ঢাকাWednesday , 2 July 2025
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

অস্ত্রের মুখে জমি রেজিস্ট্রি,মামলা প্রত্যাহারে প্রাণ নাশের হুমকি

Link Copied!

ঢাকার কেরানীগঞ্জ এলাকায় জমি নিয়ে বিরোধের জেরে জমির কামাল হোসেন নামের এক ব্যক্তিকে অস্ত্র ঠেকিয়ে জমি রেজিস্ট্রি ও মামলা তুলে নিতে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়েছে। গত বুধবার সেগুনবাগিচা ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনে সংবাদ সম্মেলন ভুক্তভোগী কামাল ও তার পরিবার এই অভিযোগ করেছেন। ভূক্তভোগীরা জানান,কামাল হোসেন ইঞ্জিনিয়ার,ইলেকট্রনিক ফ্যাক্টরি নিজস্ব মালিক ব্যবসায়িক লেনদেনে সোলাইমান লিটন,(৫০) নবাবপুরের বড় মসজিদ গলির মিম হার্ডওয়ার স্বত্বাধিকারী কামাল হোসেনের প্রতিষ্ঠান থেকে ৪১ লাখ ৬৬ হাজার ২৮০ টাকার মালামাল নেয়। উক্ত মালামালের টাকা, সোলাইমান লিটনের কাছে চাইলে,দিচ্ছি দিব বলে ঘুরাইতে থাকে। এঘটনায় কেরানীগঞ্জ মডেল থানার স্থানীয় চেয়ারম্যান অফিসে দফায় দফায় সালিশি বিচার করা হয়। উক্ত বৈঠকে লিটন টাকা পরিশোধ করবেন বলে মৌখিক অঙ্গীকারও করেন। কামাল আরো জানান, সোলাইমান লিটন একজন প্রতারক ও বদ মেজাজি, চাঁদাবাজ, ভূমিদস্যু। তিনি টাকা প্রদান করার কলে গত ৪ মে সকাল ১২ ঘটিকায়, রিকশা যোগে,নবাবপুরে আমার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মালামাল কেনার উদ্দেশ্যে ৫ লক্ষ টাকা নিয়ে যাই। তখন নবাবপুরে সোলাইমান লিটনের সাথে দেখা হলে তার কাছে টাকা চাই। পরে নাস্তা করে আসার কথা জানান। পরে লিটন সহ কয়েকজন লোক আমাকে জিম্মি করে বংশাল ছুরিটোলা,২০২/২ লুৎফর রহমান লেন,আইয়ুব ভবনে নিচতলায় একটি কক্ষে নিয়ে যায়। সেখানে অজ্ঞাতনামা আরো ১০ থেকে ১৫ জন সন্ত্রাসী আমাকে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে, মাথায় পিস্তল ঠেকিয়ে,পাঁচ লক্ষ টাকা নিয়ে নেয়। আমার কেরানীগঞ্জ ভাগনা মুসলিমবাগস্থ আমার রেজিস্ট্রিকৃত আড়াই শতাংশ জমি পলি বেগম নামে একজনে নামে কমিশন রেজিস্ট্রি করে। এরপর তারা ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। উক্ত দলিল সম্পাদনার পর কেরানীগঞ্জ মডেল থানা ও সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। পরে উক্ত দলিল সম্পাদনার কার্যক্রম স্থগিত রাখেন। উক্ত বিষয়ে আদালতে সিআর মামলা নং ৭৫৩/২০২৫ দায়ের করা হয়েছে। যা সিআইডি তদন্ত করছেন। আসামিরা উক্ত মামলা প্রত্যাহারের জন্য প্রতিনিয়ত ভয়ভীতি ও খুন জখমের হুমকি ধামকি দিয়ে আসছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দাবি করছেন ভুক্তভোগিরা।