ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের সাবেক স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের ব্যবসায়ীক পার্টনার ও ডোনার এবং জুলাই গণহত্যা মামলার আসামি সমবায় মাফিয়া আগষ্টিন পিউরিফিকেশন দি কোঅপারেটিভ ক্রেডিট ইউনিয়ন লীগ অব বাংলাদেশ ( কালব) লিমিটেড এ পাতানো নির্বাচনের আয়োজন করেছে বলে জানা গেছে। আর এই প্রহসনের নির্বাচন আয়োজনে সহযোগিতা করছেন সমবায় অধিদপ্তরের অতিরিক্ত নিবন্ধক (অডিট ও আইন) নবিরুল ইসলাম ও ঢাকা বিভাগীয় যুগ্ম নিবন্ধক এবং পাতানো নির্বাচন আয়োজন কমিটির সভাপতি মোঃ কামরুজ্জামান। এই অপকর্মে নিরব সমর্থন দিয়ে যাচ্ছেন সমবায় অধিদপ্তরের মহাপরিচালক।
একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র জানিয়েছে, সমবায় মাফিয়া কালবের দখলদার চেয়ারম্যান আগষ্টিন পিউরিফিকেশন পাতানো নির্বাচনের জন্য কমিটি আনার জন্য এক কোটি টাকা খরচ করেছেন। অতিরিক্ত নিবন্ধক নবিরুল ইসলাম এর ছেলেকে অষ্ট্রেলিয়া পাঠানোর জন্য আগষ্টিন ৫০ লাখ টাকা দিয়েছেন। অন্যদিকে যুগ্ম নিবন্ধক কামরুজ্জামানকে ২০ লাখ টাকা ঘুষ দিয়েছেন এবং তার মেয়ে কে হলিক্রস স্কুলে ভর্তি করিয়ে দিয়েছেন। কালবের অবৈধ চেয়ারম্যান এর ঘুষের টাকা গেছে খোদ নিবন্ধকের পকেটেও। আগষ্টিনের ঘুষ আর উপঢৌকনের সুবাদে আদালতের নিষেধাজ্ঞা ও আইন বিধি লঙ্ঘন করে জাতীয় নির্বাচনে ৬ দিন আগে তথা ১২ ফেব্রুয়ারি আগষ্টিনের ছক অনুযায়ী নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেছে। জাতীয় নির্বাচনের আগে সরকার সবধরনের নিবাচনিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ করলে, আবার আগষ্টিনের ছক অনুযায়ী পকেট নির্বাচন কমিটি ১৪ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করেছে।
কালব সূত্রে জানা গেছে, কালবের অতীতের নির্বাচন সমবায় অধিদপ্তর, কালব রিসোর্টে অথবা নিরপেক্ষ কোন স্থানে অনুষ্ঠিত হয়েছে। কিন্তু এবার অতীতের নজির ভঙ্গ করে খ্রীষ্টান সম্প্রদায়ের স্থাপনা বটমলী হোমসে নির্বাচন আয়োজনের ব্যবস্থা করেছে। কালবের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্য মুসলিম হওয়া সত্ত্বেও খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের স্থাপনায় নির্বাচনের আয়োজনের উদ্যোগে কালবের সদস্যদের মধ্যে নানা সন্দেহের সৃষ্টি হয়েছে। কালবের অভিজ্ঞ ডেলিগেটদের মতে, মাফিয়া আগষ্টিন পেশি শক্তি প্রয়োগ করে তার অনুগত নির্বাচন কমিটির মাধ্যমে নিজের অনুকূলে ফলাফল নিয়ে নিবেন।
সূত্র দাবি করেছে, নির্বাচন কমিটি নিয়ে যে সন্দেহ ছিল, তা বাস্তবেও প্রতিফলন ঘটেছে। সমবায় আইন ও বিধি অনুযায়ী আগষ্টিন পিউরিফিকেশনসহ তার প্যানেলের সকলের প্রার্থিতা অবৈধ। অথচ আগষ্টিনের বগলদাবা নির্বাচন কমিটি আগষ্টিনের প্যানেলের প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র বাতিল না করে, উল্টো তার বিরুদ্ধ প্যানেলের সেক্রেটারিসহ একাধিক প্রার্থীর মনোনয়নপত্র ঠুনকো কারণ দেখিয়ে বাতিল করে দিয়েছে।
