ঢাকাTuesday , 31 March 2015
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

ভারত থেকে আসছে আরো ৬০০ মে. বিদ্যুৎ

Link Copied!

power-2নিজস্ব প্রতিবেদক: বিদ্যুতের চাহিদা মেটাতে ভারত থেকে আরো ৬০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আমদানি করতে যাচ্ছে সরকার। বাংলাদেশের ভেড়ামারা-ভারতের বহরমপুর গ্রিড আন্তঃসংযোগের বিদ্যমান ক্ষমতা বৃদ্ধির মাধ্যমে অতিরিক্ত ৫০০ মেগাওয়াট এবং পালাতানা (ত্রিপুরা) বিদ্যুৎ কেন্দ্র হতে কুমিলার দক্ষিণ উপকেন্দ্রের মাধ্যমে ১০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আমদানি করা হবে।
মঙ্গলবার পরিকল্পনা কমিশনের এনইসি সম্মেলন কক্ষে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় ‘বাংলাদেশ ( ভেড়ামার)-ভারত (বহরমপুর) বিদ্যমান গ্রিড আন্তঃসংযোগের ক্ষমতা বর্ধিতকরণ (৫০০ মেগাওয়াট)’ প্রকল্পসহ প্রধানমন্ত্রী ও একনেক চেয়ারপারসন শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে ৬ প্রকল্পের অনুমোদন দেয়া হয়েছে।
সভা শেষে অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী আব্দুল মান্নান অনুমোদন পাওয়া প্রকল্পগুলোর বিভিন্ন দিক নিয়ে সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন।
আব্দুল মান্নান বলেন, ‘৫২ হাজার ৭৭৮ কোটি ১১ লাখ টাকা ব্যয়ে ৬টি প্রকল্প অনুমোদন দেয়া হয়েছে। এর মধ্যে সরকারি অর্থায়ন থেকে আসবে ৪০ হাজার ৪৮১ কোটি ৭৫ লাখ টাকা, সংস্থার নিজস্ব তহবিল থেকে আসবে ১১৭ কোটি ৭৬ লাখ টাকা এবং প্রকল্প সাহায্য ১২ হাজার ১৭৮ কোটি ৬০ লাখ টাকা।
‘বাংলাদেশ ( ভেড়ামারা)-ভারত (বহরমপুর) বিদ্যমান গ্রিড আন্ত:সংযোগের ক্ষমতা বর্ধিতকরণ (৫০০ মেগাওয়াট)’ প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে ১ হাজার ৪০৪ কোটি ৮০ লাখ টাকা। এর মধ্যে সরকারি অর্থায়ন ৪৫৯ কোটি ৫৪ লাখ টাকা, সংস্থার নিজস্ব তহবিল ১০০ কোটি ৩৮ লাখ টাকা এবং প্রকল্প সাহায্য ৮৪৪ কোটি ৮৮ লাখ টাকা। জানুয়ারি, ২০১৫ থেকে জুন ২০১৮ মেয়াদে পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি অব বাংলাদেশ লিমিটেড (পিজিসিবি) প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে।
এছাড়া ভারত থেকে ১০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আমদানি করতে ‘ত্রিপুরা (ভারত)-কুমিলা দক্ষিণ কেন্দ্র (বাংলাদেশ) গ্রিড আন্ত:সংযোগ’ প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে ১৭৯ কোটি ৪৫ লাখ টাকা। এর মধ্যে সরকারি অর্থায়ন ১৬২ কোটি ৭ লাখ টাকা এবং সংস্থার নিজস্ব তহবিল ১৭ কোটি ৩৮ লাখ টাকা। পিজিসিবি জানুয়ারি ২০১৫ থেকে জুন ২০১৬ মেয়াদে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে।
৪০ কোটি ১৪ লাখ টাকা ব্যয়ে নেয়া হয়েছে ‘বিসিক শিল্পনগরী, শ্রীমঙ্গল (১ম সংশোধিত)’ প্রকল্প। বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশন বিসিক জুলাই ২০১২ থেকে জুন ২০১৭ মেয়াদে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে।
‘রৌমারী-তুরা স্থল বন্দর সড়ক নির্মাণ’ প্রকল্পটিতে ব্যয় হবে ৩৫ কোটি ৭ লাখ টাকা। সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের আওতায় সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর এ প্রকল্প বাস্তবায়ন করবে।
‘হেলথ, পপুলেশন অ্যান্ড নিউট্রিশন সেক্টর ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রাম (এইচএনপিএসপি (সংশোধিত)’ প্রকল্পটির ব্যয় বাড়িয়ে করা হয়েছে ৫১ হাজার ৮২কোটি ৪১ লাখ টাকা। ২০১১ থেকে জুন থেকে বাস্তবায়নে যাওয়া প্রকল্পটির কার্যক্রম শেষ হবে ২০১৬ সালে।
পুকুর ও ধান ক্ষেতে কুচিয়া ও কাঁকড়া চাষ ও গবেষণার জন্য ৩৬ কোটি ২৪ লাখ টাকার ‘বাংলাদেশের নির্বাচিত এলাকায় কুচিয়া ও কাঁকড়া চাষ ও গবেষণা’ প্রকল্প হাতে নেয়া হয়েছে। বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট ফেব্রুয়ারি ২০১৫ থেকে জানুয়ারি ২০১৮ মেয়াদে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে।
একনেক বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত, শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু, বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ, কৃষিমন্ত্রী বেগম মতিয়া চৌধুরী, নৌ মন্ত্রী শাজাহান খান, অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী এম.এ. মান্নান প্রমুখ।