ঢাকাTuesday , 21 April 2026
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

ক্যান্টনমেন্ট সার্কেলের এসিল্যান্ডকে খিলক্ষেত প্রেসক্লাবের পক্ষ থেকে ফুলেল শুভেচ্ছা

Link Copied!

ঢাকা মহানগরীর গুরুত্বপূর্ণ রাজস্ব অঞ্চল ক্যান্টনমেন্ট সার্কেলের নতুন সহকারী কমিশনার (ভূমি) বা এসিল্যান্ড হিসেবে যোগদান করেছেন বিসিএস প্রশাসন ক্যাডারের মেধাবী ও চৌকস কর্মকর্তা রৌশন আহমেদ। গত ১৬ এপ্রিল তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে তার নতুন কর্মস্থলে দায়িত্বভার গ্রহণ করেন। নবাগত এই কর্মকর্তার যোগদান উপলক্ষে গত ২০ এপ্রিল তার কার্যালয়ে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় করেন ঐক্যবদ্ধ ও শক্তিশালী সংগঠন খিলক্ষেত প্রেসক্লাবের নেতৃবৃন্দ। এসময় খিলক্ষেত প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি হাবিব সরকার (স্বাধীন) এবং সাধারণ সম্পাদক আরমান (চৌধুরী)-এর নেতৃত্বে প্রেসক্লাবের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ তাকে পুষ্পস্তবক দিয়ে ফুলেল শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান। মতবিনিময়কালে সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ এলাকার ভূমি সংক্রান্ত বিভিন্ন সমস্যা তুলে ধরেন এবং জনবান্ধব ভূমি সেবা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেন। এসময় খিলক্ষেত প্রেসক্লাবের নেতৃবৃন্দ নবাগত এসিল্যান্ডকে আশ্বস্ত করেন যে, জনকল্যাণমূলক কাজে এবং সরকারি সম্পদ রক্ষায় প্রেসক্লাব সর্বদা বস্তুনিষ্ঠ তথ্যের মাধ্যমে প্রশাসনকে সহযোগিতা করবে। ​যোগদানের অল্প সময়ের মধ্যেই রৌশন আহমেদের কর্মতৎপরতা সাধারণ মানুষের মধ্যে ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে। দীর্ঘদিনের ঝুলে থাকা বিভিন্ন মিস কেস (বিবিধ মামলা) দ্রুত নিষ্পত্তি ও সেবা সহজীকরণের মাধ্যমে তিনি ইতোমধ্যে প্রশংসা কুড়িয়েছেন। সেবা নিতে আসা মানুষ তাঁর পেশাদারিত্ব ও মানবিক আচরণের ভূয়সী প্রশংসা করছেন। শুভেচ্ছা বিনিময়কালে মো. রৌশন আহমেদ বলেন, ​“সরকারের স্বার্থে ও দেশের স্বার্থে আমার ভূমিকা সর্বদা আপসহীন থাকবে। সকলের দোয়া ও সহযোগিতায় আমি জনবান্ধব ও মানসম্মত ভূমি সেবা নিশ্চিত করতে চাই। জনস্বার্থে আমার পক্ষ থেকে সর্বদা সর্বোচ্চ চেষ্টা অব্যাহত থাকবে।” তিনি আরও জানান, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুযায়ী ভূমি সেবাকে আরও আধুনিক, ডিজিটাল ও শক্তিশালী করতে তিনি মাঠ পর্যায়ে কাজ করে যাবেন। বিশেষ করে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি কমাতে তিনি ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণের অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।