প্রাপ্ত তথ্যমতে, দি কো-অপারেটিভ ক্রেডিট ইউনিয়ন লীগ অব বাংলাদেশ লিঃ (কাল্ব) ব্যবস্থাপনা কমিটি নির্বাচনের বৈধ ও বাতিলকৃত প্রার্থীর তালিকা গত ১৫/০১/২০২৬ তারিখে প্রকাশিত হয়েছে। উক্ত তালিকা অনুযায়ী কাল্বের বর্তমান ব্যবস্থাপনা কমিটিতে দায়িত্ব পালনকারী চেয়ারম্যান আগস্টিন পিউরিফিকেশনসহ সকল প্রার্থীর প্রার্থীতা বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। বৈধ প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছেন চেয়ারম্যান পদে আগস্টিন পিউরিফিকেশন, আওয়ামী লীগ নেত্রী ও জুলাই গণহত্যা মামলার আসামী ভাইস-চেয়ারম্যান পদে লায়লা আখতার মোত্তালেব, সেক্রেটারি পদে নরেশ চন্দ্র বিশ্বাস, ট্রেজারার পদে জিল্লুর রহমান এবং ডিরেক্টর পদে শেখ সহিদুল ইসলাম, মনিকা মুন্সি, রতন চন্দ্র রায়, মোঃ সাইফুদ্দিন আহাম্মেদ ও উত্তম কুমার দে। সমবায় বিশেষজ্ঞদের মতে, সমবায় সমিতি আইন-২০০১ এর ১৭(৬) ধারা অনুযায়ী উপরোক্ত প্রার্থীদের প্রার্থীতা অবৈধ।
কেননা, ”আইন ও বিধি অনুযায়ী যথাসময়ে সাধারণ সভা আয়োজন করতে ব্যর্থ হলে, সে ব্যর্থতার জন্য দায়ী ব্যবস্থাপনা কমিটির সংশ্লিষ্ট সদস্য/সদস্যগণ ঐ সমবায় সমিতির ব্যবস্থাপনা কমিটির পরবর্তী নির্বাচনে ৩ (তিন) বছরের জন্য সদস্য হওয়ার ক্ষেত্রে অযোগ্য হবেন।”
আবার যথাসময়ে সাধারণ সভা আয়োজনের বিষয়ে সমবায় সমিতি আইন-২০০১-এর ১৭(৩) ধারায় বলা আছে- “প্রত্যেক সমবায় সমিতির বার্ষিক সাধারণ সভা উহার নিরীক্ষা কাজ সম্পন্ন হইরার ৬০ (ষাট) দিনের মধ্যে নির্বারিত পদ্ধতিতে অনুষ্ঠিত হইবে।” সুতরাং অডিট সম্পাদনের পর নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বার্ষিক সাধারণ সভা সম্পন্ন করা বাধ্যতামূলক। কিন্তু কাল্বের ক্ষেত্রে নির্ধারিত সময়ে বার্ষিক সাধারণ সভা সম্পন্ন হয়নি এবং সময়বৃদ্ধির বৈধ আদেশ (থাকলে) তা রেকর্ডে প্রতীয়মান নয়।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানাগেছে, কালবের ২০২৩-২০২৪ অর্থ বছরের অডিট সম্পাদিত হয়েছে ২০২৫ এর এপ্রিল মাসের শেষে বা মে প্রথম সপ্তাহে। এজিএম পরবর্তীতে বার্ষিক সাধারণ সভা আয়োজনের তারিখ নির্ধারিত হয় ১৫ মে, ২০২৫ তারিখে। মহামান্য সুপ্রীম কোর্টের হাইকোর্ট ডিভিশনে দায়েরকৃত রীট নং ৭৬৭৭ দায়ের করা হয় ১৩/০৫/২০২৫ তারিখে এবং রীটটি ১৫/০৫/২০২৫ তারিখে স্থগিত করা হয়। অন্যদিকে রীট নং ৭৬৭৬ দায়ের করা হয় ১৩/০৫/২০২৫ এবং ০৪/০৬/২০২৫ তারিখে স্থগিত করা হয়। একইভাবে রীট নং ৭৯৬০ দায়ের করা হয় ১৪/০৫/২০২৫ তারিখে এবং ১২/০৬/২০২৫ তারিখে রীটের আদেশ স্থগিত করা হয়। সুতরাং সকল রীট স্থগিতের পরে ৬০ দিনের মধ্যে বার্ষিক সাধারণ সভা সম্পন্ন করা সম্ভব ছিল। ব্যবস্থাপনা কমিটি সমবায় সমিতি আইন, ২০০১-এর ধারা ১৭(৩) ধারা মোতাবেক বার্ষিক সাধারণ সভা সম্পাদন করতে ব্যর্থ হয়েছেন বিধায় সমবায় সমিতি আইন, ২০০১ এর ১৭(৬) ধারা অনুযায়ী উক্ত প্রার্থীদের প্রার্থীতা অবৈধ।
