ঢাকাWednesday , 25 March 2015
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

যে কৃষ্ণপক্ষ রাতে বাংলা হলো শ্মশান

Link Copied!

26-marchপাঞ্জেরী ডেস্ক: পশ্চিম আকাশে হেলে পড়লো তপ্ত সূর্য। ঘড়ির কাঁটায় তখন ৫টা বেজে চুয়াল্লিশ মিনিট। এর ঠিক এক মিনিট পর ঢাকার প্রেসিডেন্ট ভবন, যা বর্তমানে সুগন্ধা রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন হিসেবে পরিচিত, সেখান থেকে পাকিস্তানের রাষ্ট্রপতি রওনা হলেন ঢাকা বিমানবন্দরের দিকে। এর আগেই বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সঙ্গে ধারবাহিক বৈঠক ব্যর্থ হয়েছে। করাচি পাড়ি দেয়ার জন্য বিমানে উঠার আগে সেনাবাহিনীকে নির্দেশ দিলেন বাঙালি হত্যার।
রক্তপিপাসু পাক হানাদার বাহিনী নির্বিচারে রাতের অন্ধকারে ঝাঁপিয়ে পড়লো ঘুমন্ত-নিরস্ত্র বাঙালির ওপর। কৃষ্ণপক্ষ রাতে অন্ধকার বিলীন হলো অত্যানুধিক মরণাস্ত্রের আলোর ঝলকানিতে। সোনায় মোড়ানো বাংলা, এক রাতের ব্যবধানে পরিণত হলো শ্মশানে। রাতের আঁধারেই গ্রেপ্তার হলেন বাঙালির অবিসংবাদিত নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান।
আজ সেই ভয়াল ও বীভৎস ২৫ মার্চ। ১৯৭১ সালের আজকের এই দিনে বাংলার বুকে নেমে আসে মানবরূপী যমদূত। সেই যমদূত পাপ-পুণ্যের হিসাব না কষেই মুহূর্তেই স্তব্ধ করে দেয় বাঙালির হৃদস্পন্দন। ‘অপারেশন সার্চলাইট’ অভিযানের মধ্য দিয়ে শুরু হয় বাঙালির ওপর অত্যাচার, উৎপীড়ন, পাশবিকতা, নৃশংসতা আর হিংস্রতার অবর্ণনীয় বর্বর উল্লাস।
স্বাধীনতাকামী বাঙালির ওপর বর্বর পাক বাহিনী হিংস্র হায়েনার মতো ঝাঁপিয়ে পড়েছিল। পাক হানাদার বাহিনী পূর্বপরিকল্পিত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পূর্ণ সামরিক সম্ভার নিয়ে রাত ১০টা অতিক্রম হওয়ার সাথে সাথে শুরু করে সারা দেশব্যাপী পৃথিবীর ইতিহাসের জঘন্যতম হত্যাযজ্ঞ ও ধ্বংসলীলা। ইতিহাসের পাতা থেকে জানা যায়, ঢাকাসহ দেশের বিভিনস্থানে মাত্র এক রাতেই হানাদাররা নির্মমভাবে হত্যা করেছিল অর্ধ লক্ষাধিক ঘুমন্ত মানুষ।
ফিরে দেখা ২৫ মার্চ কালরাত
পৌনে ৬টার দিকে ইয়াহিয়া খানের ঢাকা ত্যাগ করার দুই ঘণ্টা পর থেকে শুরু হয় ‘অপারেশন সার্চলাইট’ সফল করার মিশন। সেনাদপ্তর থেকে জিপ, ট্যাঙ্ক বোঝাই দিয়ে সৈন্যসামন্তসহ অত্যাধুনিক সমরাস্ত্র নিয়ে পাক হানাদার বাহিনী ছড়িয়ে পড়তে শুরু করে পুরো ঢাকা শহরে। পূর্ব নির্ধারিত এ মিশনে তারা ছক অনুযায়ী পজেশন নিয়ে নেয়। গোলান্দাজ, সাঁজোয়া, পদাতিক- তিন বাহিনী থেকে বাছাই করা তিন ব্যাটেলিয়ন ঘাতক রাত ১০টা ৩৫ মিনিটে ঘিরে ফেলে ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেল (বর্তমানে বন্ধ রূপসী বাংলা হোটেল)। রিসেপশনে কালো বোর্ডে চকখড়ি দিয়ে একজন ‘বাচ্চা’ ক্যাপ্টেন লিখে দিল- বাইরে বেরুলেই গুলি। বিদেশি সাংবাদিকরা বেরোতে না পেরে রেডিও ধরলেন।
