পাঞ্জেরী ডেস্ক: গত এক বছরে ৫ হাজার ৬২৮টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৮ হাজার ৫৮৯ জন নিহত ও ১৭ হাজার ৫২৪জন গুরুতর আহত হয়েছে। তবে প্রতিদিনই এ নিরব হত্যাকাণ্ড ঘটলেও দেশের যাত্রী, মালিক, পরিবহন শ্রমিক, এনজিও কর্মী, সংবাদপত্র, টিভি চ্যানেল, সুশীল সমাজ, সরকারের সংশ্লিষ্ট মহলের কাছে এটি গুরুত্বহীন।
পুলিশের কাছে সড়ক দুর্ঘটনার বিষয়ে অভিযোগ বা মামলা করেও ভিকটিম প্রয়োজনীয় আইনগত সহায়তা পায় না। দুর্ঘটনায় পতিত ব্যক্তির পাশে দাঁড়াতে চায় না বিত্তবানরাও ।
এই অবস্থায় প্রতিদিনই বাড়ছে মৃত্যুর সংখ্যা। বাড়ছে একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি হারিয়ে দরিদ্র ও ছিন্নমূল হওয়া মানুষের সংখ্যা। যা মধ্যআয়ের দেশের যাত্রার পথে প্রতিবন্ধক। মেধাবী ও কর্মক্ষম জনসম্পদ হারিয়ে দেশের অপূরণীয় ক্ষতি হচ্ছে। জিডিপিতে যার ব্যাপক প্রভাব ফেলছে।
বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির সড়ক দুর্ঘটনা মনিটরিং সেলের এক গবেষণা প্রতিবেদনে এসব তথ্য ওঠে এসেছে। বৃহস্পতিবার ওই গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়।
প্রতিবেদনে জানা গেছে, ২০১৪ সালের জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত ১ বছরে ৫,৯২৮টি ছোট-বড় সড়ক দুর্ঘটনা সংঘটিত হয়েছে। এতে সর্বমোট ২৬,১১২জন যাত্রী, চালক ও পরিবহন শ্রমিক সড়ক দুর্ঘটনার শিকার হয়েছে। এসব দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছে ৮,৫৮৯ জন, আহত হয়েছে ১৭,৫২৩ জন। এর মধ্যে হাত-পা বা অন্য কোন অঙ্গ হারিয়ে চিরতরে পঙ্গু হয়েছে ১,৬২৩ জন।
এসব দুর্ঘটনায় বেশিরভাগ পরিবার একমাত্র উপর্জনক্ষম ব্যক্তি হারিয়ে দরিদ্র্যের কাতারে নেমে এসেছে। একই সময়ে সরকারি হিসাবে প্রায় ২,৩০০ টি সড়ক দুর্ঘটনায় মামলা হয়েছে। এ সময় ১,২৬৬টি বাস, ১৪১৩ টি ট্রাক ও কাভার্ডভ্যান, ৭১২ টি হিউম্যান হলার, ৩৯০ টি কার-জিপ-মাইক্রোবাস, ১,২৩১ টি অটোরিক্সা ১,৪৬৮ টি মোটরসাইকেল ১,১৭৩ টি ব্যাটারী চালিত রিক্সা ১,০৬৯ টি নছিমন করিমন দুর্ঘটনার কবলে পড়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে এক বছরে ১,২৫৬ জন ছাত্র-ছাত্রী ১৫৬ জন শিক্ষক, ৬৮ জন সংবাদিক, ৬৩ জন ডাক্তার, ৯০ জন আইনজীবী, ৬৩ জন ইঞ্জিনিয়ার, ২১৫ জন আইনশৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য (পুলিশ, সেনা, বিজিবি ও আনসার), ৯৯১ জন নেতাকর্মী, ১৪২ জন সরকারী কর্মকর্তা ২,২২২ জন নারী ও ১,৪৬৯ শিশু সড়ক দুর্ঘটনার শিকার হয়েছে।
যাত্রী কল্যাণ সমিতির পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, ২০১৪ সালের জানুয়ারি মাসে ৫৮৫ টি সড়ক দুর্ঘটনায় ১৮৪২ জন আহত ও ৬১৫ নিহত হয়। এ মাসে ৮০টি বাস, ১৪৫ টি ট্রাক ও কাভার্ডভ্যান, ৪৮ টি হিউম্যান হলার, ১৮ কার মাইক্রোবাস, ৪৫টি অটোরিক্সা, ৪৭ টি মোটরসাইকেল, ১৮ টি ব্যাটারী চালিত রিক্সা, ৬১টি নছিমন করিমন দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। এতে ৪৮ জন চালক ও পরিবহন শ্রমিক ৪৩ জন ছাত্র, ৮ জন শিক্ষক, ৩ জন সাংবাদিক, ৮ জন ডাক্তার, ১ জন প্রকৌশলী, ৪৬ আইনশৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য, ৯ জন নেতাকর্মী, ১৫ জন সরকারি কর্মকর্তা, ৯৮ জন নারী, ৬৯ জন শিশু, ৪১ জন পথচারী সড়ক দুর্ঘটনার শিকার হয়।
