ঢাকাFriday , 3 April 2015
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

অপ্রদর্শিত অর্থ বিনিয়োগের সুযোগ চায় রিহ্যাব

Link Copied!

REHABনিজস্ব প্রতিবেদক: কোনো প্রশ্ন ব্যতীত আগামী অর্থবছরের বাজেটে বৈধভাবে উপর্জিত অপ্রদর্শিত অর্থ বিনিয়োগের সুযোগ চায় রিয়েল এস্টেট অ্যান্ড হাউজিং অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (রিহ্যাব)। এসব অর্থ ভবন বা এপার্টমেন্টে বিনিয়োগের সুযোগ রেখে আয়কর অধ্যাদেশে একটি নতুন বিধান সংযোজন করাসহ জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের কাছে ১০টি প্রস্তাব দিয়ে দিয়েছে সংগঠটি।
বৃহস্পতিবার রাজধানীর সেগুন বাগিচা এনবিআর সম্মেলন কক্ষে প্রাক বাজেট আলোচনায় অংশ নিয়ে রিহ্যাবের সভাপতি আলমগীর শামসুল আলামিন এসব প্রস্তাব করেন।
প্রাক বাজেট আলোচনায় রিহ্যাব সভাপতি শামসুল আল আমিন বলেন, ‘রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে বিগত কয়েক বছর ধরে আমাদের ব্যবসা অনেকটা মন্দা সময় পাড় করছে। এ প্রেক্ষাপটে আমাদের শিল্প চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েছে। তাই আগামী জাতীয় বাজেট (২০১৫-১৬) দেশের গৃহায়ণ খাতকে রক্ষায় রিহ্যাব ১০টি সুপারিশ করছে। এসব প্রস্তাব জাতীয় বাজেটে সংযুক্ত করা হলে আবাসন শিল্প ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা পাবে।’
রিহ্যাবের প্রস্তাবনা:
জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের আওতাধীন রেজিস্ট্রেশন সংশ্লিষ্ট কর যথাক্রমে গেইন ট্যাক্স ৪ শতাংশ থেকে কমিয়ে ২ শতাংশ, স্ট্যাম্প ফি ৩ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১ দশমিক ৫ শতাংশ ও মূল্য সংযোজন কর ৩ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১ দশমিক ৫ শতাংশ নির্ধারণ করা, গৃহায়ণ শিল্পের উদ্যোক্তাদের জন্য প্রযোজ্য আয়কর অধ্যাদেশ ১৯৮৪ এর ৫৩ এফএফ ধারায় বর্ণিত পরিমান অর্ধেকে কমিয়ে আনা এবং সেই সঙ্গে আয়কর অধ্যাদেশ ১৯৮৪ এর ধারা ৮২ সি (৪) মোতাবেক ডেভেলপারের প্রদত্ত আয়কর চূড়ান্ত নিস্পত্তি হিসেবে কার্যকর করা, রাজউক ও সিডিএ-এর আওতাভুক্ত ও বহির্ভূত এলাকায় সব জমির ক্ষেত্রে আয়কর অধ্যাদেশের ৫৩ এইচ ধারায় প্রযোজ্য ৪ শতাংশ ও ৩ শতাংশ করের স্থলে যথাক্রমে ২ শতাংশ ও ১ শতাংশ কর নির্ধারণ, বিনা শুল্কে ভবনের অগ্নি নিরাপত্তা সংক্রান্ত সব যন্ত্রপাতি আমদানী, সাপ্লায়ার ভ্যাট ও উৎস কর সংগ্রহের দায়িত্ব থেকে ডেভেলপারকে অব্যাহতি, বিকেন্দ্রীকরণ নগরায়ণ ও পারিপার্শ্বিক উন্নয়নের লক্ষ্যে টেক্স হলিডের মাধ্যমে উৎসাহিতকরণ, গৃহায়ণ শিল্পে প্রবাসী বাংলাদেশিদের বিনিয়োগে উৎসাহিত করার জন্য রেজিস্ট্রেশন ব্যয় হ্রাসের মাধ্যমে বিশেষ সুবিধা প্রদান, লিডারশিপ ইন এনার্জি অ্যান্ড এনভায়রনমেন্ট ডিজাইন (লিড) সার্টিফাইড ভবনের জন্য আয়কর রেয়াত প্রদান এবং ক্যাপিটাল মেশিনারিজ আমদানি করার ক্ষেত্রে বিদ্যমান শুল্ক হ্রাস করা প্রস্তাব করেছে রিহ্যাব।
বাংলাদেশ মেলামাইন ইন্ডাস্ট্রি অ্যাসোসিয়েশনের মো. মনির হোসেন বলেন, ‘দেশে বর্তমানে ১০০টির অধিক মেলামাইন ইন্ডাস্ট্রি রয়েছে। ২০১১ সালে এ খাতে কাঁচামাল আমদানিতে ৫ শতাংশ শুল্ক দিতে হতো। বর্তমানে ২৫ শতাংশ শুল্ক দিতে হয়। তাই এ খাতের শুল্ক হ্রাস করে আবার ৫ শতাংশ করার দাবি জানাই।’
ফার্মাসিউটিক্যাল অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে কাঁচামাল আমদানির ক্ষেত্রে ৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করার দাবি জানান।
প্রাক বাজেট আলোচনায় রাজস্বের তিনটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় শুল্ক, মূসক (ভ্যাট) ও আয়কর নিয়ে আলোচনা হয়েছে। এর মধ্যে বেশির ভাগ সংগঠনের পক্ষ থেকে শুল্ক কমানো দাবি জানানো হয়েছে। আর ব্যবসায়ীদের এসব দাবি এনবিআর চেয়ারম্যান মো. নজিবুল রহমান মনোযোগ দিয়ে শুনেছেন।
পরে নজিবুর রহমান বলেন, ‘আমরা ব্যবসায়ীদের দাবিগুলো শুনে তা বিশ্লেষণের জন্য বিশেষ কমিটির কাছে পাঠাবো। যাচাই বাছাইয়ের পর তা আমলে নিয়ে বাজেটে অন্তর্ভূক্ত করা হবে।’
প্রাক বাজেট আলোচনায় এনবিআরের বিভিন্ন অণুবিভাগের সদস্য, বাজেট প্রণয়ন কমিটির সদস্য, ট্যারিফ কমিশন ও বিএসটিআইয়ের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।