না কার্ফুর কোনো ঘোষণা ছিল না। বাইরের রাস্তায় ট্যাঙ্কের শব্দ। ছুটে সবাই বারো তলায় উঠলেন। মেশিনগানের গুলির শব্দে কানপাতা দায়। ভুট্টোর ঘরের দরজায় গিয়ে সবাই থমকে দাঁড়ালেন। কড়া পাহারা। কাঁচা ঘুমে জাগানো বারণ। ঢাকা-করাচি টেলিপ্রিন্টার লাইনও কেটে দেয়া হয়েছে। পুরো বিশ্ব থেকে ঢাকা বিচ্ছিন্ন। বন্ধ করে দেয়া হয়েছে বেতারের প্রচার। শুধু খুলে গেছে নরকের দরজা।
‘অপারেশন সার্চলাইট’ নামে হানাদার বাহিনীর সেই বর্বরোচিত হামলায় সবাই হতবাক হয়ে যায়। মধ্যরাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় ঢোকে ট্যাঙ্ক, সঙ্গে সেনাবোঝাই লরি। ইকবাল হল (বর্তমানে সার্জেন্ট জহুরুল হক হল) ও জগন্নাথ হলে মধ্যযুগীয় কায়দায় চলে পাকিস্তানি হানাদারদের নিষ্ঠুর হত্যাযজ্ঞ। রক্তের হোলিখেলায় মেতে ওঠে মানুষরূপী নরপিশাচরা। অসহায় নারী-পুরুষের মর্মান্তিক আর্তনাদে তখন কান পাতা দায়। চলল বর্বরোচিত নিধনযজ্ঞ আর ধ্বংসের উন্মত্ত তাণ্ডব। প্রতিটি রুমে রুমে ঢুকে পড়ে ঘুমন্ত ছাত্রদের গুলি করে হত্যা করে পাক জল্লাদরা। একে একে গুলি করে, বেয়নেট দিয়ে খুঁচিয়ে হত্যা করে জগন্নাথ হলের ১০৩ জন হিন্দু ছাত্রকে। হলের কর্মচারীদের কোয়ার্টারে ঢুকে তাদের স্ত্রী-সন্তানসহ পুরো পরিবারকে একে একে নির্মমভাবে হত্যা করে।
ওই রাতে মানুষরূপী হায়েনারা শুধু হত্যাতেই সীমাবদ্ধ রাখেনি নিজেদের বর্বরতাকে। পাক জান্তারা সেই রাতে বাবার সামনে মেয়েকে আর ছেলের সামনে মাকে ধর্ষণের পর হত্যা করে। কাউকে কাউকে তারা সেদিন বাঁচিয়ে রেখেছিল নিহতদের কবর খোঁড়ার কাজের জন্য। মাথায় বন্দুকের নল ঠেকিয়ে তাদের বাধ্য করে প্রিয়জনের কবর খুঁড়তে। তাদের দিয়েই একে একে সহপাঠীদের লাশ টানিয়ে এনে মাটিচাপা দিয়েছিল পাক সেনারা। তারপরও শেষ রক্ষা হয়নি। কাজ শেষে তাদের লাইন দিয়ে দাঁড় করিয়ে ব্রাশফায়ার করে মারা হয় তাদের। সেদিন রাতে একযোগে জগন্নাথ হল ছাড়াও ইকবাল হল, রোকেয়া হলে হায়েনার দল একে একে দানবের মতো হিংস্র থাবায় তছনছ করে দিয়েছিল।
পাক জান্তাদের কালো থাবা থেকে রক্ষা পাননি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরাও। ড. গোবিন্দচন্দ্র দেব, ড. জ্যোতির্ময় গুহঠাকুরতা, অধ্যাপক সন্তোষ ভট্টাচার্য, ড. মনিরুজ্জামানসহ বিভিন্ন বিভাগের নয় শিক্ষককে নিষ্ঠুরভাবে হত্যা করা হয়। হানাদাররা চলার পথে রাস্তার দুই পাশে ব্রাশফায়ার করে মেরে ফেলে অসংখ্য নিরীহ, গরিব মানুষকে। মেডিকেল কলেজ ও ছাত্রাবাসে গোলার পর গোলা ছুঁড়ে হত্যা করা হয় অজস্য মানুষকে। সেই রাতে রাজারবাগ পুলিশের সদর দপ্তরে পাকসেনাদের সাঁড়াশি অভিযানের মুখেও বাঙালি পুলিশ সদস ̈রা আত্মসমর্পণের বদলে রাইফেল তাক করে প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিল। কিন্তু শত্রুর ট্যাঙ্ক আর ভারি মেশিনগানের ক্রমাগত গুলির মুখে মুহূর্তেই গুঁড়িয়ে যায় সমস্ত প্রতিরোধ। গ্যাসোলিন ছিটিয়ে আগুনে ভস্মিভূত করা হয় পুলিশের সদর দপ্তর। ভয়াল সে রাতে ১১শ’ বাঙালি পুলিশের রক্ত ঝরিয়েও তারা ক্ষান্ত হয়নি। গুঁড়িয়ে দিয়েছিল পুরো ব্যারাক, জ্বালিয়ে দিয়েছিল সবকিছু।
