নিজস্ব প্রতিবেদক: একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় জামালপুরের আটজনের বিরুদ্ধে চূড়ান্ত তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিয়েছে প্রসিকিউশন।
বুধবার তদন্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ মতিউর রহমান ট্রাইব্যুনালের রেজিস্টার মোস্তাফিজুর রহমান বরাবর ১৯৬ পৃষ্টার তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেন।
এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন প্রসিকিউটর তাপস কান্তি বল। মানবতাবিরোধী অপরাধে অভিযুক্ত জামালপুরের আটজনের বিরুদ্ধে হত্যা, গণহত্যা, গুম, নির্যাতন, অপহরণ ও অগ্নিসংযোগসহ ১০ ধরনের অপরাধের অভিযোগ পাওয়া গেছে।
এই মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে ১৯৬ পৃষ্টার দালিলিক প্রমাণসহ মোট ৪০ জনকে সাক্ষীর তালিকায় রাখা হয়েছে। আসামিদের বিরুদ্ধে ১৯৭১ সালে ২২ এপ্রিল থেকে ১১ ডিসেম্বর পর্যন্ত সংগঠিত অপরাধ উপস্থাপন করা হয়েছে। এ আসামিরা একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে জামালপুর জেলায় প্রায় দশ হাজার মানুষকে হত্যা, ৫০ হাজার বাড়িঘর ধ্বংসসহ প্রায় ১২ কোটি টাকা ক্ষতিসাধনের অভিযোগ রয়েছে বলে তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।
এদিকে আট আসামির মধ্যে দু’জনকে ইতোমধ্যে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- জামালপুর শহরের নয়াপাড়া এলাকার অ্যাডভোকেট শামসুল হক, সিংহজানি বালক বিদ্যালয়ের শিক্ষক এসএম ইউসুফ আলী। বাকিরা পলাতক রয়েছে বলে জানা গেছে। পলাতক আসামিরা হলেন- অধ্যাপক শরীফ আহমেদ অরফে শরীফ হোসেন, মোহাম্মদ আব্দুল বারী, মোহাম্মদ আবুল কাসেম, মোহাম্মদ আশরাফ হোসেন ও হারুন।

