আন্তর্জাতিক ডেস্ক : বাশার আল আসাদ মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী জন কেরির পরবর্তী উদ্যোগের দিকে তাকিয়ে আছেন।
সম্প্রতি জন কেরি সিরীয় প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনায় বসা যেতে পারে- এই মর্মে একটি বিবৃতি প্রদান করেন। মার্কিন প্রশাসন একদিকে যখন সিরিয়াবিরোধী সামরিক প্রশিক্ষণ পরিচালনার জন্যে গুরুব্যয় হাতে নিয়েছে, ঠিক সেই মুহূর্তে কেরির এ নতুন ভাষ্যে নড়েচড়ে বসেছে আন্তর্জাতিক মহল।
বাশার আল আসাদ বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র কী পদক্ষেপ নেয় তা দেখে তবেই পরবর্তী উদ্যোগ সম্পর্কে ভাববেন। সিরীয় রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে তার এ ভাষ্য প্রচারিত হয়।
মার্কিন প্রশাসন প্রায়ই বলে থাকতো- বাশার আল আসাদ প্রশাসন পরিচালনার এখতিয়ার হারিয়েছেন। কেরির সর্বশেষ ভাষণে এমন কোনো বাক্য বাশার প্রশাসনের বিরুদ্ধে উচ্চারিত হয়নি।
বিষয়টিকে কেমন চোখে দেখছেন, এ প্রশ্নের জবাবে আসাদ বলেন- সিরিয়ার প্রতি আন্তর্জাতিক দৃষ্টিভঙ্গি যদি পরিবর্তিত হয়ে, তাকে অবশ্যই ইতিবাচকভাবে কাজে লাগানো যাবে। তবে সিরিয়ায় তার বিরুদ্ধে ক্রিয়াশীল সন্ত্রাসী দলগুলোকে মদদ দান থেকেও বিরত থাকবে হবে তাদের।
বলা হচ্ছে, একটি বিশেষ কারণে পশ্চিমা শক্তি এখন কিছুটা নমনীয় আসাদের প্রতি। কারণটি- আইসিরে উত্থান। শত্রুর শত্রু বন্ধু- এই নীতি অনুসারে আইসিস-বিরোধীতাই বাশার ও পশ্চিমকে কাছাকাছি নিয়ে আসতে পারে।
তবে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের এক মুখপাত্র মেরি হার্ফের কথায় অনেকেই বিভ্রান্ত হয়ে পড়ছেন। মেরি হার্ফ বলছেন, আলোচনার প্রসঙ্গে কেরি সরাসরি বাশারের কথা উল্লেখ করেননি।