শুধু নিষ্ঠুর ও বীভৎস হত্যাকাণ্ডই নয়, বাংলাদেশের স্বাধীনতার পক্ষে থাকা গণমাধ্যমও সেদিন রেহাই পায়নি জল্লাদ ইয়াহিয়ার পরিকল্পনা থেকে। শহরময় হত্যাযজ্ঞের পাশাপাশি মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে শক্তহাতে কলম ধরার কারণে প্রথমেই হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালের সামনে সাকুরা বারের পিছনের গলিতে থাকা পিপলস ডেইলি ও গণবাংলা অফিসে হামলা চালিয়ে গ্যাসোলিন ছিটিয়ে জ্বালিয়ে দেয়। এরপর একে একে দৈনিক সংবাদ, ইত্তেফাক, জাতীয় প্রেসক্লাবেও অগ্নিসংযোগ, মর্টার সেল ছুড়ে ধ্বংস্তূপে পরিণত করে পাক হানাদাররা। এ হামলায় জীবন দিতে হয় বেশ ক’জন গণমাধ্যম কর্মীকেও।
বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতার ঘোষণা
ঢাকার পরিস্থিতি খারাপ হতে থাকলে বঙ্গবন্ধুকে শুভাকাক্ষীরা তাকে বাসা ছেড়ে অন্যত্র আশ্রয় নেয়ার অনুরোধ করেন। তাঁর জন্য হেলিকপ্টারও প্রস্তুত রাখা হয়েছিল। কিন্তু বাঙালিদের নেতা বঙ্গবন্ধু তার অসামান্য রাজনৈতিক প্রজ্ঞার কারণে আগেই বুঝতে পেরেছিলেন, পাকিস্তানি বাহিনী তাকে না পেলে একজন বাঙালিকেও বাঁচতে দেবে না। কারণ, ওইদিন জাতির উদ্দেশে দেয়া এক ভাষণে ইয়াহিয়া বলেছিলেন, ‘মুজিব দেশের অখণ্ডতা ও নিরাপত্তার ওপর আঘাত হেনেছেন। এ অপরাধের জন্য তাকে শাস্তি পেতেই হবে। দেশের এই ভয়াবহ পরিস্থির জন্য আজ আমি দেশব্যাপী রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধ ঘোষণার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’ ২৫ মার্চ সন্ধ্যা রাতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব বলেন, ‘ইয়াহিয়া খান সমস্যা সমাধানের জন্য সামরিক ব্যবস্থা বেছে নিলেন আর এখানেই পাকিস্তানের সমাপ্তি হলো।’
রাত সোয়া ১টার দিকে ট্যাঙ্ক, সাঁজোয়া গাড়ি ও এক লরি সৈন্য বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ধানমণ্ডির ৩২ নম্বর বাড়ির দিকে এগিয়ে যায়। তারা গুলি ছুঁড়তে ছুঁড়তে বাড়ির ভেতরে প্রবেশ করে। অকুতোভয় বঙ্গবন্ধু পাথরের দেয়াল গড়ে বাড়ির দোতলার ঝুল বারান্দায় এসে দাঁড়ান। রাত ১টা ২৫ মিনিটের দিকে এ বাড়ির টেলিফোনের লাইন কেটে দেয়া হয়। আর বাঙালির স্বাধীনতার স্বপ্নকে চিরতরে নিভিয়ে দেয়ার জন্য বঙ্গবন্ধুকে গ্রেপ্তার করে নিয়ে যায় হায়েনার দল।
গ্রেপ্তার হওয়ার আগে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ইপিআরের গোপন ওয়ারলেস বার্তায় বলেন, ‘পাকিস্তানি সেনাবাহিনী আমাদের ওপর আক্রমণ চালিয়েছে। ছাত্র-জনতা-পুলিশ-ইপিআর শত্রুর বিরুদ্ধে সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তুলেছে। সশস্ত্র মুক্তি সংগ্রাম শুরু হয়েছে। আমি ঘোষণা করছি, আজ থেকে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ একটি স্বাধীন রাষ্ট্র। সর্বস্তরের নাগরিকদের আমি আহ্বান জানাচ্ছি, আপনারা যে যেখানে যে অবস্থাতেই থাকুন, যার যা আছে তাই নিয়ে দখলদার বাহিনীর বিরুদ্ধে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ না করা পর্যন্ত প্রতিরোধ গড়ে তুলুন। সম্মিলিতভাবে শত্রুর মোকাবেলা করুন। এই হয়তো আপনাদের প্রতি আমার শেষ বাণী হতে পারে। আপনারা শেষ শত্রুটি দেশ থেকে বিতাড়িত না করা পর্যন্ত সশস্ত্র সংগ্রাম চালিয়ে যান।’
