রমজানে স্বাভাবিকভাবেই দুপুর থেকে রাজধানীর সব সড়কে যাত্রীচাপ বাড়ে। ধীরে ধীরে তা যানজটে রূপ নেয়। একই চিত্র দেখা যায় মেট্রোরেলেও।
ইফতারের আগে রাজধানীর কারওয়ান বাজার মেট্রোরেল স্টেশনে ঢুকতে যাত্রীদের দীর্ঘ লাইন দেখা গেছে। মেট্রোতে উঠতে যাত্রীদের অপেক্ষা ছিল দীর্ঘ সময়ের। এমনকি যাত্রীদের কেউ কেউ স্টেশনে অপেক্ষা করে দু-তিনটি ট্রেনে উঠতে না পেরে পরের ট্রেনে উঠেছেন।
মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে কারওয়ান বাজার মেট্রো স্টেশন ঘুরে এমন চিত্রই দেখা গেছে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, কারওয়ান বাজার থেকে মিরপুরের দিকে যেতে মেট্রো স্টেশনে যাত্রীদের দীর্ঘ লাইন। রোজার দিনে অফিস শেষে বাসায় ফেরার তাড়া—এমন জটলার কারণ বলে জানিয়েছেন যাত্রীরা।
তারা বলছেন, সবারই সময় মতো বাসায় ফেরার তাড়া থাকে। সব মানুষ একসঙ্গে মেট্রোতে ওঠায় এমন দীর্ঘ লাইন হয়। স্টেশনে প্রবেশ করতে টিকিট পাঞ্চের লাইন পর্যন্ত আসতে যাত্রীদের ১০ থেকে ১৫ মিনিটের মতো অপেক্ষা করতে হচ্ছে। টিকিট পাঞ্চ করে প্ল্যাটফর্মে ট্রেনের জন্য দাঁড়াতে হচ্ছে দীর্ঘ লাইনে। কোনো কোনো সময় দুটি ট্রেন চলে গেলেও যাত্রীরা উঠতে পারছেন না। পরেরটির জন্য অপেক্ষা করছেন।
মেট্রোর নিয়মিত যাত্রী রানা। কারওয়ান বাজারে তার অফিস। বাসা মিরপুর শেওড়াপাড়ায়। কথা হলে তিনি জাগো নিউজকে বলেন, রোজার দিনে মেট্রোতে বিকেলে এমন ভিড় থাকছে। অপেক্ষা করে দু-তিনটি মেট্রো গেলেও ওঠা যায় না। তবে মাঝে মধ্যে ফাঁকা মেট্রোরেল আসে। তখন অপেক্ষারত সবাই উঠতে পারেন। আবার পরক্ষণেই একই অবস্থা তৈরি হয়। যাত্রীতে ঠাসা থাকে মেট্রো। অন্য স্টেশনগুলোর তুলনায় এখানে সবসময়ই চাপ বেশি থাকে।
আরেক যাত্রী ফাহিম রহমান বলেন, ইফতারের আগে মেট্রোতে প্রতিদিনই এমন ভিড় থাকে। সবাই সময় মতো বাসায় ফিরবে বলে মেট্রো বেছে নেয়।
তবে ফিরতি পথে ফার্মগেট, বিজয় সরণি, আগারগাঁও, শেওড়াপাড়ায় যাত্রীদের তেমন ভিড় লক্ষ্য করা যায়নি। মতিঝিলগামী মেট্রোরেলগুলোতেও যাত্রীচাপ কম। তবে মতিঝিল থেকে কারওয়ান বাজার হয়ে মিরপুরগামী প্রতিটি মেট্রোতে পা ফেলার ঠাঁই নেই।

