আন্তর্জাতিক ডেস্ক: নাম বদলে বিতর্কিত একটি আইন পাস করা হয়েছে গুজরাটে। অপরাধ নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত এ বিল পাস হওয়ার ফলে পুলিশ সন্দেহভাজনের ফোনে আড়ি পাততে পারবে। এবং পুলিশী জেরা-পর্বে আসামীর স্বীকারোক্তি আদালতে প্রমাণ হিসেবে ব্যবহার করা যাবে।
২০০৩ সাল থেকে নরেন্দ্র মোদি মুখ্যমন্ত্রী থাকাকালে এ আইন পাস করার উদ্যোগ নেয়া হয়। তিন তিনবার বিধানসভায় পাস হলেও, রাষ্ট্রপতির সম্মতি না আসায় এ আইন চূড়ান্তভাবে উৎরে যেতে পারেনি। এবারে সে বাধাও দূরীভূত হলো। পূর্বের গুজরাট সংগঠিত অপরাধ নিয়ন্ত্রণ বিল (গুজকোক)এর বর্তমান নাম গুজরাট সন্ত্রাসবাদ ও সংগঠিত অপরাধ নিয়ন্ত্রণ বিল (জিসিটিওসি)।
সংবিধানবিরোধী আইন
এ আইনের ধারাগুলি নিয়ে উপস্থিত বিতর্কের মধ্যে প্রধানতমটি হচ্ছে- সংবিধানবিরোধীতা। তবে সংবিধানবিরোধীতা শব্দটি ব্যবহার করেছে মূলত তৎকালীন বিরোধী দল ও মানবাধিকার সংস্থাগুলো। তাদের ভাষ্য ছিল, এটি পাস হলে পুলিশ যে কোন ব্যক্তিকে ধরে নির্যানের মুখে স্বীকার করিয়ে নিতে পারে যে কোন অপরাধ অতঃপর তা প্রমাণ হিসেবে আদালতে উত্থাপিত হলে বিচারপ্রক্রিয়াই বদলে যাবে। এ প্রক্রিয়ার সঙ্গে সংবিধানের একাদিক নীতিমালার সামঞ্জস্য নাই। কিন্তু ভারতের বিধানসভায় বারবার অনুকূলে সংখ্যাগরিষ্ঠতার কারণে বরাবরই তা উৎরে গেছে।
গুজরাট সরকারের দাবি, নবতর উপায়ে সন্ত্রাসের উত্থান ঘটতে থাকায় পুরাতন আইন আর কার্যকর নয়। নতুন আইন প্রয়োজন।

