চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি: দামুড়হুদার দলকা লক্ষ্মীপুর গ্রামে পুলিশ-গ্রামবাসী সংঘর্ষ ও গুলিবর্ষণের ঘটনায় অজ্ঞাত প্রায় দেড়হাজার গ্রামবাসীকে আসামি করে মামলা করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় এক পুলিশ কর্মকর্তাকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।
শুক্রবার রাতে পুলিশ-গ্রামবাসী সংঘর্ষ ও গ্রামবাসীর ওপরে পুলিশের গুলিবর্ষণের ঘটনায় লক্ষীপুর পুলিশ ক্যাম্পের উপ-পরিদর্শক রবিউল ইসলামকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।
পুলিশ ক্যাম্পে হামলার চেষ্টা ও কর্তব্যরত পুলিশ সদস্যকে জখম করার বিষয়ে শনিবার সকালে দামুড়হুদা থানায় অজ্ঞাত প্রায় দেড় হাজার গ্রামবাসীকে আসামি করে মামলা দায়ের করেছে পুলিশ।
এ সংঘর্ষের ঘটনায় গুলিবিদ্ধ ৫ ছাত্রলীগ নেতাসহ আহত ২ পুলিশ সদস্যের শারিরিক অবস্থার উন্নতি হয়েছে বলে জানিয়েছে সদর হাসপাতাল সূত্র।
চুয়াডাঙ্গা পুলিশ সুপার রশীদুল হাসান এ তথ্য জানিয়ে আরও বলেন, ‘রাতের ঘটনা তদন্ত করা হচ্ছে। তা শেষ হলেই প্রকৃত কারণ বলা সম্ভব হবে, এখন পরিস্থিতি শান্ত। গতরাতেই চুয়াডাঙ্গা পুলিশ সুপার, উপজেলা প্রশাসন এবং রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।’
উল্লেখ্য, শুক্রবার রাত সাড়ে সাতটার দিকে ধর্মসভার (ওয়াজ মাহফিল) চাঁদার টাকা ভাগ বাটোয়ারার দাবিতে পুলিশের সঙ্গে স্থানীয় কয়েকজন ছাত্রলীগ নেতার বাকবিতণ্ডা হয়। এর জেরে রাতে দলকা লক্ষীপুর পুলিশ ক্যাম্পে গ্রামবাসী হামলার চেষ্টা চালালে পুলিশ ১০/১২ রাউন্ড শর্টগানের গুলি ছোড়ে। গুলিবিদ্ধ হন ৫ ছাত্রলীগ নেতা। এ ঘটনায় ২ পুলিশ সদস্যসহ আহত হয় অন্তত ১০ জন।