ফেব্রুয়ারি মাসে ৪৭৯ টি সড়ক দুর্ঘটনা সংঘটিত হয়। এতে ১২৭২ জন আহত ও ৫৩৯ জন নিহত হয়। এই মাসে ১৫৬ টি বাস, ৬২ টি ট্রাক ও কাভার্ডভ্যান, ৮৫ হিউম্যান হলার, ৭৫ টি অটোরিক্সা, ৩৯টি কার ও মাইক্রোবাস, ১২২ টি মোটরসাইকেল, ৮৫টি নছিমন করিমন দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। এতে ২৯ জন চালক ও ১৭ পরিবহন শ্রমিক, ৯৭ ছাত্র, ১৫ জন শিক্ষক, ৪ জন সাংবাদিক, ২ জন ডাক্তার, ১ জন প্রকৌশলী, ১৮ জন আইনশৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য, ১১ জন নেতাকর্মী, ১০ সরকারি কর্মকর্তা, ৮০১ জন নারী, ৭২ জন শিশু, ৮৬ জন পথচারী সড়ক দুর্ঘটনার শিকার হয়।
মার্চের পরিসংখ্যানে দেখা গেছে ৫৪৫ টি সড়ক দুর্ঘটনায় ১৭০৬ জন আহত ৫৮৮ জন নিহত হয়েছে। এ মাসে ১১১টি বাস, ১০৩ টি ট্রাক ও কাভার্ডভ্যান ৪৭ টি হিউম্যান হলার ৬৭ টি অটোরিক্সা ২৬টি কার ও মাইক্রোবাস ১৪৬টি মোটরসাইকেল ১২ টি ব্যাচারী চালিত রিক্সা ৬০টি নছিমন করিমন দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। এতে ৩২ জন চালক ৩৭ জন পরিবহন শ্রমিক ১৪৯ জন ছাত্র, ৫ জন শিক্ষক, ২ জন সাংবাদিক, ২ ডাক্তার, ৩২ জন আইনশৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য ১৭ জন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী, ১১ জন সরকারি কর্মকর্তা ১৩৫ জন নারী, ৮৪ জন শিশু, ১০০ জন পথচারী সড়ক দুর্ঘটনার শিকার হয়েছে।
এপ্রিল মাসে ৫৬৩ টি সড়ক দুর্ঘটনায় ১৫৭৬ জন আহত ৬০১ জন নিহত হয়। এই মাসে ১০৪টি বাস ১০২ টি ট্রাক ও কাভার্ডভ্যান ৮২ টি হিউম্যান হলার ৪৮ টি অটোরিক্সা ২৩টি কার ও মাইক্রোবাস ১০২ টি মোটরসাইকেল ১২৭ টি ব্যাটারী চালিত রিক্সা ৫৬টি নছিমন করিমন সড়ক দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। এতে ৩৬ জন চালক ও ৪৭ জন পরিবহন শ্রমিক ৫৭ জন ছাত্র, ৪ জন শিক্ষক, ২ জন সাংবাদিক, ১ জন ডাক্তার, ২১ জন আইনশৃংখলা রক্ষাবাহিনীর সদস্য, ১৯ জন রাজনীতিবিদ, ১২ জন সরকারি কর্মকর্তা, ১৩৯ জন নারী, ৭৩ জন শিশু, ১৮৯ জন পথচারী সড়ক দুর্ঘটনার শিকার হয়।
মে মাসে ৫৭৮টি সড়ক দুর্ঘটনায় ২০৪৬ জন আহত ৭৩৮ জন নিহত হয়। এসময় ০৯১ টি বাস, ৩১৫ টি ট্রাক ও কাভার্ডভ্যান, ২৪ টি হিউম্যান হলার, ১২২টি অটোরিক্সা, ২৬টি কার ও মাইক্রোবাস, ১২৬ টি মোটরসাইকেল, ৭২ টি ব্যাটারী চালিত রিক্সা, ১১৭ টি নছিমন করিমন দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। এতে ৩৮ জন চালক, ১০ পরিবহন শ্রমিক, ২০৮ জন ছাত্র, ২৬ জন শিক্ষক, ৮ জন সাংবাদিক, ৮ জন ডাক্তার, ৭ জন আইনজীবি, ৭ জন প্রকৌশলী, ১৪ জন রাজনীতিবিদ, ১৪ জন সরকারি কর্মকর্তা, ৪৪২ জন নারী, ২২৪ শিশু, ২২৪ জন পথচারী সড়ক দুর্ঘটনার শিকার হয়।
