প্রতি বছরের মতো এ বছরও ধর্মপ্রাণ মুসলিমরা সিয়াম সাধনের মাধ্যমে রমজান মাস পালন করছেন। বুধবার (৪ মার্চ) ১৪তম রোজা পালন করছেন তারা। ইতিমধ্যে সরকার ৫ দিনের ঈদুল ফিতরের সরকারি ছুটি ঘোষণা করেছে। তবে ছুটি বৃদ্ধির বিষয়ে আলোচনা চলছে।
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, ছুটি বৃদ্ধির প্রস্তাব ইতিমধ্যেই মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে পাঠানো হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) মন্ত্রিসভা বৈঠকে ঈদের ছুটি বাড়ানোর বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসার সম্ভাবনা রয়েছে।
সরকার ঘোষিত ছুটির তালিকা অনুযায়ী, ২১ মার্চ ঈদুল ফিতর হলে ওই দিন সাধারণ ছুটি থাকবে। এছাড়া ১৯ ও ২০ মার্চ ঈদের আগে এবং ২২ ও ২৩ মার্চ ঈদের পরে নির্বাহী আদেশে ছুটি নির্ধারণ করা হয়েছে। ফলে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ১৯ থেকে ২৩ মার্চ পর্যন্ত টানা পাঁচ দিনের ছুটি পাবেন। তবে নতুন করে ছুটি আরও দুদিন বাড়ানো হতে পারে।
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ঈদে ঘরমুখো মানুষের ভোগান্তি কমাতে ছুটি বাড়ানোর প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। ছুটি দীর্ঘ হলে মানুষ পর্যায়ক্রমে বাড়ি যেতে পারবেন, এতে একসঙ্গে অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি হবে না। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত মন্ত্রিসভা নেবে।
আরও পড়ুন
শেখ হাসিনাকে ফেরাতে নতুন করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে: চিফ প্রসিকিউটর
গত বছর ঈদে ছুটি বেশি থাকায় ঈদযাত্রা তুলনামূলকভাবে নির্বিঘ্ন ও স্বস্তিদায়ক হয়েছিল। এই অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে সড়ক পরিবহন, সেতু, রেলপথ ও নৌপরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম জানিয়েছেন, আসন্ন ঈদযাত্রা আরও স্বস্তিদায়ক করতে সরকার ছুটি বাড়ানোর বিষয়ে বিবেচনা করবে।

