নিজস্ব প্রতিবেদক : ২০১৪-১৫ অর্থবছরের ৭ দশমিক ৩ শতাংশ অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ধরে বিশাল অংকের বাজেট নির্ধারণ করে সরকার। ২ লাখ ৫০ হাজার ৬০৩ কোটি টাকার বিলাসবহুল বাজেটে রাজস্ব আহরণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল ১ লাখ ৪৯ হাজার ৭২০ কোটি টাকা। প্রথম দিকে রাজস্ব আহরণে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) কিছুটা সফল হলেও ধ্স নেমেছে তৃতীয় প্রান্তিকে এসে। রাজস্ব আহরণের সব খাতের অবস্থা হতাশাজনক। আর মুখ থুবড়ে পড়েছে মন্ত্রণালয়ের ব্যয়ের খাত। কমানো হয়েছে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিবি) লক্ষ্যমাত্রা।
রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি কমার পাশাপাশি বাজেট বাস্তবায়ন নিয়েও শঙ্কা প্রকাশ করেছেন স্বয়ং অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। এ অবস্থায় চলতি বছরের বাজেট বাস্তবায়ন সম্ভব নয় বলেই মনে করছেন অর্থনীতি বিশ্লেষকরা।
সংসদ সূত্রে জানা যায়, টানা অবরোধ-হরতালে মন্ত্রণালয়গুলো টাকা ব্যয় করতে পারছে না। সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড স্থবির হয়ে পড়েছে। ব্যবসা-বাণিজ্য কমে যাওয়ায় রাজস্ব আদায় ঠিকমতো হচ্ছে না। রাজনৈতিক এ অস্থিতিশীলতায় অর্থনীতির ওপর বিরূপ প্রভাব পড়েছে বলে স্বীকার করেছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত।
বাজেট ২০১৪-১৫ এর দ্বিতীয় প্রান্তিক (জুলাই-ডিসেম্বর) পর্যন্ত বাস্তবায়ন অগ্রগতি ও আয়-ব্যয়ের গতিধারা এবং সামষ্টিক অর্থনৈতিক বিশ্লেষণসংক্রান্ত প্রতিবেদন সংসদে উত্থাপন করে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত সংশয় প্রকাশ করে বলেন, ‘অর্থনীতির প্রবৃদ্ধি ৭ দশমিক ৩ শতাংশ ধরা হয়েছে। কিন্তু এ প্রবৃদ্ধি অর্জন নিয়ে সন্দেহ রয়েছে। আর্থসামাজিক অর্জনের পথ ধরে দেশ যখন মধ্য আয়ের দেশে পরিণত হওয়ার দ্বারপ্রান্তে উপনীত, তখন এই অগ্রযাত্রাকে প্রতিহত করার অপচেষ্টা চলছে। নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্য ও সেবার সরবরাহে তৈরি করা হচ্ছে কৃত্রিম সঙ্কট। এতে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে অভ্যন্তরীণ আর আন্তর্জাতিক বাণিজ্য। দৈনন্দিন কাজের সুযোগবঞ্চিত হয়ে অর্থনৈতিকভাবে দুর্বিষহ অবস্থায় পড়েছে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী, দিনমজুর আর শ্রমিক শ্রেণি।’
জানা গেছে, অস্থিতিশীল রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে কী পরিমাণ দেশের অর্থনীতির ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, এ পরিস্থিতিতে কী করণীয়, বাজেট বাস্তবায়ন কী হবে এসব বিষয় নিয়ে আগামী মাসের মধ্যে নতুন হিসাব-নিকাশ তৈরি করতে যাচ্ছে অর্থ মন্ত্রণালয়। চলতি অর্থবছরে মোট বাজেট ধরা হয়েছে ২ লাখ ৫০ হাজার ৬০৩ কোটি টাকা। জুলাই থেকে ডিসেম্বর এ সময়ে অর্থ ব্যয় হয়েছে ৭৬ হাজার ৭৯৮ কোটি টাকা। এটি মোট বাজেটের ৩০ শতাংশ। গত বছর একই সময়ে ব্যয় হয়েছিল ৭৬ হাজার ৮৫৪ কোটি টাকা। তবে গত অর্থবছরের তুলনায় চলতি অর্থবছরের ছয় মাসে ৫৫ কোটি টাকা কম ব্যয় হয়েছে। এছাড়া ইতিমধ্যে চলতি অর্থবছরের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) বরাদ্দ ৬ দশমিক ৬১ শতাংশ কমিয়ে আনা হয়েছে।