জুন মাসে ৫০৬ টি সড়ক দুর্ঘটনায় ১৮৩৬ জন আহত ও ৬৮৯ জন নিহত হয়েছে। এ মাসে ৭০ টি বাস, ১৯৫ টি ট্রাক ও কাভার্ডভ্যান, ৫৬ টি হিউম্যান হলার, ১৫৭ টি অটোরিক্সা, ১৩ টি কার ও মাইক্রোবাস, ১০৬টি মোটরসাইকেল, ৮৬ টি ব্যাটারী চালিত রিক্সা, ১৩৪ টি নছিমন করিমন সড়ক দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। এতে ৫৪ জন চালক, ১০ জন পরিবহন শ্রমিক, ১৩৬ জন ছাত্র, ১২ জন শিক্ষক, ৭ জন সাংবাদিক, ৬ জন ডাক্তার, ৯ জন আইনজীবী, ১১ জন প্রকৌশলী, ১৪ জন আইনশৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য, ১৮ জন নেতাকর্মী, ১৫ জন সরকারি কর্মকর্তা, ১৬৫ জন নারী, ১৭৬ জন শিশু, ২০৯ জন পথচারী এমাসে সড়ক দুর্ঘটনার শিকার হয়।
জুলাই মাসে ৪২৩টি সড়ক দুর্ঘটনায় ১৩৩২ জন আহত ও ৫০৩ জন নিহত হয়। এ মাসে ৯৫টি বাস ৮৪টি ট্রাক ও কাভার্ডভ্যান, ৪২টি হিউম্যান হলার, ২৩টি কার ও মাইক্রোবাস, ১০৩টি অটোরিক্সা, ১৭২টি মোটরসাইকেল, ৯৭টি ব্যাটারী চালিত রিক্সা, ৫৯টি নছিমন করিমন সড়ক দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। এতে ৫৫ জন চালক, ও পরিবহন শ্রমিক, ১১২জন ছাত্র-ছাত্রী, ১৮জন শিক্ষক, ১১ জন সাংবাদিক, ৩ জন চিকিৎসক, ১১জন আইনজীবী, ১জন প্রকৌশলী, ২১ জন আইনশৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য, ১৭৮জন নেতাকর্মী, ৯ জন সরকারী কর্মকর্তা, ২০৭ জন নারী, ১০৩ জন শিশু, ৯৯ জন পথচারী দুর্ঘটনার শিকার হয়।
আগষ্ট মাসে ৪৭৬টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৪৬২ জন নিহত ও ১৬০৬ আহত হয়। এ মাসে ৮৬টি বাস, ৭৮টি ট্রাক ও কাভার্ডভ্যান, ৮২টি হিউম্যান হলার, ১২৩টি অটোরিক্সা, ৪৫টি কার ও মাইক্রোবাস, ৮৪টি মোটরসাইকেল, ৬২টি ব্যাটারি চালিতরিক্সা, ৬৮টি নছিমন করিমন দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। এতে ৮৪ জন চালক ২৩জন পরিবহন শ্রমিক, ৭২জন ছাত্র, ১১জন শিক্ষক, ৭ জন সাংবাদিক, ৯জন চিকিৎসক, ১৫জন আইনজীবী, ৭জন প্রকৌশলী, ১২জন আইনশৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য, ১০৯ জন নেতা-কর্মী, ১৭জন সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী, ১৭৮জন নারী, ১২৩ জন শিশু, ১৩৮ জন পথচারী সড়ক দুর্ঘটনার শিকার হয়।
সেপ্টেম্বরে ৪০৩টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৬০২ জন নিহত ও ১০০৭ আহত হয়। এ মাসে ৮৮টি বাস, ১০৩টি ট্রাক ও কাভার্ডভ্যান, ৪৮টি হিউম্যান হলার, ৭৮টি অটোরিক্সা, ২৪ টি কার ও মাইক্রোবাস, ৮৪টি মোটরসাইকেল, ৮২টি ব্যাটারি চালিত রিক্সা, ৬২টি নছিমন করিমন সড়ক দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। এতে ৪১জন চালক, ২৩ জন পরিবহন শ্রমিক ১০৩ জন ছাত্র, ৯ জন শিক্ষক, ৯ জন সাংবাদিক, ৩ জন চিকিৎসক, ১৩ জন আইনজীবী, ১১জন প্রকৌশলী, ১৪জন আইনশৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য, ১১২জন নেতা-কর্মী, ১৮জন সরকারি কর্মকর্তা, ২২৯জন নারী, ১৭৩জন শিশু, ৯৮জন পথচারী সড়ক দুর্ঘটনার শিকার হয়।
