আন্তর্জাতিক ডেস্ক: মঙ্গলবার ১৫০ আরোহী নিয়ে আলপ্স পর্বতমালার দুর্গম অঞ্চলে একটি জার্মান বিমান ভূপাতিত হয়। বুধবার ফরাসী তদন্তকারী দল আলপ্স পর্বতশ্রেণিতে অবতরণ করেছে। খুঁটিয়ে পর্যবেক্ষণ করছে ভূপাতিত বিমানটির ধ্বংসাবশেষগুলো। বিমানের সব ক’জন মারা গেছেন। মৃতদের ভেতর ছিলেন ১৬ জন কিশোর-কিশোরী, তারা স্পেনে এক শিক্ষাসফর শেষে জার্মানিতে ফিরে যাচ্ছিলেন।
বিমানের মডেল, গন্তব্য ও উঠে আসা তথ্য: জার্মান বিমানসংস্থা লুফথানসার অঙ্গসংগঠন জার্মানউইংস-এর এ৩২০ বিমানটি আলপ্স পর্বতামালা বেষ্টিত দুর্গম র্যাভাইন অঞ্চল অতিক্রম করার সময় ভূপাতিত হয়। এটি স্পেনের বার্সেলোনা থেকে জার্মানির ডুয়েসেলডর্ফ যাচ্ছিল। ফরাসী পুলিশ সদস্যদের একটি দল ইতোমধ্যে বিমানটির ভূপাতিত হওয়ার স্থল পরিদর্শন করেছে।
তাদের অভিযান থেকে ইতোমধ্যেই গুরুত্বপূর্ণ কিছু তথ্য পাওয়া গেছে। জানা গেছে বিমানের ব্লাকবক্সের দুই অংশের একটি পাওয়া গেছে। কিন্তু এটি চূর্ণ হয়ে গেছে। তারপরও তথ্য উদ্ধার করা যাবে বলে মত প্রকাশ করেছে বিশেষজ্ঞ দল। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ৬০০০ ফুট ওপরে ব্লাকবক্সের একাংশের সন্ধান মিলেছে। জানামতে, দুর্ঘটনার কারণটি ছিল অত্যন্ত আকস্মিক কিছু, যে কারণে জরুরী সাহায্য চেয়ে কোনো বার্তা পাঠানোর মতো সময়ও মেলেনি। এ৩২০ থেকে কোন ডিসট্রেস কল আসেনি।
ফরাসী স্বারাষ্ট্রমন্ত্রী যা বললেন: ফ্রান্সের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বার্নার্দ ক্যাজেনুয়েভ আশা প্রকাশ করেছেন, শিগগিরেই বিমানটি ভূপাতিত হওয়ার কারণ জানা সম্ভব হবে। তার কথা থেকে জানা যায়, প্রায় দেড় হেক্টর জায়গা জুড়ে বিমানের ধ্বংসাবশেষ ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে। সুতরাং একে কাছাকাছিই বলা যায়। যে কারণে বাতাসে ওড়ার সময়ই কোনো সন্ত্রাসী হামলায় এটি বিধ্বস্ত হতে পারে, এমন মনে করা যাচ্ছে না। এটি মাটির সংস্পর্শে আসার পরই বিধ্বস্ত হয়ে থাকবে।
সংবাদ সম্মেলন: ফরাসী সিভিল এভিয়েশনের তদন্তকারীরা বুধবার বিকেলে এক সংবাদ সম্মেলন আয়োজন করে গণমাধ্যমকে তদন্তের অগ্রগতি সম্পর্কে অবহিত করবেন।

