ঢাকাWednesday , 11 February 2026
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

সাবেক গৃহায়ণ ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী আব্দুল মান্নান খান মারা গেছেন

Link Copied!

সাবেক গৃহায়ণ ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট আব্দুল মান্নান খান ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।

মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন আব্দুল মান্নান খান। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৭৩ বছর। দীর্ঘদিন ধরে তিনি বার্ধক্যজনিত বিভিন্ন জটিলতায় ভুগছিলেন বলে পারিবারিক সূত্রে জানানো হয়েছে।

তার ছোট ছেলে হাসিব মাহমুদ খান অনিন্দ্য মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে বাবার রুহের মাগফিরাত কামনায় দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন।

পারিবারিক সূত্র জানায়, ব্রেন স্ট্রোক করার পর কিছুদিন আগে তাকে স্কয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে আইসিইউতে এবং পরে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়েছিল। চিকিৎসকদের ভাষ্য অনুযায়ী, মঙ্গলবার দুপুরে লাইফ সাপোর্টে থাকা অবস্থায় তার কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট হয় এবং সন্ধ্যায় তিনি মারা যান।

আব্দুল মান্নান খান ছাত্রজীবন থেকেই রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তিনি ছাত্র ইউনিয়নের কেন্দ্রীয় সভাপতি ছিলেন। পরে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে যুক্ত হয়ে তিনবার দপ্তর সম্পাদক এবং দুই মেয়াদে সভাপতিমণ্ডলী ও উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি ঢাকা-১ (দোহার–নবাবগঞ্জ) আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ওই মেয়াদে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। দায়িত্বকালে দোহার ও নবাবগঞ্জ এলাকায় শিক্ষা, যোগাযোগ ও অবকাঠামো উন্নয়নে ভূমিকা রাখেন।

একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মান্নান খান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলা সাহিত্যে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর এবং এলএলবি ডিগ্রি অর্জন করেন। পরে রাশিয়ার মস্কো কসমল ইনস্টিটিউট থেকে পলিটিক্যাল ইকোনমি ও বিশ্ব রাজনীতিতে উচ্চতর ডিগ্রি নেন। পেশাগত জীবনে তিনি সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশনের সহ-সভাপতি এবং রাশিয়া–বাংলাদেশ মৈত্রী সমিতির সভাপতি ছিলেন।

তার মৃত্যুতে দোহার ও নবাবগঞ্জসহ রাজনৈতিক অঙ্গনে শোক প্রকাশ করা হয়েছে। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, দুই ছেলে ও অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।