ঢাকাThursday , 19 March 2015
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

অবরোধে সোনামসজিদ বন্দরে ক্ষতি ৫৪ কোটি টাকা

Link Copied!

Ashuganj-port-picচাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি: লাগাতার অবরোধের পাশাপাশি হরতালে চাঁপাইনবাবগঞ্জের সোনামসজিদ স্থলবন্দরে শুল্কযুক্ত পণ্য প্রবেশ না করায় ফেব্রুয়ারি মাসে রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হয়নি। এতে ক্ষতি হয়েছে ৫৩ কোটি ৭৮ লাখ নয় হাজার টাকা।
ফেব্রুয়ারি মাসে রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছিল ৬৫ কোটি ১২ লাখ ৬২ হাজার টাকা। অর্জিত হয়েছে ১১ কোটি ৩৪ লাখ ৫৩ হাজার টাকা। অথচ প্রতিদিন ৩-৪শ’ পণ্যবোঝাই ভারতীয় ট্রাক প্রবেশ করলেও এসব পণ্যের মধ্যে প্রায় সব শুল্কমুক্ত বলে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।
অন্যদিকে, শুল্কযুক্ত পণ্য আপেল, কমলা, বেদানা, আঙ্গুর, মাল্টা, টমেটোসহ বিভিন্ন ফল প্রবেশ না করায় লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের প্রধান অন্তরায়। এছাড়া হরতাল ও অবরোধের কারণে সন্ধ্যার পরে ফলের ট্রাকে পুলিশ স্কট না দেয়ায় আমদানিকারকরা আমদানিতে নিরুৎসাহিত হচ্ছে বলে একাধিক আমদানিকারক জানান। এরপরও ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে তিন দিন ফলের ট্রাক বন্দরে প্রবেশ করলেও বিজিবির তল্লাশির জন্য দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হওয়ার কারণে ওইসব ট্রাকের ফল বেশীরভাগ নষ্ট হয়ে যাওয়ায় আমদানিকারকরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তাই এ বন্দর দিয়ে ফল আমদানিতে আগ্রহ দেখাচ্ছে না তারা।
অথচ গত ৪ মার্চ রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার, রাজশাহীর ডিআইজি, সেক্টর কমান্ডার, চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপারসহ উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের উপস্থিতিতে সোনামসজিদ বন্দরে একসভায় প্রশাসন ট্রাকের নিরাপত্তাসহ ব্যবসা গতিশীল করার লক্ষ্যে বিদ্যমান সমস্যা দূরীকরণে একমত হলেও গত দু’সপ্তাহেও শুল্কযুক্ত পণ্য প্রবেশে কোনো কার্যকরিতা নেই বললেই চলে।
ওই সভায় সিঅ্যান্ডএফ এসোসিয়েশনের নেতা আব্দুল আওয়াল জানান, পানামা ইয়ার্ডের ভেতরে ওজন যন্ত্রে বিজিবির সাম্প্রতিক ওজন তদারকির কারণে অনেক আমদানিকারক হিলি, ভোমরা, বুড়িমারীসহ অন্যান্য স্থলবন্দরে চলে যাচ্ছেন।
এ ব্যাপারে সোনামসজিদ সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট এসোসিয়েশনের সদস্য সচিব সোহেল আহম্মেদ পলাশ জানান, একদিকে পণ্য পরিবহনে নিরাপত্তাহীনতা ও আমদানি করা কাঁচা ফল দিনে দিনে ঢাকাসহ গন্তব্যস্থলে না পৌঁছানোর কারণে এ বন্দর দিয়ে আমদানিকারকরা ফল আমদানি করছেন না। এতে বন্দরের রাজস্ব কমসহ ব্যবসায়ীরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।
সোনামসজিদ স্থলবন্দর কাস্টমস সহকারি কমিশনার নুরুল বাসির জানান, চলমান রাজনৈতিক সঙ্কটের কারণে স্বাভাবিকভাবে পণ্য আমদানি করতে পারছেন না আমদানিকারকরা। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাহারায় পণ্যবাহী ট্রাক বন্দর থেকে গেলেও এসব পণ্যের মধ্যে রয়েছে শুল্কমুক্ত পেঁয়াজ, ভূট্টা, ফ্লাই অ্যাস, কয়লা ও চাল। শুল্কযুক্ত পণ্য আমদানি কম হওয়ায় সরকার রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।
তিনি আরও জানান, ফল থেকে সবচেয়ে বেশি রাজস্ব আয় হয়। কিন্তু আমদানিকারকরা কোনো প্রকার ফল আমদানি করছেন না। গত ফেব্রুয়ারি মাসে এ বন্দরে রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা ৬৫ কোটি ১২ লাখ ৬২ হাজার টাকা ধরা হয়েছিল। কিন্তু অর্জিত হয়েছে মাত্র ১১ কোটি ৩৪ লাখ ৫৩ হাজার টাকা। জেলা প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের পাহারায় পণ্যবাহী ট্রাকগুলো পারাপার না হলে রাজস্ব আদায়ে আরও প্রভাব পড়তো।