নিজস্ব প্রতিবেদক: তখনো জাতীয় স্মৃতিসৌধ প্রাঙ্গণ বেশ কিছুটা দূরে। কিন্তু মানুষের উপচে পড়া ঢলে মনে হচ্ছে এই তো চলে এলাম বোধহয়! গাড়ির জানালা দিয়ে মুখ বের করতেই দেখা মিললো এক অভাবনীয় দৃশ্যের। জাতীয় ম্মৃতিসৌধ ও এর আশেপাশের এলাকার পুরোটাই যেন জাতীয় পতাকা! লাল-সবুজ পোশাক আর হাতে-মাথায় জাতীয় পতাকা সম্মিলিত মানুষের ঢল যেন সেটাই বলছিল। সবাই প্রতিক্ষা করছিল কখন ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানাবেন বীর শহীদদের প্রতি।
ভোরের আলো ফুটতেই তপধ্বনির মধ্য দিয়ে শুরু হয় স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসের আনুষ্ঠানিকতা। শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী চলে যান। এরপরেই সুগম হয় সাধারণ মানুষের আগমনের পথ। তীব্র রোদকে উপেক্ষা করে একাত্তরের শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানায় তারা। হৃদয়ের সবটুকু ভালোবাসা আর শ্রদ্ধা দিয়ে স্মরণ করে সেই সব মায়েদের যাদের হিমালয়সম আত্মত্যাগে আজ আমরা স্বাধীন।
এদিকে, লাল-সুজের মিলনমেলায় বার বার ধ্বনিত হচ্ছিল যুদ্ধাপরাধীদের বিচার কার্যকরের দাবি। সবার মুখে ছিলো একটাই স্লোগান- ‘একাত্তরে হয়নি সাজা, মুক্তিযুদ্ধ হয়নি শেষ/ গর্জে ওঠো বীর বাঙালী, গর্জে ওঠো বাংলাদেশ’।