যেসব খাতে কমছে রাজস্ব আদায়:
রাজস্ব আহরণে ঘাটতি: চলতি অর্থ বছরের সাত মাসে (জুলাই-জানুয়ারি) রাজস্ব আহরণে ঘাটতি হয়েছে ২ হাজার ৩৫৯ কোটি টাকা। এই অর্থবছরের প্রথম সাত মাসে করদাতাদের কাছ থেকে ৬৯ হাজার ৪৬৬ কোটি টাকার রাজস্ব আদায় করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড(এনবিআর)। এ সময়ে লক্ষ্যমাত্রার অর্জনে ২ হাজার ৩৫৯ কোটি টাকার ঘাটতি রয়েছে। এ সাত মাসে রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয় ৬৯ হাজার ৮২৫ কোটি টাকা। অবশ্য গত বছর একই সময়ে রাজস্ব আদায়ে ৪ হাজার ৩৮০ কোটি ৪২ লাখ টাকার ঘাটতি ছিল। তখন ১ লাখ ২৫ হাজার কোটি টাকার লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে আদায় হয় ১ লাখ ২০ হাজার ৬২১ কোটি ৫৮ লাখ টাকা। আর চলতি ২০১৪-১৫ অর্থবছরের বাজেটে সরকার ১ লাখ ৪৯ হাজার ৭২০ কোটি টাকার রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে।
রাজস্ব আদায় কমছে শেয়ারবাজারে : টানা অবরোধ ও হরতালের কারণে ব্রোকারেজ হাউসের আয় কমেছে। ফলে সরকারি খাতে তাদের রাজস্ব দেয়ার পরিমাণ কমে আসছে। গত (জানুয়ারী) মাসের তুলনায় ফেব্রুয়ারিতে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ব্রোকারেজ হাউস, কোম্পানির উদ্যোক্তা পরিচালক এবং প্রাইভেট প্লেসমেন্টের মাধ্যমে কর আদায় কমেছে ৭৫ লাখ টাকা। এ সময়ে তারা সরকারকে ৮ কোটি ৬৯ লাখ টাকা রাজস্ব দিয়েছে। গত জানুয়ারি মাসে ব্রোকারেজ হাউসের মাধ্যমে কর আদায় হয়েছে ৫ কোটি ৫৬ লাখ টাকা। আর উদ্যোক্তা পরিচালক এবং প্লেসমেন্ট শেয়ারের বিপরীতে কর আদায় হয়েছে ৩ কোটি ৮৮ লাখ টাকা। দুই খাত মিলে কর আদায় হয়েছে ৯ কোটি ৪৪ লাখ টাকা। আর ফেব্রুয়ারিতে এর পরিমাণ কমে ৮ কোটি ৬৯ লাখ টাকায় নেমেছে। এর মধ্যে ব্রোকারেজ হাউসের মাধ্যমে কর আদায় ৫ কোটি ৩৬ লাখ টাকা এবং উদ্যোক্তা পরিচালক ও প্লেসমেন্ট শেয়ারের মাধ্যমে ৩ কোটি ৩৩ লাখ টাকা।
এছাড়া গত জুন মাসে ডিএসইর রাজস্ব আয় হয়েছে ৭ কোটি ৭৩ লাখ টাকা। কিন্তু জুলাইয়ে তা কমে ৪ কোটি ১১ লাখ টাকায় নেমে আসে। তবে আগস্টে কর আদায় আবার বেড়ে ১২ কোটি ৬৫ লাখ টাকায় উন্নীত হয়। সেপ্টেম্বর মাসে কর আদায়ের পরিমাণ ছিল ১৭ কোটি ৫৮ লাখ টাকা। এরপর থেকেই রাজস্ব আয় কমতে থাকে। অক্টোবরে কর আদায় হয় ১২ কোটি ৭৫ লাখ টাকা। নভেম্বরে আদায় হয় ১১ কোটি ৫৪ লাখ টাকা। ডিসেম্বরে আরও কমে গিয়ে আদায় করা হয় ৬ কোটি টাকা।