ইপিআরের ওয়্যারলেসে বঙ্গবন্ধুর ঘোষণা ছড়িয়ে পড়ে সারাদেশে। এই ওয়্যারলেস বার্তা চট্টগ্রাম ইপিআর সদর দপ্তরে পৌঁছায়। চট্টগ্রাম উপকূলে নোঙ্গর করা একটি বিদেশি জাহাজও এই বার্তা গ্রহণ করে। চট্টগ্রামে অবস্থানকারী আওয়ামী লীগের শ্রম বিষয়ক সম্পাদক জহুর আহমেদ চৌধুরী বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতার ঘোষণার বাণী সেই রাতেই সাইক্লোস্টাইল করে শহরবাসীর মধ্যে বিলির ব্যবস্থা করেন। পরে ২৭ মার্চ চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে মেজর জিয়াউর রহমান বঙ্গবন্ধুর পক্ষে স্বাধীনতার ঘোষণা পাঠ করেন। বঙ্গবন্ধুর এই স্বাধীনতার ঘোষণার ভিত্তিতেই ২৬ মার্চ বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবস পালিত হয়।
ওইদিন রাতেই প্রতিরোধ শুরু করে চট্টগ্রামে বাঙালি ক্যাপ্টেন রফিকের নেতৃত্বে শুরু যুদ্ধ। এদিকে গাজীপুরেও সফিউল্লার নেতৃত্বে গড়ে তোলা হয় তীব্র প্রতিরোধ। এরপর আর বীর বাঙালিকে পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। এক সাগর রক্তের বিনিময়ে নয় মাস পর পৃথিবীর মানচিত্রে ফুটে উঠে স্বাধীন-সার্বভৌম রাষ্ট্র ‘বাংলাদেশ’ এর নাম।
‘কালরাত’ স্মরণে নানা কর্মসূচি
২৫ মার্চ কালরাত্রি স্মরণে বিভিন্ন সংগঠন নানা অনুষ্ঠানমালার আয়োজন করেছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জগন্নাথ ২৫ মার্চ সন্ধ্যা ৬টা থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত হল প্রাঙ্গণে নানা অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে। অনুষ্ঠানমালার মধ্যে রয়েছেÑ সন্ধ্যা ৬টায় শহীদদের স্মরণে স্থাপনা শিল্পের প্রদর্শন, ৭ টায় জাগরণের গান, রাত ৯ টায় দেশাত্মবোধক গান ও কবিতা আবৃত্তি, রাত ১১টায় মশাল প্রজ্বলন ও ১১টা ৫৯ মিনিটে গণসমাধিতে মোমবাতি প্রজ্বলন এবং শ্রদ্ধা নিবেদন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি থাকবেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক। সেক্টর কমান্ডারস ফোরাম শোকাবহ কালরাত্রির নির্মম ঘটনাবলী নতুন প্রজন্মকে অবহিত করার লক্ষ্যে প্রতি বছরের ন্যায় এবারও সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের ‘শিখা চিরন্তন’ বেদীতে রাত ১১টা থেকে ১২টা ১০ মিনিট পর্যন্ত অনুষ্ঠানমালার আয়োজন করেছে।
ফোরামের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব হারুণ হাবীব এক বিবৃতিতে নতুন প্রজন্মকে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উজ্জীবিত করার লক্ষ্যে বুধবার রাত ১১টা ৫৮ মিনিট থেকে ১২টা পর্যন্ত এই দুই মিনিট সকল বাসাবাড়ি, অফিস-আদালত ও প্রতিষ্ঠানসহ প্রতিটি স্থানে সকল প্রকার আলো নিভিয়ে নিরবতা পালনের আহবান জানিয়েছেন। স্বাধীনতা দিবসের প্রথম প্রহরে অর্থাৎ রাত ১২টা ১ মিনিটে ফোরাম মশাল ও মোমবাতি প্রজ্জ্বলন করে তরুণ প্রজন্মের হাতে তা হস্তান্তর করে স্বাধীনতার অবিস্মরণীয় মুহুর্তকে স্মরণ করবে।