অন্যদিকে, মহামান্য সুপ্রীম কোর্টের হাইকোর্ট ডিভিশনের স্থগিতাদেশ চলমান অবস্থায় সাধারণ সভা কার্যক্রম স্থগিত থাকার কথা; এমতাবস্থায় “ বার্ষিক সাধারণ সভা চলমান রেখে মুলতবি সভা” দেখানো আইনগতভাবে অসঙ্গত। কেননা মহামান্য সুপ্রীম কোর্টের হাইকোর্ট ডিভিশনের স্থগিতাদেশ চলমান অবস্থায় বার্ষিক সাধারণ সভা করা বা বার্ষিক সাধারণ সভা শুরু করে মূলতবী করা কোনটাই আইনসিদ্ধ নয় এবং আদালতের আদেশ অবমাননার শামিল। সমবায় সমিতি বিধিমালা, ২০০৪-এর বিধি ১৭(২) অনুযায়ী কেবল কোরাম পূরণ না হলে সভা মুলতবি হয়। কিন্তু কোরাম পূর্ণ থাকা সত্ত্বেও মুলতবি দেখানো বিধি পরিপন্থী। অন্যদিকে বিধি ১৭(২) মোতাবেক মুলতবি সভা ১৫ (পনের) দিনের মধ্যে করতে হয়। কিন্তু তা করা হয়নি; ফলে “মুলতবি সভা” আইনগতভাবে গ্রহণযোগ্য নয়। মহামান্য সুপ্রীম কোর্টের হাইকোর্ট ডিভিশনের স্থগিতাদেশ উঠে যাওয়ার পরে আইন ও বিধি অনুযায়ী নতুন করে বার্ষিক সাধারণ সভা আহ্বান/সম্পন্ন করার বাধ্যবাধকতা ছিল; কিন্তু তা করা হয়নি। যে কারনে আইনগতভাবে বার্ষিক সাধারণ সভা বৈধ হয়নি। বৈধভাবে বার্ষিক সাধারণ সভা সম্পন্ন না করেই নির্বাচন/মনোনয়ন বৈধ করা নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করে এবং বার্ষিক সাধারণ সভা আইনানুগভাবে সম্পন্ন না করে মুলতবি দেখিয়ে মনোনয়ন বৈধ করা হলে নির্বাচন প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও আইনগত বৈধতা নষ্ট হয় বলে সংশ্লিষ্ট মহল মনে করছেন।
সমবায় বিশেষজ্ঞদের মতে, মূলতবী সভা দেখানোর পরে কোন ধরণের নোটিশ না দিয়ে ডেলিগেটদের মতবিনিময় সভায় মৌখিকভাবে/টেলিফোনে আমন্ত্রণ জানিয়ে মতবিনিময় সভার মাঝখানে ব্যানার পরিবর্তন করে মূলবতী সভা করা হয়েছে ১৯/০৭/২০২৫ তারিখে। মূলতবী সভার নোটিশও কোন ক্রেডিট ইউনিয়নকে দেওয়া হয়নি। আদালতের স্থগিতাদেশ থাকা অবস্থায় বার্ষিক সাধারণ সভা শুরু করা এবং কোরাম সংকটের কারণ ব্যতীত বার্ষিক সাধারণ সভা মুলতবি করা এবং নোটিশ বা ঘোষণা না দিয়ে মতবিনিময় সভার মাঝে মূলতবী সভার কার্যক্রম দেখিয়ে বার্ষিক সাধারণ সভা দেখানো করা কোনোটাই আইনসিদ্ধ নয়।
সমবায় আইন ও বিধি অনুযায়ী, সমবায় সমিতি আইন, ২০০১-এর ধারা ১৭(৬) অনুযায়ী যথাসময়ে সাধারণ সভা করতে ব্যর্থ হলে তজ্জন্য দায়ী কমিটির সদস্যগণ পরবর্তী নির্বাচনে ৩ (তিন) বছরের জন্য অযোগ্য বিধায় বর্তমানে দায়িত্ব পালনকারী ব্যবস্থাপনা কমিটির যে সকল সদস্য নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন (চেয়ারম্যান পদেআগস্টিন পিউরিফিকেশন, ভাইস-চেয়ারম্যান পদে লায়লা আখতার মোত্তালেব, সেক্রেটারি পদে নরেশ চন্দ্র বিশ্বাস, ট্রেজারার পদে জিল্লুর রহমান এবং ডিরেক্টর পদে শেখ সহিদুল ইসলাম, মনিকা মুন্সি, রতন চন্দ্র রায়, মোঃ সাইফুদ্দিন আহাম্মেদ ও উত্তম কুমার দে) তাদের মনোনয়ন সমবায় সমিতি বিধিমালা, ২০০৪ (সংশোধিত, ২০২০) ২৮(১)(ক) বিধি মোতাবেক সম্পূর্ণ অবৈধ ।