জানা গেছে, ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের সদস্য হাউসগুলোর লেনদেনের ওপর দশমিক ০৫ শতাংশ উৎসে কর কেটে রাখা হয়। অর্থাৎ কোনো ব্রোকারেজ হাউস ১ লাখ টাকা লেনদেন করলে ৫০ টাকা উৎসে আয়কর কেটে রাখা হয়। ফলে ব্রোকারেজ হাউসে লেনদেন যত বেশি হয়, করের পরিমাণ তত বাড়ে। কিন্তু টানা রাজনৈতিক অস্থিরতায় এসব লেনদেন একেবারে কমে এসেছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। (সূত্র : ডিএসই)
চট্টগ্রাম কাস্টম হাউজে কমছে রাজস্ব আহরণ : সমুদ্রপথে আমদানি ও রফতানি মিলে পণ্যের প্রায় ৯৬ শতাংশই আসে চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে। পুরনো এলসির (ঋণপত্র) সুবাদে গত কয়েক মাসে চট্টগ্রাম কাস্টম হাউজে রাজস্ব আহরণ স্বাভাবিক থাকলেও ফেব্রুয়ারির প্রথম ১০ দিনে থেকে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে কম হয় রাজস্ব আহরণ হচ্ছে। ফেব্রুয়ারির প্রথম ১০ দিনে রাজস্ব আদায় কম হয়েছে ২৭ কোটি ৩৭ লাখ টাকা। প্রতিদিনের লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী ফেব্রুয়ারী মাসের প্রথম ১০ দিনে রাজস্ব আহরণের লক্ষ্য ছিল ৭৪৮ কোটি ৭২ লাখ টাকা। এর বিপরীতে রাজস্ব আহরণ হয়েছে ৭২১ কোটি ৩৫ লাখ টাকা। যদিও আহরণকৃত রাজস্বের উল্লেখযোগ্য অংশই এসেছে সরকারি জ্বালানি খাতের বকেয়া থেকে।
অথচ চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে পণ্য আমদানির বিপরীতে এর আগে অর্থবছরের প্রথম সাত মাসে (জুলাই-জানুয়ারি) ধারাবাহিকভাবে বেড়েছে রাজস্ব আহরণ। এনবিআর কর্তৃক ১৩ হাজার ৯৭৮ কোটি টাকা রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা দেয়া হলেও এ সাত মাসে আহরণ হয়েছে ১৪ হাজার ৮৫০ কোটি ১৬ লাখ টাকা। অর্থাৎ ওই সময় লক্ষ্যমাত্রার চেয়েও ৮৭২ কোটি টাকা বেশি রাজস্ব আহরণ করেছে চট্টগ্রাম কাস্টম কর্তৃপক্ষ। কিন্তু ফেব্রুয়ারী মাসের প্রথম ১০ দিনের রাজস্ব আহরণ কমতে শুরে করেছে। রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে আগামীতে এই খাত থেকে আরও রাজস্ব আদায় কমে যাবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
কমছে এডিপি : চলমান রাজনৈতিক অস্থিরতা ও বাস্তবায়নকারী সংস্থাগুলোর অদক্ষতার কারণে এবারও চলতি অর্থবছরের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) আকার কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এই অর্থবছরের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে (এডিপি) ৮০ হাজার ৩১৫ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হলেও সেখান থেকে পাঁচ হাজার ৩১৫ কোটি টাকা কমিয়ে ৭৫ হাজার কোটি টাকা করা হয়েছে। যা চলতি অর্থবছরের এডিপি বরাদ্দ থেকে ৬ দশমিক ৬১ শতাংশ কমিয়ে আনা হয়েছে। এর মধ্যে সরকারের নিজস্ব তহবিল থেকে ৫০ হাজার ১০০ কোটি টাকা ও উন্নয়ন সহযোগী সংস্থার ঋণ বাবদ ২৪ হাজার ৯০০ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