অক্টোবরে ৩৯৬টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৪১২ জন নিহত ও ১২২৪ আহত হয়। এ মাসে ৮২টি বাস, ৬৬টি ট্রাক ও কাভার্ডভ্যান, ৯৮টি হিউম্যান হলার, ৯৪টি অটোরিক্সা, ২২ টি কার ও মাইক্রোবাস, ১১০টি মোটরসাইকেল, ৬৮টি ব্যাটারি চালিত রিক্সা, ১৩১টি নছিমন করিমন সড়ক দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। এতে ৫৬ জন চালক, ৪২ জন পরিবহন শ্রমিক, ১২৮জন ছাত্র, ১৯জন শিক্ষক, ৯ জন সাংবাদিক, ৭জন চিকিৎসক, ২২জন আইনজীবী, ৩ জন প্রকৌশলী, ১৩ জন আইনশৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য, ২২২ জন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা কর্মী, ৩ জন সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী, ১৭৮ জন নারী, ১৪৪ জন শিশু, ১২৩ জন পথচারী সড়ক দুর্ঘটনার শিকার হয়।
নভেম্বর মাসে ৫০৩টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৪৮৮ জন নিহত ও ৯৬৯ আহত হয়। এ মাসে ১০৩টি বাস, ৫৮টি ট্রাক ও কাভার্ডভ্যান, ৫৬টি হিউম্যান হলার, ৭২টি অটোরিক্সা, ২৪ টি কার ও মাইক্রোবাস, ৮৮টি মোটরসাইকেল, ১২৩টি ব্যাটারি চালিত রিক্সা, ৮৯টি নছিমন করিমন সড়ক দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। এতে ৫৬ জন চালক, ২৮ জন পরিবহন শ্রমিক, ৬২জন ছাত্র, ১৩জন শিক্ষক, ৩ জন সাংবাদিক, ১১জন চিকিৎসক, ১ জন আইনজীবী, ১ জন প্রকৌশলী, ৯জন আইনশৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য, ১২৮ জন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা-কর্মী, ১১জন সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী, ১৪৮জন নারী, ৭৬জন শিশু, ১০৯ জন পথচারী সড়ক দুর্ঘটনার শিকার হয়।
ডিসেম্বর মাসে ৪৪১টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৩৯৬ জন নিহত ও ১১০৭ আহত হয়। এ মাসে ১৬০টি বাস, ১০২টি ট্রাক ও কাভার্ডভ্যান, ২৩টি হিউম্যান হলার, ১০৩টি অটোরিক্সা, ৬৭ টি কার ও মাইক্রোবাস, ১৪১টি মোটরসাইকেল, ১৭০টি ব্যাটারি চালিত রিক্সা, ৪৩টি নছিমন করিমন সড়ক দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। এতে ৪৫ জন চালক, ২৩ জন পরিবহন শ্রমিক,৭৯ জন ছাত্র-ছাত্রী, ১১জন শিক্ষক, ১৩ জন সাংবাদিক, ৩জন চিকিৎসক, ১২জন আইনজীবী, ৩ জন প্রকৌশলী, ১১জন আইনশৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য, ১২৮ জন নেতা-কর্মী, ১৭জন সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী, ২০২জন নারী, ১৫২জন শিশু, ১২২ জন পথচারী সড়ক দুর্ঘটনার শিকার হয়।
যাত্রী কল্যাণ সমিতির মহাসচিব মো. মোজাম্মেল হক চৌধুরী বলেন, ‘এসব দুর্ঘটনা পর্যবেক্ষণ করে দেখা গেছে, জাতীয় ও আঞ্চলিক মহাসড়কে ৫৩ ভাগ শহর এলাকায় ২৬ ভাগ গ্রাম বা ফিডার রোডে ২১ ভাগ সড়ক দুর্ঘটনা সংঘটিত হয়েছে। তবে শহর ও গ্রামে হাট বাজারে ফুটপাত দখলের কারণে পথচারীর মৃত্যুর হার ৬০ শতাংশে পৌঁছেছে। এছাড়াও এসব দুর্ঘটনায় নিহতের প্রায় ৫৩ ভাগই পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি। এছাড়াও মুখোমুখী সংঘর্ষে ৫৮ভাগ, খাদে পড়ে ১৮ ভাগ, নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ১৩ ভাগ ও অন্যান্য কারণে ১১ ভাগ দুর্ঘটনা ঘটেছে।

