৃথক দুটি মামলা (মামলা নং-২০/২১) দায়ের করেন।
দুদক সূত্র জানায়, জ্ঞাত আয় বহির্ভূত অবৈধ সম্পদের অর্জনের অভিযোগ দুদকের প্রাথমিক অনুসন্ধানে প্রমাণিত হলে, জব্বার ও মাহবুব হোসেনের যাবতীয় সম্পদ বিবরণী দাখিল করতে বলে কমিশন। পরে তারা গত বছরের ৭ এপ্রিলে সচিব বরাবর সম্পদের হিসাব দাখিল করেন। এম এ জব্বার তার দাখিলকৃত সম্পদ বিবরণীতে ২ কোটি ৩৬ লাখ ৯৬ হাজার ২৬২ টাকার স্থাবর সম্পদ ও ২ কোটি ৬২ লাখ ৯ হাজার ২২৬ টাকার অস্থাবরসহ মোট ৪ কোটি ৯৯ লাখ ৫ হাজার ৪৮৮ টাকার সম্পদের কথা উল্লেখ করেন।
এই সম্পদ বিবরণী যাচাই-বাছাই করে দেখা যায়, এম এ জব্বারের নামে স্থাবর ও অস্থাবর মিলে মোট ৬ কোটি ৭২ লাখ ৩৯ হাজার ৯৭৮ টাকার সম্পদ রয়েছে। ফলে তার দাখিলকৃত সম্পদ বিবরণীতে ১ কোটি ৭৩ লাখ ৩৪ হাজার ৪৯০ টাকার তথ্য গোপন ছিল; যা অবৈধ সম্পদ বলে অনুসন্ধানে প্রমাণিত হওয়ায় তার বিরুদ্ধে একটি মামলা করা হয়।
অপরদিকে তার ছেলে মো. মাহবুব হোসেন একই তারিখে দাখিলকৃত সম্পদ বিবরণীতে, তার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের পরিমাণ মোট ১৮ লাখ ৭৪ হাজার ৫০০ টাকা বলে উল্লেখ করেন। পরে দুদকের অনুসন্ধানে দেখা যায়, তার দাখিলকৃত সম্পদের হিসাবের বাইরেও ১৯ লাখ ৫০ হাজার টাকা মূল্যের একটি ব্যক্তিগত গাড়ি (ঢাকা মেট্রো-ঘ-১৩-২৬২৪) রয়েছে। তাই কমিশনে দাখিলকৃত সম্পদ বিবরণীতে সম্পদ গোপন করার অভিযোগে মাহবুব হোসেনের বিরুদ্ধেও একটি মামলা হয়।
দুদক সূত্র আরো জানায়, মামলা দুটির তদন্ত শেষে জ্ঞাত আয় বহির্ভুত অবৈধ সম্পদ অর্জন ও অসৎ উদ্দেশ্যে সম্পদ সঠিক তথ্য গোপনের বিষয়টি চূড়ান্তভাবে প্রমাণিত হওয়ায় তাদের চার্জশিটভুক্ত আসামি করার সুপারিশ করে গত বৃহস্পতিবার তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেয়া হয়েছে। কমিশন তদন্ত প্রতিবেদনটি যাচাই-বাছাই শেষে চার্জশিট দাখিলের অনুমোদন দিলেই, তাদের আসামি করে সংশ্লিষ্ট থানায় ও আদালতে চার্জশিট দাখিল করা হবে।