রপ্তানি আয়ও লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে পারেনি : অর্থবছরের প্রথম সাত মাসে অর্থাৎ জুলাই থেকে জানুয়ারি সময়ে রপ্তানি আয় কমেছে লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় ৪ দশমিক ১৯ শতাংশ। এ সময় লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয় ১ হাজার ৮৫৯ কোটি মার্কিন ডলার। ওই লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় প্রকৃত আয় হয়েছে ১ হাজার ৭৮০ কোটি ডলার। লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় আয় কমেছে ৭৯ কোটি ডলার। যা দেশীয় মুদ্রায় ৬ হাজার ১৬২ কোটি টাকা।
রেমিটেন্স বেড়েছে: চলতি অর্থবছরের জুলাই থেকে জানুয়ারি এ সাত মাসে অন্য সকল রাজস্ব আহরণের খাতে রাজস্ব আদায়ের ব্যাপারটি আশানুরূপ না হলেও রেমিটেন্সে দেখার গেছে আশার মুখ। এই সময়ের মধ্যে প্রবাসীদের পাঠানো রেমিটেন্স এসেছে ৮৭৩ কোটি মার্কিন ডলার। অথচ গত অর্থবছরের একই সময়ে রেমিটেন্স এসেছিল ৮০৩ কোটি ডলার। অর্থাৎ গত বছরের তুলনায় এ বছরের রেমিটেন্স বেড়েছে ৭০ কোটি ডলার।
এদিকে ২০১৪-১৫ অর্থবছরের বাজেট বাস্তবায়ন করা সম্ভাব নয় বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অর্থ উপদেষ্টা ও অর্থনীতিবিদ ড. এবি মির্জ্জা আজিজুল ইসলাম।
তিনি বলেন, ‘এইবারে ২ লাখ ৫০ হাজার ৫০৬ কোটি টাকার বাজেটে রাজস্ব আয় নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৪৯ হাজার ৭২০ কোটি টাকা যা কোনোভাবেই আদায় সম্ভব নয়। রাজনৈতিক অস্থিরতা কেন, স্বাভাবিক পরিস্থিতি থাকলেও এ বাজেট বাস্তবায়ন করা সম্ভাব হত না। এর কারণ হিসাবে দুটি কথা বলছি।
তার একটি কারণ হল- গত অর্থবছর প্রস্তাবিত বাজেটে রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছিল এক লাখ ৩৬ হাজার কোটি টাকা। পরে সংশোধিত বাজেটে তা কমিয়ে এক লাখ ২৫ হাজার কোটি টাকা করা হয়েছে। এর মধ্যে অর্থবছরের ১০ মাসে লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের প্রবৃদ্ধি হয়েছে মাত্র ৭ দশমিক ৩ শতাংশ। সব মিলিয়ে অর্থবছর শেষে রাজস্ব আদায় এক লাখ ২০ হাজার কোটি টাকার বেশি হবে না। অর্থাৎ অর্থবছরে চার-পাঁচ হাজার কোটি টাকা কম আদায় হচ্ছে।
তা সত্ত্বেও এই অর্থবছরে রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে গত অর্থবছরের তুলনায় ২৫ শতাংশ বেশি। যেহেতু সার্বিক অর্থনীতি, রাজনৈতিক পরিবেশ এবং ব্যবসা-বাণিজ্যের অবস্থার তেমন উন্নতি আশা করা যাচ্ছে না তাতে এ টার্গেট পূরণ কোনোভাবেই সম্ভব নয়।
দ্বিতীয় কারণ হিসেবে তিনি বলেন, বৈদেশিক সাহায্যের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছিল ২৮ হাজার কোটি টাকা। যদিও অর্থবছরের প্রথম ১০ মাসে বিদেশি ঋণ এসেছে মাত্র ১৪ হাজার কোটি টাকা। তার মানে অর্ধেকেরও কম অর্জিত হয়েছে। যেখানে এ বছরের টার্গেটের অর্ধেকও অর্জিত হয়নি সেখানে আগামী বছরে আরও বড় টার্গেট দেয়া হচ্ছে- যা অর্জিত হওয়ার কোনো সম্ভাবনা দেখছি না।
এ নিয়ে আমি ডেইলি স্টারে একটি নিবন্ধ লিখেছিলাম যে এবারের বাজেট বাস্তবায়ন সম্ভাব হবে না। সেখানে এসব নিয়ে বিস্তারিত বলা আছে। আমি বলেছিলাম এবারের এডিপির আকার কমাতে হবে। অবশেষে সরকার সে ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলেও জানান এ অর্থনীতিবিদ।