জানাগেছে, সমবায় আইন ও বিধিমালা ১৭ (১) অনুযায়ী সমবায় বছরে কালব একবার বার্ষিক সাধারণ সভা করবে। কিন্তু বিগত অর্থ বছরে বৈধ ৩৮ তম বার্ষিক সাধারণ সভা করতে পারে নাই। কিন্তু বিভিন্নভাবে এ বিষয় নিয়ে শঠতা ও চালাকির আশ্রয় নিয়েছে মাফিয়া আগষ্টিন।
১৫ মে ২০২৫ কক্সবাজারে মহামান্য হাইকোর্টের রীট নং ৭৬৭৬/২০২৫ এর কারণে কক্সবাজারের ডিসি কর্তৃক মিটিং ভেন্যু সীল গালা করা হয়। যে কারণে বার্ষিক সাধারণ সভা করতে পারনি। ২০২৫ এর কোরবানী ঈদের ছুটির শুরুর মূহুর্তে ৭ দিনের নোটিশ দিয়ে আগস্টিন গং মুলতবী সভা করতে চেয়েছিলো ১২ জুন ২০২৫ তারিখে কিন্তু রীট নং ৭৯৬০/২০২৫ এর কারণে ১১ তারিখ সন্ধ্যায় গাজীপুর ডিসির আদেশে এজিএম বা মুলতবী বার্ষিক সাধারণ সভা করতে পারেনি।
১৮ জুলাই ২০২৫ তারিখে কালব ডেলিগেটদের ঢাকায় ডেকে এনে মত বিনিময় সভা করলো। তার মাঝে ব্যানার বদল করে মুলতবি সভার ব্যানার টাংগালো। কালব ডেলিগেটদের প্রশ্ন এতেই কি একটা কেন্দ্রীয় সমিতির বার্ষিক সাধারণ সভা হয়ে গেলো এবং প্রহসনের এই ব্যানার বদলকে সফলভাবে বার্ষিক সাধারণ সভা করার সমর্থন দিচ্ছে নির্বাচন কমিটি এবং তার প্রধান কামরুজ্জামান। তিনি সংশ্লিষ্ট সমিতির বার্ষিক সাধারণ সভা নিয়ে ঝিলাম (সেক্রেটারী পদপ্রার্থী), আমিরুল (সেক্রেটারী পদপ্রার্থী), লতা বিশ্বাস (ঢাকা ডিরেক্টর পদপ্রার্থী) সমবায় আইন ১৭ (৬) দিয়ে বাদ দেয়ার জন্যে এখনো চেষ্টা করে যাচ্ছে। কিন্তু কালব এর ব্যবস্থাপনা পরিষদের উপর ১৭ (৬) নিয়ে কোনো কথা না বলে আগস্টিন পিউরিফিকেশন গং দের পক্ষ নিয়েছেন বলে কালবের ডেলিগেটগণ অভিযোগ করছেন।
অন্যদিকে ২৮ ডিসেম্বর ২০২৫ সন্ধ্যায় কামরুজ্জামান কালব নির্বাচন কমিটির প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পাওয়ার পর ২০ ঘন্টার মধ্যে দ্রুত নির্বাচনী তফসিল ঘোষনা করেন।
অথচ এই কামরুজ্জামানই গত ১৩/০৮/২০২৪ তারিখে কালবের এডহক কমিটির দায়িত্ব পাওয়ার পরও কালবে যাননি। এডহক কমিটির উপর নিষেধাজ্ঞা আসে ২২/০৮/২০২৪ তারিখে। অথচ আগস্টিন পিউরিফিকেশন গং দের ১০ দিন সময় দেন কালব এর দখল নেয়ার জন্যে। এখন নতুন ভাবে সমবায় অধিদপ্তর এর ঢাকার বিভাগীয় যুগ্ম নিবন্ধক কামরুজ্জামান ছল চাতুরির আশ্রয় নিয়ে সবাইকে বাদ করিয়ে দিয়ে আগস্টিন-কে কালব নির্বাচনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিজয়ী করানোর জন্যে প্রাণপন চেষ্টা করছেন বলে কালবের ডেলিগেটরা অভিযোগ করছেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, কালব এর অবৈধ চেয়ারম্যান আগষ্টিন পিউরিফিকেশন বিগত ৩বছরে বিভিন্ন প্রক্রিয়ায় কালব থেকে প্রায় ৫০০ কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। লুটপাটের কালো টাকা নিয়ে নেমেছেন নির্বাচন করতে । লুটপাটের কালো টাকা দিয়ে নিয়েছেন পকেট নির্বাচন কমিটি। টাকা দিয়ে কালবের সদস্য সমিতির কমিটি ম্যানেজ করে অভিজ্ঞ ও শিক্ষিত ডেলিগেটদের ডেলিগেটশীপ বাতিল করে দিয়েছেন আন্ডার মেট্রিক আগষ্টিন পিউরিফিকেশন। ভোটার প্রতি পাঁচ লাখ টাকা দিয়ে ভোট কেনার উদ্যোগ নিয়েছেন বলে নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা গেছে।

